| |

Ad

সর্বশেষঃ

পুলিশের ছবি জুলিয়ে অবাধে চালিয়ে যাচ্ছেন ফার্মেসীর ব্যাবসা

আপডেটঃ ১১:০৯ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ০৭, ২০১৮

এইচ এম আমিনুল ইসলাম আমানঃ রাজধানীর দক্ষিনখান উত্তরখান থানা এলাকাতে ব্যাঙ্গের ছাতার মত ঘড়ে উঠেছে ফার্মেসী,অল্প পুজিতে বেশি লাভ জনক ব্যাবসা হওয়াতে নামে বেনামে ফার্মাসিস্ট না হয়েও ঔষধ বিক্রির কাজে নিজেকে নিউজিত রেখে ভেজাল ও সরাকার নির্ষিদ্ধ ঔষুধ সহ যৌন উত্তেজন মূলক ঔষুধ বিক্রির আশ্রয়স্থল হিসাবে ফার্মেসীর ব্যাবসাকে বেঁচে নিয়েছেন অনেক অশিক্ষীত ধান্ধাবাজ ও একটি কুচক্রী মহল। চ্যানেল সেভেন বিডি ডট কম -পত্রিকার বিশেষ এক অনুসন্ধানী টিম অনুসন্ধান কালে জানতে পারেন দক্ষিণখান মোল্লাবাড়ী শেরপুর ফার্মেসীতে একজন ভুয়া ডাক্তার ও একজন ভুয়া ফার্মাসীস্ট এলাকার মানুষকে প্রতারিত করে যাচ্ছেন।

এ খবর পেয়ে উক্ত অনুসন্ধানী টিম সেখানে গিয়ে দেখতে পান ফার্মেসীতে ফার্মাসিস্টের সনদ ও ড্রাগ লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স না নিয়ে একজন পুলিশের উদ্ধতন কর্মকর্তার ছবি ঝুলিয়ে আলামিন নামক প্রতারক এলাকার জনগণদের বিভিন্ন ভুল ও মিথ্যা ঔষধ দিয়ে প্রতারণা করে যাচ্ছিলেন। ফার্মেসীর মালিক আলামিন হাসানকে জুলন্ত এই উদ্ধতন কর্মকর্তার পরিচয় সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিবেদক দের তিনি বলেন অফিসার আমার মামা, তাঁর ছবি ঝুলানো থাকলে আমার সরকারী কোন কাগজপত্র, টিন, ড্রাগ লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স কোন কিছুর প্রয়োজন পড়ে না।

মামা ভাগিনা যেখানে কোন আপদ নেই সেখানে। অবশেষে মামার সাথে ফোন আলাপ কালে মামার প্রশ্নের জবাবে ফার্মেসীর মালিক আলামিন হাসান বলেন আমাদের ফ্যামেলীর পিকনিকের সময় তুলা ছুবি থেকে মামা আপনার ছবিটা নিয়ে ছবি বড় করে ল্যামনেটিং করে আমার দোকানে ঝুলিয়ে রেখেছি যাতে করে এলাকার কেউ আমার দিকে আঙ্গুল তুলে না থাকায়। তার ফার্মেসীতে অনেক বিদেশী ঔষধ পাওয়া যায় যে যাকে ডাক্তার পরিচয় দেন তিনি এর্লাজির ঔষধের পরিবর্তে ডাইক্লোফেনাক ঔষধ দেন এ নিয়ে প্রশ্ন এলাকার জনমনে এ কেমন ডাক্তার। বাংলাদেশ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী তার ফার্মেসীতে কোন রেজিঃ ফার্মাসিস্ট নেই।

এ বিষয়ে ঐ উদ্ধতন কর্মকতার সাথে মোবাইলে আলাপ কালে তিনি বলেন আমি একজন পুলিশের উদ্ধতন কর্তকর্তা আমার ছবি ফেইসবুকে অনেক আছে কে কখন কিভাবে আমার ছবি সংগ্রহ করে কোথায় ঝুলায়ে রাখে তা আমি জানি না। আমার ছবি ঝুলন্ত অবস্থায় থাকলে সে অপরাধী। উপস্থিত এলাকাবাসীর সামনে ভুয়া ডাক্তার ও ভুয়া ফার্মাসিস্ট পরিচয় দানকারী ফার্মেসীর মালিক আলামীন সাংবাদিকদের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করতে চাইলে সাংবাদিকদ্বয় টাকা না নিলে আলামীন হাসান অনেক কান্নায় জড়িয়ে পড়ে এবং এলাকাবাসী তখন সে এই রকম আর অপরাধ জনক ব্যাবসা করিবেনা বলে সাংবাদিকদের কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে আলামীন কে ব্যাবসা বন্ধ রাখার জন্য বলেন।

