| |

Ad

সর্বশেষঃ

ড্যাফোডিল ইউনির্ভাসিটির ৮ম সমাবর্তন অনুষ্টানে দেশে দক্ষ জনশক্তি তৈরী করতে উচচ শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচেছন ——————শিক্ষামন্ত্রী

আপডেটঃ ৫:৩০ অপরাহ্ণ | মার্চ ১৪, ২০১৯

এস, এম, মনির হোসেন জীবন : শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মণি বলেন, দেশে দক্ষ জনশক্তি তৈরী করতে এবং উচচ শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষে বর্তমান সরকার নিরলস ভাবে কাজ করে যাচেছন। দক্ষ জনশক্তি তৈরী করতে সবাইকে মিলেমিলে একযুগে কাজ করতে হবে। তাই দেশ উন্নয়নের উচচ শিক্ষার কোন বিকল্প নেই।তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে এসে দাঁড়িয়েছে। দেশ দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচেছ। আরো এগিয়ে যাবে। ইতি মধ্যে দেশ ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপ নিয়েছে।  বুধবার দুপুরে রাজধানীর সন্নিকটে ঢাকা জেলার সাভারের আশুলিয়া দত্তপাড়া এলাকায় অবস্থিত ড্যাফোডিল ইউনির্ভাসিটি স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্বাধীনতা কেন্দ্রে আয়োজিত ড্যাফোডিল ইউনির্ভাসিটির ৮ম সমাবর্তন অনুষ্টানে সভাপতির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মণি (এমপি) এসব কথা বলেন।ড্যাফোডিল ইউনির্ভাসিটি ৮ম সমাবর্তন অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল মান্নান। অনুষ্টানের সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন থাইল্যান্ডের সিয়াম ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট ড. পর্নচাই মঙ্গখোনভানিত, বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (প্রো-ভাইসচ্যাঞ্জেলর) অধ্যাপক ড. এস,এম, মাহবুব উল হক মজুমদার, বিশ^বিদ্যালয় ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো: সবুর খান , কোষাধ্যক্ষ মো: হামিদুল হক খান,রেজিষ্টার অধ্যাপক প্রকৌশলী ড. একেএম ফজলুল হক, বিদেশী শিক্ষার্থী ওমর আহমেদ হাসান ও সাইফুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

এছাড়া অনুষ্টানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডীনবৃন্দ, বিভাগীয় প্রধান,শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ, বোর্ড অব ট্রাষ্টি এর সদস্যবৃন্দ, অভিভাবকবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।সভাপতিরে বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মণি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে উচচ শিক্ষার সব গুলো খাতকে গুরু দিয়ে নতুন করে ঢেলে সাজানোর জন্য বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহন করেছেন।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আজ মধ্য আয়ের দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে দেশ একটি উন্নত দেশে পরিণত হবে।

বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় গুলোকে দেশের উচচ শিক্ষার ক্ষেত্রে একটি সম্ভাবনার খাত উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের বিরাট সম্ভাবনার খাত। বর্তমানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির সংখ্যা অনেক বেশি। শিক্ষার্থীর সংখ্যা ও বেশি। নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদেরকে আধূনিক বাংলাদেশের নির্মাতা হিসেবে আগামী দিনে প্রস্তুত করে গড়ে তুলার আহবান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে একটি উন্নত, সমৃদ্বশালী ও উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ইতি মধ্যে রূপ লাভ করেছে। নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদেরকে আগামীতে ডিজিটাল বাংলাদেশের নির্মাতা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার শিক্ষাখাতে পরিবর্তনের লক্ষ্যে যুগান্তকারি সিদ্বান্ত নিয়েছেন। যার ফলে শিক্ষাক্ষেত্রে অভূতপূর্ব পরিবর্তন এসেছে। আগামী দিনে শিক্ষার্থীদের কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করছে দেশের উন্নতি ও সমৃদ্বি।
শিক্ষাখাতে বর্তমান সরকারের ব্যাপক সাফল্যের কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শিক্ষাখাতে দরিদ্র দূরীকরনে ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার নিরলস ভাবে কাজ করে যাচেছন। দারিদ্র দূরীকরনের ক্ষেত্রে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই।
তিনি আরো বলেন,নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের শিক্ষা, ঞ্জান, প্রযুক্তি ও দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে । শিক্ষা ব্যবহার আমূলে নিয়ে আমাদেরকে এর পরিবর্তন ঘটাতে হবে। গুনগন মানের শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যে বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল মান্নান বলেন, বর্তমানে দেশে ১০৩টি বেসরকারী বিশ^বিদ্যালয় রয়েছে। দেশে বর্তমানে ৭২ ভাগ মানুষ অক্ষর ঞ্জ্যানে সম্পন্ন। উচচশিক্ষা দেশ উন্নয়নের একমাত্র হাতিয়ার উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হল ঞ্জানের ভান্ডার। তাই উচচ শিক্ষা দেশ ও সুষ্ঠ সমাজ গড়ার অন্তরায়। তাই শিক্ষার কোন বিকল্প নেই।তিনি আরও বলেন, আগামীতে বিশে^র ২৪তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ। তবে, দেশে ভাল উদ্যোক্তার প্রয়োজন রয়েছে। আগামী দিনে শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে তরুন প্রজন্মের মেধাবী শিক্ষার্থীদেরকে একজন ভাল মনের উদ্যোক্তা হতে হবে।

ড্যাফোডিল ইউনির্ভাসিটি ৮ম সমাবর্তন অনুষ্টানের দ্বিতীয় পর্বে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা.দীপু মণি (এমপি) ও বিশেষ অতিথি বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল মান্নানকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন অনুষদের প্রায় ৫৬৩১ জন নবীন গ্র্যাজুয়েট (স্বাতক ও স্বাতকোত্তর) ছাত্র-ছাত্রীকে ডিগ্রী প্রদান করা হয়। তার মধ্যে ১৫৬ জন বিদেশী শিক্ষার্থী রয়েছে। বিভিন্ন বিষয়ে পারদর্শিতা ও সর্বোচচ ফলাফল অর্জনকারী ১৭জন মেধাবী গ্র্যাজুয়েটকে চেয়ারম্যান, চ্যান্সেলর ও ভাইস চ্যাঞ্জেলর স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। তার মধ্যে ১১জন সেরা গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীকে সনদপত্র প্রদান করা হয়।

অনুষ্টানের দ্বিতীয় পর্বে এক মনোঞ্জ সাংস্কৃতিক অনুষ্টানের আয়োজন করা হয়।
উল্লেখ্য যে, ২০০২ সালে ড্যাফোডিল ইউনির্ভাসিটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে ডিআইইউ ১৭টি বিভাগে ২৮ হাজার শিক্ষার্থীকে গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি প্রদান ।