শুক্রবার ১৯শে এপ্রিল, ২০১৯ ইং ৬ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

উত্তরার দক্ষিনখানে দেবরের হাতে ভাবি খুন

আপডেটঃ ৮:৫৭ পূর্বাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক -:উত্তরার দক্ষিনখানে সোমবার সন্ধ্যায় পারিবারিক কলহের জের ধরে দেবরের ছুঁরিকাঘাতে ভাবী শারমিন বেগম (২৬) নিহত ও মা গুরুতর আহত হয়েছে। ঘটনার পর ঘাতক দেবর শফিকুল ইসলাম (৩৫) পালিয়ে গেছে। টঙ্গী থানা পুলিশ টঙ্গী সরকারী হাসপাতাল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে।
নিহতের স্বামী রফিকুল ইসলাম বিপ্লব জানান, দক্ষিন খান টি আই সি মোড় এলাকার ৯৭ নং বাড়িতে তার ছোট ভাই শফিকুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী শিল্পী আক্তার ১ ছেলে সন্তান রেখে তার স্বামীর অত্যাচারে চলে যায়। গত কয়েক মাস আগে শফিক মঞ্জিলা আক্তার নামে এক মহিলাকে ৫ বছর বয়সের ১ সন্তানসহ বিয়ে করে নিয়ে আসে। বিষয়টি তাদের বৃদ্ধ মা হামিদা বেগম (৫৫) মেনে নিতে পারেনি। এনিয়ে মায়ের সাথে শফিকুলের প্রায়ই ঝগড়া হতো। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় এনিয়ে মা হামিদা বেগমের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে শফিকুল মাকে ধাঁরালো ছুঁরি দিয়ে আঘাত করে। এসময় আমার স্ত্রী শারমিন তাদের থামাতে এগিয়ে গেলে শফিকুল তাকেও ছুঁরি দিয়ে বুকের ডান পাশে আঘাত করে। তখন বাড়িতে আমি বা আমার ছেলে এমনকি ছোট ভাই রাকিবও ছিলো না। বিষয়টি টের পেয়ে বাড়ির ভাড়াটিয়া ও পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজন আহত মা হামিদা বেগমকে উদ্ধার করে উত্তরার বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং আমার স্ত্রীকে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাষ্টার জেনারেল হাসপাতলে নিয়ে আসে। মা কিছুটা সুস্থ থাকলেও ২ সন্তানের জননী শারমিনকে হাসপাতলে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
রফিকুল ইসলাম বিপ্লব আরো জানান, তার প্রথম স্ত্রী ২ সন্তান রেখে মারা যাওয়ার পর তিনি গত ৭ বছর পূর্বে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহাজাদপুর থানাধীন জামিরতা বাজার গ্রামের ইউনুছ মিয়ার মেয়ে শারমিনকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তাদের সংসারে বিথী (৫) ও মারিয়া (৩) নামে দুটি সন্তান রয়েছে। ঘটনার পর শফিকুল ইসলাম পালিয়ে গেছে।