| |

Ad

সর্বশেষঃ

হকির টাইগার সোনা মিয়া আর নেই

আপডেটঃ ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৮

স্পোর্টস রিপোর্টার: চলে গেলেন দেশের হকির কিংবদন্তি তারকা আবদুর রাজ্জাক সোনা মিয়া। এই প্রজন্ম তাকে চেনে জাতীয় দলের তারকা হকি খেলোয়াড় রাসেল মাহমুদ জিমির বাবা হিসেবে। কিন্তু আবদুর রাজ্জাক সোনা মিয়া তো স্বনামেই পরিচিতি, দেশের হকির এক কিংবদন্তি। গতকাল সকালে সাড়ে ৭টায় ইন্তেকাল করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। খেলোয়াড়, কোচ, সংগঠক, আম্পায়ার নানা পরিচয়ে পরিচিত তিনি। ছিলেন হকি আম্পায়ার্স বোর্ডের সাবেক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক সোনামিয়া । ব্রেইন স্ট্রোকসহ কিডনি জটিলতা, এরপর অন্য রোগও বাসা বেঁধে বসেছিল তার শরীরে।
অথচ দিন চারেক আগেই হকি ফেডারেশন থেকে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের জন্যে সোনা মিয়ার নাম প্রাথমিকভাবে বাছাই হয়েছিল। কিন্তু এই খবর শুনেও যেতে পারেননি। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র ও তিন কন্যা রেখে যান। এই দুই ছেলে বাবার মতোই হকি খেলে যাচ্ছেন। একজন জাতীয় দলের তারকা খেলোয়াড় রাসেল মাহমুদ জিমি। অন্যজন রাকিন আহমেদ।
১৯৪৯ সালের ২ নভেম্বর পুরনো ঢাকার আরমানিটোলার গোলাম মোস্তফা লেনে জন্ম নেন সোনা মিয়া। আরমানিটোলা স্কুল ও তৎকালীন জগন্নাথ কলেজে পড়াশোনা করেছেন। তিনি আরমানিটোলা স্কুলে ছাত্র অবস্থায় ১৯৬২ সালে আজাদ স্পোর্টিং ক্লাবের পক্ষে হকি লীগে অংশগ্রহণ করে খেলোয়াড় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। পরবর্তীতে জগন্নাথ কলেজে ভর্তি হন। জগন্নাথ কলেজে ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ২০০, ৪০০, ৮০০, ১৫০০ মিটার ¯িপ্রন্টে ও ৪.১০০ মিটার রিলেতে প্রথম হয়ে দুই বছর কলেজ চ্যাম্পিয়ন হন।
খেলোয়াড়ি জীবনে খেলেছেন আজাদ স্পোর্টিং, কম্বাইন্ড, ভিক্টোরিয়া, পিডব্লিউডি ও আবাহনীতে। পাকিস্তান জাতীয় দলের ক্যাম্পে ডাক পেয়েছিলেন। খেলেছেন জুনিয়র দলে। এরই মাঝে ঢাকা জেলা ক্রীড়া সংস্থাসহ অন্য দলেও খেলেছেন। পূর্ব পাকিস্তানের হয়েও খ্যাতি জুটিয়েছিলেন।