| |

Ad

ডিজিটাল শব্দদূষণে অতিষ্ঠ নগরবাসী,যা দেখার কেউ নেই।।

আপডেটঃ ১১:৪১ অপরাহ্ণ | মার্চ ২১, ২০১৮

সুয়েবুর রাহমান::সিলেট নগরীতে দিন দিন বেড়েই চলছে শব্দ দূষন। বিশেষ করে, মটরসাকেল ওপ্রাইভেট কারের ডিজিটাল সাইলেন্সারের অতিরিক্ত সাউন্ডে অতিষ্ঠ হয়ে উটেছেন নগরবাসী। সরেজমিনে,নগরির গুরুত্বপূর্ন
রাস্তা সহ এলাকাভুক্ত ছোট খাট অলি গলি গুড়ে বেশ কয়েকটি ডিজিটাল সাইলেন্সার লাগানো মটরসাকেল ও প্রাইভেটকার সন্ধান পাওয়া গেছে  এছাড়া ও নগরীর স্থানীয় নাগরিকের সাথে কথা বলে জানা যায়, দিন দিন নগরিতে শব্দ দূষন বেড়েই চলছে , আইনি নীতিমালা রয়েছে কিন্তু কোন প্রতিকার নেই এবং তারা আরও বলেন, আমরা প্রতিনিয়তই শব্দ দুষণের শিকার হই প্রধানত বাস,ট্রাক, প্রাইভেট কার,টেম্পো জাতীয় বড়,ছোট যানবাহনের অতিরিক্ত হর্ণের শব্দের মাধ্যমে যার অন্যতম শিকার হয় ছোট ছোট শিশু,বয়স্ক এবং অসুস্থ্য ব্যাক্তিরা। নগরীতে স্কুল, কলেজ ও হাস্পাতাল জেনেও আইনশৃংখলা বাহিনীর সামনেই অহেতুক হরন সহ মাইক বাজিয়ে  ঔষধ বিক্রির চলছে অবাধে যা দেখার কেউ নেই।ইন্টারনেটের সুত্রে জানা জায়, চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, শব্দ বায়ুর মধ্য‌ে দিয়ে প্রবাহিত হয় ফলে বাতাসের গুণমান দিয়ে এর প্রভাব বোঝা যায়। শব্দ মাপা হয় ডেসিবল দিয়ে। বিশেষজ্ঞরা বলেন যদি টানা ৮ ঘন্টা৯০ থেকে ১০০ ডেসিবেল শব্দ প্রতিদিন শোনা হয়, তাহলে ২৫ বছরের মধ্যে শতকরা ৫০ জনের বধির হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শব্দ দূষণ চোখ ও মাথার বিভিন্ন সমস্যার জন্যও দায়ী। নগরির বেশীরভাগ মানুষই মাথার যন্ত্রণা সহ অস্বস্তি বা বিরক্তিকর -যার অন্যতম কারন শব্দ দুষণ।শব্দ দূষণ কেবলমাত অস্বস্তি বা বিরক্তি বাড়ায় তা নয়, এর ফলে ধমনীর গতিপথও রুদ্ধ হয় এবং অ্য‌াড্রিনালিন প্রবাহ বৃদ্ধি করে যা কিনা হৃদযন্ত্রকে দ্রুত কাজ করতে বাধ্য‌ করে। ক্রমাগত শব্দ কোলোস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় এর ফলে ধমনীর পাকাপাকিভাবে ক্ষতি হয় যে কারণে হার্ট অ্য‌াটাক বা স্ট্রোকের সম্ভাবনা বাড়ে অতিরিক্ত শব্দ নিউরোসিস এবং নার্ভাস ব্রেডকাউনেরও কারণ। আইনশৃংখলা বাহীনির সদস্যদের সাথে কথা বলে জানা যায়, অপ্রয়োজনে ডিজিটাল সাইলেন্সারের অতিরিক্ত সাউন্ডের কারনে ও হর্ন বাজালে জরিমানা হয় কিন্তু তাদিতে হয় না বলে দিন দিন বাড়ছে শব্দদূষণ। নগরির স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, শব্দদূষণ বন্ধে বিধিমালা বাস্তবায়নে গাড়িচালকদের মধ্যে সচেতনতার পাশাপাশি পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের মাধ্যমে গাড়ীর ডিজিটাল জন্য সংশ্লিষ্ট চালক ও গাড়ির বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ গ্রহন করা উচিত। শব্দদূষণ বন্ধে পুলিশ বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর, বিআরটিএ এবং জেলা প্রশাসনের পরিচালিত মোবাইল কোর্টগুলোতে ডিজিটাল সাইলেন্সারের সাউন্ড এর ব্যবহার রোধে আরও কার্যকারী প্রদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।