| |

Ad

মাদক বিরোধী সংগঠন “লীড” এর ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটঃ ৫:৫৯ পূর্বাহ্ণ | জুন ০৪, ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক :চ্যানেল সেভেন : রাজধানীর উত্তরার দক্ষিণখানে মাদক বিরোধী সংগঠন “লীড” চেয়ারম্যান সরদার বেলায়েত হোসেন মুকুল কর্তৃক উত্তরার পেশাদার সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 রবিবার (৩জুন) মাদক বিরোধী সংগঠন “লীড”এর চেয়ারম্যান সরদার বেলায়েত হোসেন মুকুল এর নিজ বাসভবনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সভায়  মাদক বিরোধী সংগঠন “লীড” পরিবার এবং লীড নিউজ পরিবারের সকল সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সভায়, উত্তরা কেন্দ্রীয় প্রেসক্লাব এর সভাপতি ,শেখ মনিরুজ্জামান জুয়েল আনান্দৃ ( এবিপি আনন্দ টেলিভিশন বাংলাদেশ প্রতিনিধি ), উত্তরা জার্নালিস্ট ওয়েলফেয়ার ক্লাব এর সভাপতি এস এম এ মনসুর মাসুদ (সম্পাদক চ্যানেল সেভেন বিডি), মোঃ শহিদুল ইসলাম ( এশিয়ান টিভি উত্তরা প্রতিনিধি), মোঃ মোস্তফা ( দৈনিক আলোর জগত উত্তরা প্রতিনিধি), মোহাম্মদ রফিক, [ যুগান্তর প্রতিনিধি ] উত্তরা ,বাংলাদেশ সাংবাদিক জোট এর এ্যডমিন শেখ রাজীব হাসান আকাশ ( সহকারী সম্পাদক দৈনিক আজকের বিনোদন), এছাড়াও মোঃ মহসিন, মোঃ মাসুদ, রাশেদুল ইসলাম রাসেল [ ভারপ্রাপ্তসম্পাদক ]সাপ্তাহিক- সময়ের সাথে ,মোহাম্মদ আলাউদ্দিন  [ স্টাফ রিপোর্টার-চ্যানেল সেভেন বিডি] সহ বরণ্য কলামিষ্ট ও সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগের সংগ্রামী ও ত্যাগী নেতা মোঃ রবিউল ইসলাম রবি ও বিভিন্ন রাজনৈ্তিক সংঘটনের নেতা কর্মীরা ।

অনুষ্ঠানে লীড নিউজ ২৪ সম্পাদক ও মাদক বিরোধী সংগঠন “লীড” চেয়ারম্যান সরদার বেলায়েত হোসেন মুকুল দেশে বিরাজমান মাদক নির্মূলে  মাদক বীরোধী অভিযান সহ নানা পদক্ষেপ নেওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ওবায়েদুল কাদেরকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

বেলায়েত হোসেন মুকুল বলেন, মাদকের ব্যবহার ক্রমশ বাড়ছে উদ্বেগজনকভাবে। এ সমস্যা এখন আর শুধু শহরে সীমাবদ্ধ নেই, ধনী-দরিদ্র, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে তৃণমূল পর্যায়ে বিস্তৃত হয়েছে। মাদকের সহজলভ্যতা ও বিজ্ঞান সম্মত চিকিৎসা সুযোগের অভাব এর অন্যতম কারণ। আর মাদকসেবীদের একটি বড় অংশ বয়সে তরুণ যাদের উপর দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভরশীল। কিন্তু বিপুল এই জনগোষ্ঠী যদি সৃজনশীল কর্মকান্ডের পরিবর্তে মাদক ব্যবহারে ঝুঁকে পড়ে তাহলে এর থেকে বড় আর সর্বনাশ আর কিছু হতে পারে না।

তিনি বলেন, মাদকের পাচার রোধ ও এর কুফল সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে জাতিসংঘের মাদকবিরোধী সংস্থা ১৯৮৭ সাল থেকে প্রতি বছর ২৬ জুন মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার-বিরোধী দিবস পালন করে আসছে। এ সংস্থাটি ‘বিশ্বব্যাপী মাদকমুক্ত সুস্থ সমাজ গড়ে তোলা’ কার্যক্রম চালু করেছে। প্রতিবছরের মতো এবারও আমাদের দেশে দিবসটি ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় পালিত হয় মাদকবিরোধী র‌্যালি, ক্রোড়পত্র প্রকাশ, সেমিনার ও আলোচনা সভা আয়োজনের মধ্য দিয়ে। মিডিয়াকে এ ব্যাপারে আরও সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে হলে তাদের জন্য খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল কর্মকান্ড ও সুস্থ বিনোদনের সুযোগ রাখা প্রয়োজন। ঢাকা শহরের ক’টি বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে খেলার মাঠ রয়েছে এ নিয়ে একটি জরিপ করা যেতে পারে। আর যুবসমাজের একটি বড় অংশ বেকার যারা উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে অবস্থিত যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে আত্মকর্মসংস্থানে নিজেকে নিয়োজিত করতে পারে। সম্প্র্রতি বেশ কয়েকজন তরুণ-তরুণী (নাম উল্লেখের প্রয়োজন নেই কারণ তারা এখন জাতীয় বীর) এভারেষ্ট জয় করে প্রমাণ করেছেন অ্যাডভেঞ্চারকে সুস্থ ও সৃজনশীল পথে পরিচালিত করা সম্ভব যা আমাদের দেশের যুবসমাজের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

তিনি বলেন, সীমান্তে মাদক-চোরাচালান রোধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও তৎপর, দক্ষ ও প্রশিক্ষিত করে তুলতে হবে। কারণ আমাদের দেশ মাদক-চোরাচালানের রুটগুলোর মাঝামাঝি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে অবস্থিত। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের (১৯৯০) ধারাগুলো সময়োপযোগী করে এর যথাযথ প্রয়োগ ও কঠোর বাস্তবায়ন করা গেলে মাদকের অপব্যবহার অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব। মাদক-ব্যবসায়ী ও চোরাচালানকারীরা দেশ ও জাতির সবচেয়ে বড় শত্রু । এদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধে সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। মাদকব্যবহারের ধ্বংসাত্বক প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে এবং মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনকে সমগ্র দেশে ছড়িয়ে দিতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে মাদকমুক্ত সুস্থ সমাজ গড়ে তোলার কোনও বিকল্প নেই।