বৃহস্পতিবার ১৬ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং ২রা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

হালুয়াঘাটে ৪৪ কেজিতে ধানের মন! কৃষকদের চরম ভোগান্তি

আপডেটঃ ১০:২৮ অপরাহ্ণ | জানুয়ারি ০৮, ২০১৯

ওমর ফারুক সুমন, হালুয়াঘাট- (ময়মনসিংহ) থেকেঃকৃষকরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উৎপাদন করেন আমাদের প্রধান খাদ্য শস্য ধান। অনেক সময় উৎপাদন খরচের চেয়ে বিক্রয়মূল্য কম হওয়ায় লোকসান গুনতে হয় কৃষকদের। এরপরেও এক শ্রেণীর অসাধু ধান ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারনে লোকসান পোহাতে হয় আরও বেশী। ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার ধারা বাজারের ধানমহলে দীর্ঘদিন যাবৎ প্রকাশ্যে চলছে এ অনিয়ম। কৃষকদের অভিযোগ, এক শ্রেণীর অসাধু সিন্ডিকেট ধান মাহাজনের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে সাধারন কৃষকরা। একদিকে ন্যায্য দাম বি ত আর অপরদিকে ধান মাহাজনের মাধ্যমে প্রতারিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত।ওজনে রয়েছে নানা অনিয়ম। যেখানে ৪০ কেজিতে ধানের মন হওয়ার কথা সেখানে নিচ্ছে প্রতি মনে ৪৪ কেজিরও বেশী। কৃষকরা বলেন, এ অনিয়মটা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। তাই এখানে অনিয়মই নিয়মে পরিনত হয়েছে। সরেজমিনে গত শুক্রবার ধান মহলে গেলে এক মনের একটি বস্তা ওজন করতে বললে সেখানে ধান পাওয়া যায় ৪৪ কেজিরও বেশী। পরে মাহাজনকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, কৃষকরা মাপে বেশী আনলে আমাদের কী করার আছে? কৃষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে ধান মাহাজনরা বলেন, ধান ভিজা থাকার কারনে প্রতি মনে ১/২ কেজি বেশী নিয়ে থাকে। এ সকল অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে ধান্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি চুন্নু মিয়া বলেন, ধান ভিজা থাকার কারনে আমরা কিছু বেশী নিয়ে থাকি। তবে শুকনা ধান হলে বেশী নেওয়া হয়না। বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি অধ্যাপক এমদাদ হোসেন বলেন, আমরা অনেকবার এই সমস্যা নিয়ে চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছি। কৃষকদের কাছ থেকে ধান মাপে বেশী নেওয়া হচ্ছে বলে তিনিও স্বীকার করেন। এইদিকে ধানের সঠিক মাপ দেওয়ার জন্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আশ্বস্থ করেছেন হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির হোসেন। তিনি বলেন, কোনভাবেই ৪০ কেজির মনে ৪৩ বা ৪৪ কেজি নিতে পারেনা। আমরা দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।