| |

Ad

সর্বশেষঃ

ছয় মিনিটের ব্রাজিল টর্নেডোয় তছনছ কোস্টারিকা

আপডেটঃ ৮:৫৩ পূর্বাহ্ণ | জুন ২৩, ২০১৮

ক্রীড়া ডেস্ক : অতিরিক্ত সময়ের খেলা বাকি ৬ মিনিট। এসময় ব্রাজিল তৈরি করলো টর্নেডো। তাতে ছারখার হয়ে গেল কোস্টারিকা। ব্রাজিল ২-০ গোলে জিতে বিদায় করলো কোস্টারিকাকে। অবিশ্বাস্য এই জয়ে নেইমারকেও খুঁজে পাওয়া গেছে স্বমহিমায়।

রাশিয়া বিশ্বকাপে ‘সি’ গ্রুপে সেন্ট পিটারবার্গের ম্যাচটি ব্রাজিল-কোস্টারিকা দুই দলের জন্যই কঠিন পরীক্ষা ছিল। ফেবারিট ব্রাজিলের লক্ষ্য ছিল জয় নিশ্চিত করে টুর্নামেন্টে নিজেদের দ্বিতীয় রাউন্ডের পথ পরিষ্কার করা। আর প্রথম ম্যাচে হারের পর কোস্টারিকার দরকার ছিল বিশ্ব আসরে টিকে থাকা। তাতে প্রথমার্ধ গোল শুন্য সমতা এবং হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় ব্রাজিলকে। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে গোল করে দলকে ১-০ গোলের লিড এনে দেয় কৌতিনহো। শেষ বাঁশি বাজার আগে দলের ২-০ গোলের জয় নিশ্চিত করেন নেইমার।

ম্যাচে বল দখলের হিসেবে ব্রাজিলের কাছে পাত্তাই পায়নি কোস্টারিকা। সেলেকাওরা ৬৭ ভাগ বল পায়ে নিয়ে খেলেছে। আক্রমণও করেছে ব্রাজিল। কিন্তু পরিকল্পিত আক্রমণ করতে পারেনি তারা। কোস্টারিকা বক্সের কাছে গিয়েই শেষ হয়ে গেছে আক্রমণগুলো। ম্যাচের ৩ মিনিটে ভালো একটি শট নেন কৌতিনহো। কিন্তু তার দূর পাল্লার শটটি গোলের বেশ ওপর দিয়ে যায়। ১৩ মিনিটে দলকে এগিয়ে নেওয়ার দারুণ এক সুযোগ পায় কোস্টারিকা। কিন্তু ফাঁকায় বল পেয়েও বাইরে মারেন কোস্টারিকার বোরগেস।

১৭ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে বক্সের মধ্যে ভালো একটি শট নেন নেইমার। কিন্তু কাজে আসেনি তার শট। ২৬ মিনিটে নাভাসের জালে বল পাঠান জেসুস। কিন্তু অফ সাইডের ফাঁদে পড়েন তিনি। ৩০ মিনিটে আবার ওপর দিয়ে শট মারেন কৌতিনহো। এরপর নেইমার ৩৩ মিনিটে গোল করার দারুণ এক সুযোগ পান। কিন্তু গোলরক্ষকের সামনে থেকেও বলটি নিয়ন্ত্রনে নিতে পারেননি তিনি।

এরপর ৪১ মিনিটে মার্সেলোর ভালো আক্রমণ ঠেকান কোস্টারিকা গোলরক্ষক নাভাস। ৪৩ মিনিটে ব্রাজিল বক্সে ভয় ধরান ভেনেগাস। ৪৫ মিনিটে আবার ফ্রি কিক পায় কোস্টারিকা। কিন্তু তা থেকেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। কোস্টারিকা অবশ্য ম্যাচে ভালো কিছু কাউন্টার অ্যাটাক তুলেছে। কিন্তু গোল করতে না পারায় গোল শুন্য সমতা নিয়ে শেষ করতে হয় দু’দলকে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে উইলিয়ানকে তুলে নিয়ে ডগলাস কস্তাকে মাঠে নামান ব্রাজিল কোচ। ধার বাড়ে ব্রাজিলের আক্রমণেও। ৪৮ মিনিটে পাউলিনহোর বাড়ানো ক্রসে গোলের কাছাকাছি পৌছে যান নেইমার। কিন্তু নাভাসকে ফাঁকি দিতে পারেননি। ৪৯ মিনিটে জেসুসের হেড বারে লেগে ফিরে আসে। এরপরই কৌতিনহো গোল দেওয়ার সুযোগ পান। কিন্তু তার গড়ানো শট ধরতে অসুবিধে হয়নি রিয়াল মাদ্রিদের গোলরক্ষক নাভাসের।

৫৬ মিনিটে আবার সুযোগ পান পাউলিনহো। কিন্তু তিনি কাজে লাগেতি পারেননি সে সুযোগ। ৫৮ মিনিটে গোলের সুযোগ মিস করেন কৌতিনহো।