মঙ্গলবার ২৪শে জুন, ২০১৯ ইং ১১ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

শাহজালালে পাবলিক টয়লেটের ইজারাদারকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত ৪ কর্মচারীকে অর্থদন্ড প্রদান-

আপডেটঃ ৩:০৭ অপরাহ্ণ | জুন ১০, ২০১৮

এস,এম,মনির হোসেন জীবন ॥ : ঢাকা হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নির্ধারিত ফির চেয়ে দ্বি-গুণ হারে টাকা আদায়ের অভিযোগে বহুতল কার পার্কিং এলাকায় পাবলিক টয়লেটের ইজারাদারকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভোক্তা অধিকার আইনে ইজারাদার সা’দমান এন্টারপ্রাইজের ৪ কর্মচারীকে এই অর্থদন্ড দেন বিমানবন্দরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইউসুফ।
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা করে দেড় লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ( এপিবিএন) এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিনিয়র (এএসপি) আলমগীর হোসেন শিমুল আজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
শাহজালাল বিমানবন্দর, এপিবিএন পুলিশ ও ভুক্তভোগীরা জানান, ইজারাচুক্তি অনুযায়ী ওই পাবলিক টয়লেটে নির্ধারিত ফি জনপ্রতি পাঁচ টাকা । অথচ ইজারাদার সা’দমান এন্টারপ্রাইজের কর্মচারীরা সুযোগ বুঝে জনপ্রতি দশ টাকা হারে আদায় করছে। শুক্রবার ভোররাতে সাব্বির আহমেদ নামে এক টয়লেট ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ৫ টাকার পরিবর্তে ১০টাকা আদায় করা হয়। পরে তিনি দূরে দাঁড়িয়ে অন্যদের কাছ থেকেও ১০ টাকা হারে ফি আদায়ের ভিডিও তার নিজের মোবাইল ফোনে গোপনে ধারণ করে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী সাব্বির আহমেদ বিমানবন্দরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইউসুফের মোবাইল ফোনে ভাইবারের মাধ্যমে তা পাঠিয়ে দেন।
পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইউসুফ তাৎক্ষণিক ভাবে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে ফোন করে ইজারাদারের কর্মচারীদের আটক করার নির্দেশ প্রদান করেন। পরবর্তীতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে গিয়ে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দেড় লাখ টাকা ভোক্তা অধিকার আইনে জরিমানা দন্ড আরোপের পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অপকর্ম থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করেন।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইউসুফ জানান, আমরা প্রতিনিয়ত এ ধরনের অভিযোগ পেয়ে থাকি। কিন্তু প্রমাণের অভাবে ব্যবস্থা নিতে পারি না।
তিনি বলেন, বিমানবন্দরের পাবলিক টয়লেট গুলোর বর্তমান অবস্থা অত্যান্ত লাজুক। এগুলোর জরুরী ভিত্তিতে সংস্কার, রক্ষনাবেক্ষন ও তদারকি করা উচিত।
পরবর্তীতে আদায় করা দেড় লাখ টাকা মধ্যে ৭৫ শতাংশ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইউসুফ ।