| |

Ad

সর্বশেষঃ

রাখে আল্লাহ মারে কে ? শাহজালালে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের সিলিং হঠাৎ করে খসে পড়লো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাথায়

আপডেটঃ ২:৫৪ পূর্বাহ্ণ | মে ২৩, ২০১৮

এস,এম,মনির হোসেন জীবন ॥ জামিলা আক্তার পারুল : : ঢাকা হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের সিলিং হঠাৎ করে ধসে পড়ছে দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইউসুফ এর মাথায়। সেসময়ে কোর্টের উপস্থিত থাকা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুর রহমান সরে যাওয়ায় অল্পের জন্য তিনি ভাগ্যকমে রক্ষা পান। এঘটনায় কোর্টের কর্মকর্তা সেলিম মুন্সি বিমানবন্দরে থানায় আজ একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি)করেছেন।  মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
বিমানবন্দর আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এর এএসপি মো: তারিক আহমেদ আজ রাতে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে ৮ আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুর রহমান ঢাকা হযরত শাহাহজালাল (রহ). আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এলে হঠাৎ তার মাথার ওপর সিলিং খুলে পড়তে দেখে তিনি তাৎক্ষণিক সরে যান । পরে ঐ সিলিংটি লাগাতে গিয়ে অপর একটি সিলিং খুলে ওই আদালতের বিচারকের মাথার ওপরে পড়ে ও সিলিংটি খাড়াভাবে পড়লে তিনি গুরুতর আহত হতে পারতেন। ভাগ্যক্রমে তিনি বড় ধরনের দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পান।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রকৌশল বিভাগের গাফলতির কারণে মেরামত হচ্ছে না ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের সিলিং। মঙ্গলবারের ঘটনায় বিমানবন্দর থানা পুলিশ তদন্তে এসে প্রকৌশল বিভাগের বিভিন্ন কর্মচারীকে বিষয়টি সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইউসুফ আজ রাতে জানান, এ বিষয়টি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন আগ থেকে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছিল। কিন্তু তারা এবিষয়ে কোন কর্ণপাত করেনি। তিনি বলেন, প্রায় সময়ই সিলিং খুলে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে। অদৃশ্য কারণে সিলিং মেরামতের কাজ হচ্ছে না।
বিমানবন্দর থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কোর্টের কর্মকর্তা সেলিম মুন্সি বিমানবন্দরে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
থানায় দায়েরকৃত জিডিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২ বছর যাবত ঢাকা হযরত শাহজালাল (রহ,) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের অফিস কক্ষে সিলিং খুলে পড়ে যায়। এগুলো মেরামত করার জন্য বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী, সিভিল ও সহকারী প্রকৌশলী সিভিলকে বার বার তাগিদসহ বিমানবন্দরের পরিচালককে অনুরোধ করা হচিছল। একবছর পূর্বে পরিচালক (হশাআবি) সহ-নির্বাহী প্রকৌশলী পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। বেবিচকের সদস্য (পরিকল্পনা ও পরিচালনা) মোস্তাফিজুর রহমানও পরির্দশন করে এ অবস্থা দেখেছেন। কিন্তু, এখন পর্যন্ত এ অফিসের সিলিংসহ ইলেকট্রিক কাজ করা হয়নি।
এবিষয়ে জানতে বিমানবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আযম মিয়ার সাথে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি মেঠো ফোনটি কেটে দেন। সে কারণে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখার জন্য বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী, সিভিল ও সহকারী প্রকৌশলী সিভিল এবং সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সু-দুষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ও যাত্রীরা।