শুক্রবার ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

হুমকির মুখে কক্সবাজারের উপকূল

আপডেটঃ ৬:০৬ পূর্বাহ্ণ | জুলাই ১০, ২০১৪

জসিম উদ্দিন সিদ্দিকী কক্সবাজার

দিন দিন হুমকির মূখে পড়ছে পর্যটন জেলা

কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকা। পাশাপাশি আরো

বেশি সংকটাপন্ন হয়ে উঠেছে এলাকার পরিবেশ

প্রতিকুল পরিস্তিতি। এমন পরিস্তিতি থেকে উত্তরণের

দাবী জানিয়েছেন জেলার সচেতন মানুষ। বন্যা,

জ্বলোচ্ছাস,ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলা ও পরিবেশ রক্ষার

উপর সংশ্লিষ্টর তরফ থেকে কাজ করার দাবী করে আসলেও

তবে সরজমিনে এ চিত্র অনেকটা ভিন্ন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী

ও কক্সবাজার সদর,টেকনাফ উপকূলীয় এলাকার

প ̈ারাবন নিবির্চারে কাটা হচ্ছে। এতে নদী ও

সাগরের কাছাকাছি বেঁড়িবাধ ভাঙ্গন বাড়ছে

প্রতিনিয়ত। এর নেপে ̈থে রয়েছে একটি শ৩িশালী

চμ। এই অপরাধীরা শাি ̄—র আওতায় না এসে,

নানা কৌশলে পার পেয়ে যাচ্ছে। উপকূলীয় এলাকার

গাছ ̧লো নির্বিচারে কাটা হলেও তা রক্ষার চেষ্টা

কোনভাবে কমতি নেই জানিয়েছে জেলা পরিবেশ

অধিদপ্তর। এদিকে এ ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে কক্সবাজার

পরিবেশ অধিদপ্তরের উদে ̈াগে সাড়ে ৬শ’ হেক্টর, জেলার

উপকূলীয় এলাকায় ২০০৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৪২টি

বন সংরক্ষণ দলকে ৩ লাখ চারা গাছ বিতরন করা হয়েছে।

এদিকে জেলার উপকূলীয় এলাকায় বর্ষার সময়

জ্বলোচ্ছাসে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে জোয়ারের পানি

ডুকে হাজার হাজার হেক্টর ধানি জমি লবণ পানিতে

নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তলিয়ে যেতে পারে অনেক এলাকা।

জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ড এসব দেখার দায়িত্ব

থাকলেও তেমন কোন সফলতা দেখাতে পারেনি, এমন

অভিযোগ ̄’ানীদের।

এছাড়া কক্সবাজার শহরের পার্শ্ববর্তী এলাকার

পাহাড়সহ জেলার অনেক এলাকায় নির্বাচারে

কাটা হচ্ছে পাহাড়। দখলে নিচ্ছে রাতের আধারে

রোহিঙ্গাসহ ভূমিদূস ̈রা এসব এলাকা, গড়ে

তুলছেন বেশ কিছু বসতি। এবিষয়ে কক্সবাজার

পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সরদার শরিফুল

ইসলাম জানিয়েছেন,পাহাড় খোকুদের বিরুদ্ধে

অভিযানএবং মামলা চলছে নিয়মিত। তবে লোক বল

কম থাকায় অপারীদের বিরুদ্ধে সময় মত ব ̈ব ̄’া নিতে

বিলম্ব হচ্ছে। সুত্রে জানায়, জেলা অফিসে ১২ জনের

পদ সংখ ̈ায় রয়েছে মাত্র ৩ জন। ফলে অপরাধীদের শাি ̄—

র আওতায় আনতে সমস ̈ার সম্মূখিন হতে হচ্ছে

সংশ্লিষ্ট কত..র্.পক্ষের।

এছাড়া শহরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রায়

হাজার অধিক হোটেল মোটেল জোনের মধে ̈

পরিবেশ ছাড়পত্র পেয়েছে মাত্র ১০টি প্রতিষ্টান।

এদিকে এ হোটেল মোটেল ̧লো পরিবেশ ছাড়পত্র না

পেলেও ইচ্ছেমতো চালিয়ে যাচ্ছে তাদের কার্যμম।

জানাগেছে সংশ্লিষ্টরা অনেকটা নীরব দর্শকের

ভূমিকায়, এমনকি কিছু সংখ ̈ক হোটেলের

বিরুদ্ধে ব ̈ব ̄’া নিতে গেলে লাল টেলিফোনে আটকা

পড়ে। নানা কৌশলে পার পেয়ে যাচ্ছে অপরাধীরা।

জলবায়ু ঝুঁকিতে কক্সবাজারে পৃথিবীর জলবায়ু

মোকাবেলায় নানা রকম সভা সেমিনার করে গেলেও চরম

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা কক্সবাজারকে নিয়ে সংশ্লিষ্টদের

পক্ষ থেকে কোন ধরনে জলবায়ু মোকাবেলার উদে ̈াগ

চোখে পড়ছে না। জলবায়ু টধাস্ট ফান্ডের কথা শুনা

গেলেও মাঠে নেই তাদের কোন কার্যμম। উপকুলীয়

জেলা হওয়ার সুবাদে প্রায় সময় মোকাবেলা করতে

হয় এসব এলাকার মানুষদের ঝড়,জ্বলোচ্ছাস,বন ̈া

আর প্রাক…তিক বিপদ। এ কারণে ̄’ানীয় পরিবেশ ও

উপকূলীয় রক্ষার দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।