রবিবার ২১শে জুলাই, ২০১৯ ইং ৬ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

মনিটরিং জোরদার- হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে উপস্থিতির হার

আপডেটঃ ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ | মার্চ ২০, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বাস্থ্য ও পরিবার মন্ত্রণালয়ের জোরদার মনিটরিংয়ের কারণে হাসপাতালগুলোতে উপস্থিতির হার ৭০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের যৌথ মনিটরিং কঠোরভাবে অব্যাহত রেখে এই হার শতভাগে উন্নীত করা হবে।মঙ্গলবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত চিকিৎসা শিক্ষার আসন মূল্যায়ন, উচ্চ শিক্ষার কোর্সসমূহের সমন্বয়করণ এবং প্রেষণ নীতিমালা-২০১৩ যুগোপযোগীকরণ সংক্রান্ত এক সভায় সভাপতিত্বকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, হাসপাতালের যন্ত্রপাতির সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণের জন্য মনিটরিং জোরদার করা হচ্ছে। হাসপাতালে সেবার মান বাড়ানোর জন্য সিভিল সার্জন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ সকল প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আরো দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য তাদের জবাবদিহিতা বাড়ানোরও উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে নিয়মিতভাবে মাঠ পর্যায়ে সরেজমিন পরিদর্শন অব্যাহত রেখে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সেবার মান বাড়ানোর দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে।

সভায় আসন সংখ্যা মূল্যায়ন ও কোর্সসমূহের সমন্বয়করণের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে প্রধান করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। কমিটিতে বিএমএ সভাপতি, স্বাচিপ সভাপতি, বিএমডিসি সভাপতি এবং মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সদস্য হিসাবে থাকবেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসকদের যেমন উচ্চ শিক্ষার অধিকার আছে, তেমনি সাধারণ মানুষেরও চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। তাই উচ্চ শিক্ষার সুযোগ দিতে যেয়ে উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসক সংকট হলে হাসপাতালের ভোগান্তি হবে। হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসক না পেলে, চিকিৎসা না হলে মানুষ তার অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। এই বিষয়টিও সংবেদনশীলতার সাথে বিবেচনা করতে হবে। এক্ষেত্রে উচ্চ শিক্ষার আসন পুনর্বিন্যাস করে প্রেষণ নীতিমালার কঠোর প্রয়োগের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

সভায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের সচিব জি এম সালেহ উদ্দিন, বিএসএমএমইউয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. ইসমাইল খান, সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোর্শেদ আহমদ চৌধুরী, বিএমডিসির সভাপতি অধ্যাপক ডা. সহিদুল্লাহ, স্বাচিপ সভাপতি অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সলান, বিএমএ মহাসচিব অধ্যাপক ডা. ইহতেশামুল হক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।