রবিবার ১৬ই মে, ২০২১ ইং ২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

Ad

কক্সবাজারের কলাতলীতে মেম্বার বেপরোয়া

আপডেটঃ ২:৪৩ পূর্বাহ্ণ | জুলাই ১৬, ২০১৪

কক্সবাজার প্রতিনিধি
কক্সবাজারের হোটেল মোটেল জোনের কলাতলীর হাসান আলী ফকির মেম্বারের বিরুদ্ধে হরেক রকম অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুমিদস্যুতা থেকে শুরু করে সরকারী প্রকল্প টি.আর, কাবিখা, কাবিটা, ভিজিএফ চাল সড়ক মেরামতের নামে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অর্থ বরাদ্দ নিয়ে সরকারি টাকা লোপাটের অভিযোগও রয়েছে। এলাকার বিচার শালিশের নামে চালিয়ে আসছে মোটা অংকের ঘুষ বাণিজ্য। এ ছাড়া এলাকায় মানব পাচারকারী ও সন্ত্রাসি লালন করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে উক্ত মুখোশধারী মেম্বারের বিরুদ্ধে। তার ছত্র ছায়ায় হরেক রকমের অপরাধীদের বসবাস শহরতলীর কলাতলীর চন্দ্রিমা ও ঝরঝরি কুয়া এলাকার পাহাড়ে। এ দিকে প্রশাসনকে ভুল বুঝিয়ে নিজেকে সমাজ সেবক পরিচয় দিয়ে সহজে এসব অপকর্ম থেকে পার পেয়ে যাচ্ছে মুখোশধারী এই মেম্বার। বিভিন্ন অপরাধ করে পার পাওয়ায় নির্ভয়ে দিনের পর দিন বিভিন্ন অপরাধের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয় তার সাঙ্গ পঙ্গরা। গোপন সুত্রে জানাযায়, সমাজ সেবকের লেবাস ধরে এই মুখোশধারি ভুমিদস্যু রাতের অন্ধকারে অস্ত্র মহড়া দিয়ে সন্ত্রাসি পাহারায় নির্বিচারে পাহাড় নিধন করে আসছে। এমন কি এই ভুমিদস্যু মুখোশধারি হাসান ফকিরের হাত থেকে রক্ষা পায়নি কবরস্থান, বাস্তুহারা অসহায় মানুষের ভিটা বাড়ি ও সরকারি বন ভুমি। এসব অপকর্ম, ভুমিদস্যুতা ও সরকারি পাহাড় কেটে পরিবেশ বিনষ্টের দায়ে তাদের বিরুদ্ধে কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক সরদার শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে পরিবেশ আইনে একাধিক মামলা দায়ের করেছেন।
এ ব্যাপারে মেম্বার হাসান আলী ফকিরের সাথে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি সাংবাদিক পরিচয় পাওয়া পর এসব বিষয়ে কথা বলতে রাজি নন এবং কাজের ব্যস্থতা দেখিয়ে মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
এ ব্যাপারে এলাকার সাধারণ মানুষ জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট প্রমাসনের প্রতি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।