| |

Ad

উত্তম কুমারকে পাইনি বলে বিয়ে করিনি তা নয় : সাবিত্রী

আপডেটঃ ১:৫২ অপরাহ্ণ | জানুয়ারি ২৮, ২০১৯

বিনোদন ডেস্ক :ভারতীয় বাংলা সিনেমার জীবন্ত কিংবদন্তি অভিনেত্রী সাবিত্রী চ্যাটার্জি। ১৯৫১ সালে উত্তম কুমার অভিনীত ‘সহযাত্রী’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখেন তিনি। তবে ১৯৫২ সালে ‘পাশের বাড়ি’ সিনেমায় কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে প্রথম অভিনয় করেন। মুক্তির পর সিনেমাটি ব্যবসায়ীকভাবে সফল হয়।

১৯৫৪ সালে আশাপূর্ণা দেবীর গল্প অবলম্বনে ‘অগ্নিপরীক্ষা’ সিনেমায় জুটি বাঁধেন উত্তম-সুচিত্রা। পর্দায় এ জুটির রোমান্স দারুণ জনপ্রিয়তা পায়। সিনেমাটি দারুণভাবে ব্যবসাসফল হওয়ায় ইন্ডাস্ট্রিতে নায়ক উত্তম কুমারের আসন স্থায়ী হয়ে যায়। সুচিত্রা সেন ছাড়াও সাবিত্রী চ্যাটার্জি, সুপ্রিয়া চৌধুরী, শর্মিলা ঠাকুর, মাধবী মুখোপাধ্যায়সহ বিভিন্ন জনপ্রিয় নায়িকার বিপরীতে অসংখ্য ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন উত্তম কুমার। এর মধ্যে উত্তম-সাবিত্রী জুটি অন্যতম।

১৯৫১ সালে সাবিত্রীর সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে উঠে উত্তম কুমারের। বড় পর্দার রোমান্সের বাইরেও ব্যক্তিগত জীবনে প্রেমের সম্পর্ক ছিলেন তারা। এ নিয়ে তখন অনেক জলঘোলা হয়েছে। উত্তম ব্যক্তিগত জীবনে সংসারী হলেও ৮১ বছর বয়সি সাবিত্রী এখনো একা। উত্তম-সুচিত্রার প্রেম, উত্তম-সাবিত্রীর প্রেম নিয়ে ভারতীয় একটি টেলিভিশনে কথা বলেছেন বর্ষীয়ান এই অভিনেত্রী।

উত্তম-সুচিত্রার মধ্যে কী প্রেমের সম্পর্ক ছিল? এমন প্রশ্নের জবাবে সাবিত্রী চ্যাটার্জি বলেন, ‘আমি তো তা জানি না, আমার মনে হয় না। কারণ আমি তো ওদের কাছ থেকেই দেখেছি।’ এরপরই প্রশ্ন করা হয় উত্তম-সাবিত্রীর মধ্যে কী প্রেমের সম্পর্ক ছিল? উত্তরে সাবিত্রী চ্যাটার্জি বলেন, ‘তা ছিল খানিকটা। তবে রটনাটা বেশি, আসলটা কম ছিল। তখন শোনা গিয়েছিল যে, আমায় বিয়ে করে বালিগঞ্জে বাড়ি ভাড়া করে আছে উত্তম-যা নিয়ে ঝড় বয়ে গেল, সেসব কিন্তু কিচ্ছু না। তারপর আমার জীবনে আরো ট্র্যাজেডি নেমে আসে।’

সাবিত্রী চ্যাটার্জি আরো বলেন, ‘দেখুন আমি কখনো চাইনি সে তার সংসার ছেড়ে চলে আসুক। আমার কপালে যদি এখন বিবাহিত পুরুষই জোটে, তাহলে আমি কী করব? ভালোবাসব না? কিন্তু আমি কারো ঘর ভাঙব না। যার জন্য আমার নিজের ঘর হয়নি। তবে উত্তম কুমারকে পাইনি বলে বিয়ে করিনি, তা নয়। আমার অনেক বন্ধু ছিল যাদের সবাই বিবাহিত, আর আমি কারো ঘর ভাঙতে চাইনি। আমার কত ভালো সম্বন্ধ এসেছে, উত্তম কুমার গিয়ে ভেঙে দিয়েছে। উত্তম আমার প্রতি পজেসিভ ছিল। তবে অনেকে বলেন আমি মিথ্যা বলছি, তাই এটা নিয়ে আমি কোনো দিন কিছু বলিনি।’

‘সংসার করিনি তার জন্য কোনো আফসোস নেই। কারণ আমার দিদির ছেলেপুলেদের মানুষ করেছি। এখনো হয়ত তাদের ডাকলেই তারা আসবে, তবে সবারই তো সংসার আছে। এত বড় বাড়িতে তো কথা বলারও সঙ্গী চাই। তাই একা লাগে।’ বলেন সাবিত্রী চ্যাটার্জি।