শনিবার ২৮শে নভেম্বর, ২০২০ ইং ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

সোর্সের নামে টাকা ভাগ নিচ্ছে পুলিশ

আপডেটঃ ৫:৫৭ পূর্বাহ্ণ | জুলাই ১০, ২০১৪

কক্সবাজারে ইয়াবা দমনে

ব ̈র্থ প্রশাসন

জসিম উদ্দিন সিদ্দিকী কক্সবাজার

পবিত্র রমজানে প্রশাসন কোনভাবে থামাতে পারছেনা

ইয়াবা পাচার। পুলিশ,বিজিবি,কোষ্টা র্গাড,

গোয়েন্দা, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ জেলায় কাজ

করছেন প্রায় কয়েক হাজার প্রশাসনের লোকজন।

এর পরেও গতকয়েক বছর থেকে চলে আসা ইয়াবার

আগ্রাসন থেমে নেই। এতে পুরোপুরি ব ̈র্থ

প্রশাসন এমনই মনে করছেন জেলার সচেতন মহল। এর

পেছনে চরমভাবে দায়ী করছেন কিছু অসাধু পুলিশ

সদস ̈কে। ইয়াবা ব ̈বসায়ীদের সাথে আতাঁতসহ

পুলিশের রয়েছে দহরম মহরম সর্ম্পক। এমনও জনশধতি

রয়েছে পুলিশের গাড়ি নিয়ে পার করে দিচ্ছে ইয়াবার

চালান বিনিময়ে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের

টাকা। ইয়াবার কোন চালান ধরা পড়লে হাতে ̧ণা

কয়েকটি ইয়াবা দেখিয়ে মামালা দিচ্ছে পুলিশ।

এক্ষেত্রে ইয়াবা ব ̈বসায়ীরাও নিজে বাঁচার জন ̈

পুলিশ যত বলতে বলে তা বলে দিচ্ছে। সংশ্লিষ্ট

প্রশাসন বলেন তাদের নিজ ̄^ র্সোসের জন ̈ আটক

ইয়াবার বেশির ভাগ রেখে দিতে হয়। নাম প্রকাশে

অনিচ্ছুক এক ব ̈৩ি জানান, তা হলেতো পুলিশের

কথায় র্সোস চলে না, সোর্সের কথায় চলে পুলিশ।

সরকারের টাকা নিয়ে পুলিশের এমন আচরণ সতি ̈ই

দূঃখজনক। তিনি আরো দাবী করেন সোর্সের

নামে ইয়াবার টাকার ভাগ নিচ্ছেন পুলিশ। ইয়াবা

ব ̈বসায়ীদের সাথে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সর্ম্পকের

কথা কক্সবাজারে প্রতিনিয়ত ঘটে আসলেও উর্দ্ধতন

কত..র্.পক্ষের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন থেকে যায়

̄’ানীয় মানুষের কাছে। নানা অপরাধে জড়িত থাকায়

সম্পধতি ̄^ররাষ্টধ মন্ত্রণালয়ের নিদের্শে শতাধিক

পুলিশ সদস ̈কে কক্সবাজার জেলা থেকে বদলি করা হয়।

আর পুলিশের নতুন সেটআপ এসেও ইয়াবা দমনে

তেমন অগ্রগতি এই পর্যন্ত চোখে পড়ছে না। বরং

ইয়াবা ব ̈বসাযীদের সাথে পুলিশের সর্ম্পক বাড়ছে।

সূত্রে জানায়, প্রতি দিন কোথাও না কোথাও

ইয়াবার চালান ধরা পড়ছে। ওই চালানের বেশির ভাগ

পুলিশের কাছে রেখে দিয়ে নামে মাত্র ইয়াবা দিয়ে

চালান করা হচ্ছে আসামীদের। এতে অপরাধিরা আদালত

থেকে ছাড় পেয়ে ফের ইয়াবা ব ̈বসায় জড়িয়ে পড়ছে।

নানা কৌশল নানা কায়দা পাল্টিয়ে দিনের পর দিন,

অবাধে এ ব ̈বসা চালিয়ে যাচ্ছে।

কিছু দিন আগে ইয়াবা ধরার জন ̈ অনেক বেশি

তৎপর হয়েছিল র ̈াব-৭। তাদের কিছুটা সফলতার কথা

অ ̄^ীকার করা যায় না। রহস ̈জক কারণে র ̈াব বাহিনী

এখন আর ইয়াবা আটকের অভিযানে দেখা যায় না।

পর পর কয়েক জন ইয়াবা গডফাদার নিহত হওয়ার পরে ওই

এলাকার গডফাদারা সীমান্তবর্তী দেশ মিয়ানামার

ও দেশের অভ ̈ান্তরের বিভিন্ন এলাকায় গা ঢাকা

দিয়েছিল। ইয়াবা পাচারে রমজান ও ঈদকে সামনে

রেখে আবারও মরিয়া হয়ে ওঠেছে ইয়াবা ব ̈বসায়ীরা।

প্রতি দিন পুলিশের হাতে ইয়াবার চালান ধরা পড়লেও

সামন ̈ ইয়াবা আটক দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করায়

পুলিশের বদনামের শেষ নেই।

সীমান্ত এলাকায় অপরাধ ঠেকাতে অতন্দধ প্রহরীর

ভূমিকায় প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকায় কাজ করছেন

বিজিবি। অপরাধ ঠেকাতে এত ̧লো বিজিবি

দায়িত্বে থাকার পরও কীভাবে কোটি কোটি টাকার

ইয়াবা পাচার হচ্ছে প্রতিনিয়তে। বিজিবির

দায়িত্বে নিয়ে নানা রহস ̈ রয়েছেন সাধারণ মানুষের

কাছে। আবার অনেকেই ইয়াবা দমনে বিজিবিও

ব ̈র্থ বলে মনে করছেন। তবে এই পর্যন্ত তাদের সফলতা

নেই এটিও বলা যাবে না।

কক্সবাজার ডিবি পুলিশের সদস ̈রা গোপন সংবাদের

ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রামু চেইন্দা এলাকা

থেকে এক হাজার পিচ ইয়াবাসহ তিন ব ̈বসায়ীকে

আটক করেছেন। গতকাল দুপুর ১২টায় তাদেরকে আটক

করা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক পরিবহণ

শধমিক নেতা জানান, আটকক…তদের কাছে তিন

হাজার পিচ ইয়াবা ছিল। তবে পুলিশ এক হাজার পিচ

ইয়াবা দিয়ে তাদেরকে চালান দিয়েছেন। নাম গোপন

করার শর্তে পুলিশের এক সদস ̈ জানান, করার কিছু

থাকে না সোর্সের জন ̈ কিছু ইয়াবা রেখে দিতে

হয়।

ইয়াবা নিয়ে পুলিশের নাটক নতুন করে কিছু নয়।

কিছু আসাধু পুলিশ সদসে ̈র কারণে চরমভাবে

ক্ষুন্ন হচ্ছে পুলিশ বাহিনীর সুনাম।