শনিবার ২৮শে নভেম্বর, ২০২০ ইং ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

ব্রহ্মপুত্র নদে পানিতে থৈ থৈ

আপডেটঃ ৬:২৩ পূর্বাহ্ণ | জুলাই ১০, ২০১৪

আলতাফ হোসেন সরকার, রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম থেকে :

তাং ৯-৭-১৪

ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বৃদ্ধির ফলে এখন নদের তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সঙ্গে

সঙ্গে চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকার চিনা কাউনসহ তিলক্ষেত তলিয়ে গেছে। এতে

কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার অধীনে প্রায় কয়েকটি চর জনপদ ও কয়েক শ’ একর

চিনা ও কাউনের আবাদ পানিতে ডুবে গেছে বলে জানা গেছে। এ অব ̄’ায় কোন

উপায় না পেয়ে ক…ষক বাধ ̈ হয়ে কাঁচা ও আধাপাকা চিনা কাউন এবং তিল কাটছেন।

সংশ্লিষ্ট ক…ষি বিভাগে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নদের তীরবর্তী দোলা নিচু

এলাকায় এ বছর চিনা, কাউন ও তিল চাষ হয়েছে। আবাদ হয়েছে ভাল। এতে কৃষক

তাদের চিনা কাউন ও তিল নিয়ে খুশিরস্বপ্ন দেখছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করে গত কয়েক

দিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে নদে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায়

নিম্নাঞ্চলের মানুষসহ ক্ষেতের ফসল ডুবে গেছে। আর ক’দিন পরেই ক…ষক যে চিনা

কাউন ঘরে তুলত, এখন তা পানির নিচে পড়ছে। এতে চরের কৃষক দিশাহারা হয়ে

পড়েছেন, উপজেলার সন্ন ̈াসী কান্দি চরের কৃষকসামসুল হক বলেন, ‘চরের ৫ বিঘা

জমিতে চিনা আবাদ করেছি। আবাদ দেইখা মন জুড়াই গেছিল। ৩ দিন পরই যে চিনা

ঘরে তুলতাম তা পানিতে ডুবে যাচ্ছে। কি আর করমু তাই আধাপাকা চিনা কাটছি।

তার মতো চরের অসংখ ̈ কৃষক একই অবস্তা।’ উপজেলার বড়বেড় চরের ইউপি সদস ̈ তারা

মিয়া জানান, পানি বেড়ে যাওয়ার কারণে চরাঞ্চলের যেসব জমিতে ক…ষক আবাদ করতেন

তা এখন পানির নিচে। বিশেষ করে চরের চিনা কাউন নিয়ে দেখা দিয়েছে। পানির

কারণে কৃষক তাদের আবাদ ঘরে তুলতে পারবে না। দিয়ারারচরের কৃষক বাহার আলী বলেন,

‘মনে করছিলাম কাউনের আবাদ তুইলা এবার ঈদের খরচ করতে পারমু। কিন্তু পানিতে সব

তলায়া গেল। কাঁচা কাউন কাইটাও তো কোন লাভ নেই।’

উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আকতারুজ্জামান জানান, এ বছর চরে খুবই ভাল চিনা কাউন

ও তিলের চাষ হয়েছে। কিন্তু নদের পানি বৃদ্ধির ফলে তা ডুবে যাচ্ছে বলে জানতে পেরেছি।

পানি দধুত না নামলে চিনা কাউনের ফলন নিয়ে তো রয়েছেই। তবে তিনি আরো

জানান- এ বছর চৈত্র মাসে বৃষ্টি না হওয়ার কারণে জমিতে রস না থাকার জন ̈ বপনক…ত

চিনা কাউনের বীজ গজাতে দেরী হয়েছে। ফলে অনেক দেরী কাউন চিনা ও তিল পাকা শুরু

হয়েছে।

রাজিবপুর সদর ইউপি চেয়ারম্যন নুর ই শাহী ফুল জানান-যেখানে পানির জন ̈ নৌকা

চলাচল করতে পারে না। এখন যে পানি হয়েছে তাতে মনে হয় এই নদী আর আগের নদী

রাতদিন তফাত।