| |

Ad

একটি ছোট্ট গবেষণা: আর্টিকেল – যৌনক্ষুধা ও পতিতাবৃত্তি এবং বাংলাদেশ মীর্জা শ. হাসান

আপডেটঃ ৪:৩৬ অপরাহ্ণ | জুন ০২, ২০১৮

  • বি.এসসি. ; এল.এল.বি ( ফাইনাল)  ইমেইল: msh.engrr@gmail.com

আমার আর্টিকেলের সাথে জড়িয়ে আছে যুব সমাজ এবং দেশ প্রেম। সেই দেশ, যাতে আপনার মা-বাবা, পরিবার এবং আপনি জন্মেছেন। তাই কুলাংগার সন্তান হবার চেয়ে আর্টিকেলটা লিখা আমার দায়িত্ব। কিছুটা ভারমুক্ত হলাম।পৃথিবীর যখন জন্ম হয় তখন আমি ছিলাম না । তাই শুরুটা অনেক পরে। শুরু করছি ইরেজী বৎসর ২০০০ থেকে। বাংলাদেশের কোন এক ভূ-খন্ড থেকে। আমি যখন দেশের রাস্তায় হাটতাম পাকা রাস্তা ছিলো, আশে পাশে বিশাল বিশাল দালান হয়েছে, রাস্তায় চলে বাস । দেখতাম। শুধু জানতাম না বাসের মধ্যে কারা এবং কেন যাতায়াত করতো । দালানের মাঝে কারা বসবাস করতো । তবে জানার ইচ্ছে ছিলো ।

আমাদের দালানের আশে পাশে আছে আরো দালান । সেগুলোতে মানুষের যাওয়া নিষেধ, এগুলোর নাম পতিতালয়। এখানেও ছেলে-মেয়ে আসে যায় তবে গোপনে। এখানে আসার মূল কেন্দ্র ইচ্ছে নারী । নারী পাবার জন্য পুরুষরা যায় আসে। তাহলে এতে দোষের কি এবং কে দোষী তা জানার ইচ্ছে ছিলো । মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়েছিলাম, জানার এবং গবেষণার সুযোগ করে দেবার জন্য । তিনি দিয়েছেন ।আমি শুরু করবো । আমার দেখা বি.এসসি থেকে। যা যা দেখেছি।  চাকুরী’র জন্য আবেদন করেছিলো একজন টিনেজার মেয়ে, ক্লাসমেট। সুবিধা মতো পেলো না । তাই একটি বিউটি পার্লারে কাজ শুরু করলো । সেখান থেকে শুরু হলো দিনদিন তার অধ:পতনের দিক। এখানে নারী ধ্বংস্বের জন্য নারী দায়ী শতভাগ প্রায়। তবে এ নারীদের ও একটি ইতিহাস রয়েছে তাদের স্কুল জীবন থেকে। চলে আসি কয়েক বছর পরে । এক পুরুষের দিকে নজর দেবো। তিনি এডুকেসান এবং ভিসা-ভ্রমণের কাজ করতেন। তার পরিচিতো লেভেলে একদির পিনিকে যাবার সময় কিছু ছবি তুলেন এবং নানান জনকে উপহার দেন। এমনি করে এক মহিলার সাথে পরিচিতো হন এবং মেটান যৌন ক্ষুধা। কেন ? তিনি কি একাকিত্বে দিন কাটাচ্ছেন। না । তার ঘরে বৌ এবং বাচ্চা আছে। তাহলে আমি বলবো এটাকে বলে যৌনক্ষুধা। এখানে দুটো বিষয় চলে আসে। এ পুরুষ যে দিনের পর দিন নিজের বৌকে ফাকি দিলো আর একজন মহিলা যে যে তাকে সায় দিলো । কেন ? এটাকে সমীকরণ এক হিসেবে রাখি।চলে যাবো অন্য একটি নারীর কাছে। যার স্বামী ছিলেন একজন সফল প্রকৌশলী এবং বাচ্চার বাবাও। তাহলে তার স্ত্রী যৌন ‍তৃপ্তি এবং আর্থিক সাফল্য পেয়েছে। তাহলে তার এপথে আসবার কারন কি ? মহিলা চাকুরী করতে চাইতেন, স্বামী দিতেন না । এ নিয়ে বিবাদ। ঝগড়া থেকে তালাক ।  চাকুরী থেকে চাকুরী পরিবতন , পদের উন্নতি, নিজের পলিসি ফাইল বাড়ানোর জন্য একের পরে এক যৌন সময় তাকে পার করতে হয়। বাড়তে থাকে তার নেশা । কেননা, এখানে মানুষের একটি সত্বা কাজ করে বা পাপের দিকে নিয়ে যায়। অবশেষে শিক্ষিকার চাকুরী পায়। সেখানেও হেডমিস্ট্রেজ হবার জন্য তাকে দিনের পর দিন অন্যের যৌনক্ষুধা মেটাতে হচ্ছে। এখানে কে দায়ী ? মহিলা নিজেই। এটাকে সমীকরণ  দুই হিসেবে রেখে দেবো । এখানে নারী পুরুষ দায়ী। তবে লিডিং যিনি তিনি হলেন মহিলাটা। এরাই মূলত সকল ধরা ছোঁয়ার বাহিরে।