ঘটনার দিন ০৫/১১/২০১৮ ইং সন্ধ্যা বেলায় দৈনিক আলোর জগত পত্রিকার অপর আরেক সাংবাদিককে তার টেলিফোনে ফার্মেসীর মালিক আলামীন বলেন ভাই আপনার নিউজ কইরেন না অপরাধী আমি আমার মামা নন, ভাই যাতে করে মামার কোন ক্ষতি না হয়। প্রতিবেদকের প্রশ্নের জবাবে সে বলেন আপনারা টাকা না নেওয়ায় আমি মামাকে জানালে মামা সাথে সাথে আমাদের দক্ষিণখান থানার ওসিকে বিষয়টি জানান এবং এও বলেন পরবর্তীতে কোন সাংবাদিক আসলে সাথে সাথে যেন থানায় জানাই তাহলে তাদের পালিশম্যান দেওয়া হবে। এ সময় উপস্থিত এলাকাবাসী বলেন আজ আমরা অনেক সচেতন হয়েছি যদি সাংবাদিকরা না আসতো তাহলে আমাদের যে কি উপায় হতো হয়তবা আমাদের মাঝেকেউ তার এই ভুল ঔষধ খেয়ে মারাও যেতে পারতেন তাহলে তার দায়ীত্ব কে নিতেন।

এলাকাবাসী সবাই সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে এই রকম সকল অপিরাধীদের এই ভাবে সমাজের মানুষের কাছে মুখুশ খুলে দিয়ে আইনের আওতায় আনতে পুরো দেশ বাসিকে আহবান জানান। শুধু শেরপুর ফার্মেসী নয় ফায়দাবাদ পুলিশফাঁড়ি রোডের বিসমিল্লাহ্ ফার্মেসী বাংলাদেশ ফার্মেসী কাউসিল, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, সরকারী নিয়ম নীতিমালা না মেনে ফার্মেসীতে সরকারী ঔষধ বিক্রি, মেয়াদ উত্তিন ঔষধ বিক্রি, ঔষধের সাথে এলকোহল জাতিয় ফারপিয়ম, হরেক রকম কসমেটিক্স আইটেম বিক্রি করেন, যাহা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের বিধি লংগন।

দক্ষিণখানের গোয়ালটেক এর উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল হল, আশকোনার রাজধানী ফার্মেসী, আইনুসবাগের নীশী ফার্মেসীতেও সরকারী নিষিদ্ধ ঔষধ, সরকারী ঔষধ, ব্যবস্থাপত্র বিহীন এন্টিবায়টিক ঔষধ বিক্রি ফার্মাসিস্ট ব্যাথিত ফার্মেসীর ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন অবাধে। এ ব্যাপারে দক্ষিণখান, উত্তরখান ঔষধ ব্যবসায়ী সমিতি সভাপতি মাহাবুবুর রহমান বাচ্চু এর সাথে আলাপ কালে তিনি সাংবাদিকদের বলেন সরকারী নিয়ম নীতিমালা না মেনে ড্রাগ লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স ব্যাথিত ফার্মেসীতে কসমেটিক্স আইটেম, অন্যকোন ফুড সাব্লিমেন্টারী বিক্রি করা আইনত দন্ডনিয় অপরাধ। এ ব্যাপারে আমরাও বাংলাদেশ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরকে ও ফার্মেসী কাউন্সিলকে অবহিত করব তারা জেন এই সমস্ত অসাধু ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় নিয়ে ফার্মেসী নামক ব্যাধীথেকে সমাজকে মুক্ত করেন এবং সামাজের মানুষদেরকে সুস্থ থাকার জন্য ভালো ও ভেজাল ঔষধ থেকে বিরত রাখতে পারেন। যারা সরকারের নিয়ম নীতিমালা মেনে ফার্মেসীর ব্যবসা করে যাচ্ছেন তাদেরও সহায়ক হবে।