| |

Ad

সর্বশেষঃ

সরকারি ১২ সংস্থার নিয়ন্ত্রণে নিত্যপণ্যের বাজার

আপডেটঃ ৫:১৮ অপরাহ্ণ | মে ২০, ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক :চ্যানেল সেভেন :: সারা বছর নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল থাকলেও রমজান এলে যেন আগুন লেগে যায় নিত্যপণ্যের বাজারে। আর এর মূলে রয়েছে ব্যবসায় অধিক মুনাফা অর্জনের লোভ ও সাধারণ মানুষের অধিক চাহিদাকে পুঁজি করে তাদের জিম্মি করার মত মানসিকতা। কিন্তু এ অবস্থা চলতে দেয়া যায়না তা ভালোভাবেই উপলব্ধি করতে পেরেছে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।রমজান উপলক্ষে নিত্যপণ্যের বাজার সামলাতে কাজ করছে সরকারের ১২ সংস্থা। এই ১২ সংস্থার প্রায় ৩০-৩৫টি টিম প্রতিদিন বাজার মনিটর করছে। অনিয়ম দেখলে ব্যবস্থাও নিচ্ছে। সরকারকে বাজার পরিস্থিতির ওপর প্রতিবেদনও দিচ্ছে এবং প্রতিবেদন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।বাজার সামলানোর কাজে ব্যস্ত সরকারের সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন বিএসটিআই, নিরাপদ খাদ্য অধিদফতর ও সিটি করপোরেশন। এর বাইরে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন ও দেশব্যাপী জেলা প্রশাসন প্রতিনিয়ত বাজার মনিটর করছে। একই সঙ্গে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ টিসিবি বাজারে মূল্য পরিস্থিতি ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ৫টি নিত্যপণ্য মসুর ডাল, সয়াবিন তেল, চিনি, খেজুর ও ছোলা বিক্রি করছে অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে।শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বিএসটিআই বিভিন্ন প্যাকেটজাত পণ্যের গায়ে দাম লেখা আছে কিনা, বা এর বেশি দাম নিচ্ছে কিনা বা উৎপাদন ও ব্যবহারের মেয়াদ ঠিক মতো আছে কিনা বা কেউ কোনও পণ্যে ভেজাল দিচ্ছে কিনা তা দেখভাল করে। আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন র‍্যাব, পুলিশ ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন নিরাপদ খাদ্য অধিদফতর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে।এছাড়া সরকারের সাদা পোষাকধারী টিম বাজারের বিভিন্ন প্রকার নিত্যপণ্য আমদানি, সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে, যাতে কেউ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে না পারে।বাজারে কোন পণ্যের ঘাটতি নাই। রমজানে প্রয়োজনীয় সব পণ্যের অতিরিক্ত মজুত রয়েছে। সব পণ্যের দামই ক্রেতার নাগালের মধ্যে রাখতে সরকারের একাধিক টিম বাজার মনিটর করছে।