এছাড়াও, রোজকার ঘটনা বা শহরগুলোর জমকালো আবাসিক হোটের

গুলোর কথা বলবো না । চলে যাবো সমীরণ এক নম্বরে। কেননা এটা দিয়েই সমগ্র সমাজকে প্রকাশ করা যাবে।

যার ছিলো খ্যাতি, সুনাম, সেল্যূট এবং টাকা। ছিলো সমাজের উচ্চ পর্যাদা। তাহলে তিনি কেন, এ পথে ?

স্বামী ছিলেন সেনাবাহিনীর কর্তা। বাবা ব্যাংকার। বিদেশে বেড়াতেন স্বামীর সাথে সম্মানের সাথে। দেশে পেয়েছিলেন গাড়ী থাকার কোয়াটার। এক বেশী একমন নারী কি চায় ? যা পাবার প্রয়োজন তাও উপড়েও বেশী হয়ে যায়। কিন্তু স্বভাব মানুষকে দিনেদিনে চারা দিয়ে বেড়ায়। সন্তান হলো মহিলার। স্বামীর বলে আমার না। মহিলা নিজেকে বাচাতে এবং নির্দোষ প্রমাণের জন্য বাজে পুরুষদের সাহায্যে এবং লাথ টাকা বিলিয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা দেন। আমাদের দেশে এটা আদিম যুগ থেকেই হয়। কয়েক বছর ধরে পাগলপ্রায় একজন আর্মি একজন নোংরা নারীর কাছে নির্যাতিত হয়। প্রেমের বিয়ে ছিলো। তাই বোঝেনি দুর্দান্ত চালাকী। থেকে যায় বিচার এবং ধিক্ দিতে হয় আইনী ফাঁকের ক্ষমতাকে। মহিলাটা স্বামীকে বুড়ো আঙ্গুলি দেখিয়ে আজ নিজের পায়ে দাড়িয়েছেন। কোটি থেকে কোটিতে চলে গেছে তার সম্পদ। তার অবসর প্রাপ্ত ব্যাংকার বাবা এব সুনিপুণ হিসেবে টাকা গুলো রাখেন যে কোন বিজ্ঞ আইনজীবিও তার অর্থের সন্ধান পাবে না। মহিলার রক্তে ইয়াবা, কোকেন আর চেইন ক্রিমিনার হলেও কোন কিছুতেই সে তুয়াক্কা করে না । এখানে কে দায়ী?নিজেই নিজের আয়নাতে পতিতা। এখানে আমাদের যুব সমাজ জড়িত। জড়িত আপনার ও আমাদের আগামী দিন গুলো, যারা হবেন আপনার নাতি-নাতনী, এদেশের পরিবেশ পাবে। সে পরিবেশ দেয়া আমাদের দায়িত্ব।

আমাদের দেশে যদি সমীকরণ দুই মিনিমাইজ না করা যায়, সবাই নিজের ঘাম মুছতে গিয়ে অবজ্ঞাতে রেখে দিই সব কিছু, একদিন সত্যিই মাণচিত্র হারিয়ে যাবে। দায়ী থাকবেন আপনি এবং অতীতের তারা যারা কাপুরুষের মতো ছিলো।

আজও সময় আছে, উদাসীনতা থেকে জাতিকে শিক্ষিত করতে এগিয়ে আসুন । আজ আমাদের টেবিলে ধর্মীও বই আছে তবে তার পৃষ্ঠায় আমাদের চোখ নাই। নামাজে কতো মানুষ সমাগম হয়, তবে আল-কোরআন পড়ে কতোজনে? ইসলাম ব্যতীত কোন জ্ঞ্যান যুক্তি বা গবেষণা আমাদের সুপধে আনতে পারবে না । আনতে হবে প্রতিটা স্তরে বিবেকবান, জ্ঞ্যানী এবং হয়রত আলী(র)’র মতো ব্যক্তীরা। আনতে হবে সুফিয়া কামালের  মতো নারীদের নানান স্তরে স্তরে।শেষ হয়ে যাচ্ছে পরিবার এবং সর্ম্পক। করুনতার দিকে যাচ্ছে স্কুল –কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থা । চুপ করে থাকার উপায় নাই।

আমরা কি সে সেনাকর্তার হারানো  জীবন ফিরিয়ে দিতে পারবো? আমরা কি পতিতারয় থেকে তরুণ সমাজকে ফিরিয়ে আনতে পারবো? পারবো।  ইনশা- আল্লাহ।