| |

Ad

সর্বশেষঃ

কচুয়ায় নিরীহ পরিবারের ঘর উচ্ছেদ

আপডেটঃ ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৮

কচুয়া প্রতিনিধি ॥ কচুয়ায় নিরীহ পরিবারের ঘর উচ্ছেদের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুপুরে উপজেলার ভূঁইয়ারা গ্রামে এ উচ্ছেদের ঘটনা ঘটে। এতে করে নিরীহ পরিবারের লোকজন অসহায়ত্ব হীনত রয়েছে।
জানা যায়-ভূক্তভোগী জাকির হোসেন ও তার স্ত্রী শেফালী এবং পরিজন নিয়ে প্রায় বিশ বছর ধরে ওই বাড়িতে বসবাস করে আসছে। দম্ভোক্তির ও বাকবিতন্ডার কারনে আব্দুল খালেক চাঁদপুর কোর্টে মামলা করেন। প্রতিপক্ষ আব্দুল খালেক তাঁর খরিদকৃত জমি সম্পূর্ন ভাবে ফিরে পাওয়ার দাবিতে পূর্বে চাঁদপুর আদালতে মামলা দায়ের করেন। কিন্তু ভুক্তভোগী পরিবারের জাকির হোসেন তা কোনো ধরনের কর্ণপাত করেন নি। এব্যাপারে পূর্বে আরো একবার কোর্ট থেকে লোক এসে বাড়িটি উচ্ছেদ করতে পারেনি। সোমবার তা চাঁদপুর আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও কচুয়া থানার এসআই মাহবুবুর রহমান সহ সঙ্গীয় ফোস এসে ঘর উচ্ছেদ করেন।
এব্যাপারে ভুক্তভোগী পরিবারের জাকির হোসেন ও স্ত্রী শেফালী জানান, তারা ষড়যন্ত্র করে আমাদের বাড়ির উচ্ছেদ করেছে। তবে আমরা প্রায় ২০ বছর ধরে এই বাড়িতে বসবাস করে আসছি। এখানে ১০ শতক জমির রয়েছে। তবে আমরা এই জমির অংশীদার। তাদের সাথে সামান্য ধরনের বাকবিতন্ডা হলে আব্দুল খালেক আমার বিরুদ্ধে চাঁদপুর জজ আদালতে মামলা দায়ের করে। এখন আমি অসহায়। আমার ছেলে মেয়েদের নিয়ে আমি এখন বিপাকে পড়েছি। কোথায়া যাবো তা কোনো ধরনের ঠিকানা খোজে পাচ্ছি না। তাই আমি এই ধরনের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আইনগত ও সুষ্ঠু বিচার চাই।
প্রতিপক্ষ আব্দুল খালেক বলেন, ১০ শতক আমার খরিদ করা জায়গা। এখানে আমি তাদের প্রতি সহানুভূতি দেখিয়ে বসবাস করার জন্য দিয়েছি। কিন্তু তারা আমার খরিদকৃত জমিকে নিজের সম্পত্তি বলে দাবি করে। এই ব্যাপারে আমি আমার খরিদকৃত জমি সম্পূর্ন ভাবে পাওয়ার দাবিতে পূর্বে চাঁদপুর আদালাতে মামলা দায়ের করেছি। সোমবার চাঁদপুর থেকে ম্যাজিস্ট্রেট ও কচুয়া থানা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসে বাড়িটি উচ্ছেদ করে। তাই এখন আমি আমার খরিদকৃত জমি ফিরে পেয়েছি।
ইউপি সদস্য জহির হোসেন বলেন, প্রতিপক্ষ আব্দুল খালেক যে ঘটনাটি করেছে তা আসলে সঠিক নয়। ভুক্তভোগী পরিবার এখন কোথায় থাকবে তা কেউ বলতে পারবে না। তবে এই মূহুতে পুনরায় আব্দুল খালেক তাদেরকে অন্য কোথায় জমি দিলে হয়তো নিরীহ পরিবারটি বাঁচতে পারবে।