| |

Ad

গাজীপুরের নাওজোরে ভূমি দশ্যু তানভীর সিরাজ গং এর হাতে বিলীন হচ্ছে সরকারি খাস জমি

আপডেটঃ ২:০১ পূর্বাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৮

গাজীপুর প্রতিনিধি>:চ্যানেল সেভেন বিডি :গাজীপুর মহানগর এর ১৩নং ওয়ার্ডের নাওজোর বাস ষ্ট্যান্ড এর দক্ষিণ পার্শ্বে রিয়াজ সি.এন.জি পাম্পের কিছু অংশ সহ গাজীপুর টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে। এলাকার স্থানীয় বি.এন.পি জামাতের কিছু ভূমি দশ্যু সরকারি ৬৯ শতাংশ জায়গা দখল করে ঘড়ে তুলেছে অবৈধ স্থাপনা। সেখান থেকে প্রতি মাসে ৩,৩৭০০০/- (তিন লক্ষ সাতত্রিশ হাজার) টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এই ভূমি দশ্যুরা বিগত ২৫ বছর যাবৎ তারা এই ভূমি নিজেদের বলে দাবী করে দোকান পাঠ নির্মাণ করে ভাড়া দিয়ে টাকা নিচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় অবৈধ স্থাপনার দোকানদার ও এলাকাবাসীদের জিজ্ঞাসাবাদে এক পর্যায়ে বের হয়ে আসে এর মূল হোতাদের নাম ও ঠিকানা।
 সংক্ষিপ্ত আকারে তাদের নামের তালিকা দেওয়া হল
১। মোঃ রিয়াজ উদ্দিন, (রিয়াজ পাম্প এর মালিক) দোকান -৪টি
২। মোঃ তানভীর সিরাজ, (বিএনপি নেতা) দোকান- ২৩টি
৩। মোঃ আব্দুল হামিদ, ভূমি দশ্যু দোকান- ১৪টি
৪। মোঃ শাহজাহান আলী, দোকান -৬টি
৫। মোঃ শরীফ হোসেন, দোকান- ৪টি
৬। মোঃ আনোয়ার হোসেন, দোকান- ১টি
৭। মোঃ মকবুল হোসেন, দোকান- ২টি
৮। মোঃ আলতাফ হোসেন, দোকান- ২টি
৯। মোঃ আরিফ হোসেন, দোকান- ১৩টি
১০। মোসাঃ মিতু, দোকান- ১টি
১১। মোঃ আহাদ আলী, দোকান- ১টি
১২। মোঃ ফারুক হোসেন, দোকান- ১টি
১৩। মোঃ আব্দুল মজিদ, দোকান- ২টি
১৪। জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট, দোকান- ৬টি
১৫। মোঃ আরিফ উদ্দিন, দোকান- ১০টি

উক্ত সরকারি জমি ভূমি দশ্যুদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য জৈনেক হেদায়েত আলী নামের একজন ব্যক্তি গত ১৯/১০/২০১৭ইং তারিখে সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। উক্ত অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৬-১১-২০১৭্ং তারিখে তদন্ত সাপেক্ষে উক্ত জমি দখলমুক্ত করার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী সওজ গাজীপুর, ডি.এ.কে.এম নাহীন রেজা বরাবর নোটিশ জারি করেন। যার ডাইরী নং- ১৭৩০ (২) প্রঃপ্রঃ স্বারক নং- ৩৫.০০.০০০.০২৩.০১.০৫৯.১৬.২৮২ গাজীপুরে নির্বাহী প্রকৌশলী এর কার্যালয় থেকে কয়েকবার স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য নোটিশ করা সত্যেও ভূমি দশ্যুরা স্থাপনা উচ্ছেদ করছে না এরই আলোকে গত ৯/০৪/২০১৮ ইং তারিখে গাজীপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী ডি.এ.কে এম নাহীন রেজা পরিচিতি নং- ৬০২১৪৩।
উক্ত ভূমি দশ্যুদের নামে চুড়ান্ত নোটিশ জারি করেন। যদিও চুড়ান্ত নোটিশে উল্লেখ থাকে যে, নোটিশ পাওয়ার ৭ (সাত) দিনের মধ্যে স্থাপনা উচ্ছেদ করতে হবে। বাস্তবে তা ৫ (পাঁচ) মাস পার হয়ে গেলেও অবৈধ স্থাপনার উচ্ছেদের কাজ মোটেও হয়নি। গাজীপুর সড়ক বিভাগের প্রকৌশলী ডি.এ.কে এম নাহীন রেজার সাথে কথা বলে জানা যায় রমজান মাস ও ঈদ হওয়ার কারণে মানবিক দৃষ্টিতে তা উচ্ছেদ করা হয়নি। রমজান এর ঈদের পর আবারও যোগাযোগ করা হলে বার তারিখ করতে করতে আরও ৩ মাস পার করে দেয়। প্রকৌশলী জনাব নাহিন রেজা টালবাহানা করে সময় পার করার কারণ জানা নেই নাওজোর বাসীর।