শুক্রবার ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

রাজিবপুরের ৫০টি চরাঞ্চলবাসীর দুর্ভোগ চরমে

আপডেটঃ ২:২৯ অপরাহ্ণ | জুলাই ১৮, ২০১৪

আলতাফ হোসেন সরকার, রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম থেকে : তাং ১৬-৭-১৪
কুড়িগ্রাম  জেলার রাজিবপুর-চিলমারী মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে ব্রহ্মপুত্র ও সোনাভরি নদী। এসব নদী যুগ যুগ ধরে পাড় ভেঙে প্রতি বছর বহু লোককে ছিন্নমূল করে দিচ্ছে। এসব ছিন্নমূল অসহায় পরিবারগুলো আশ্রয় নিচ্ছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, কোনো সড়কের পাশে অথবা আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে। রাজিবপুর উপজেলা ও চিলমারী উপজেলার মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র ও সোনাভরি নদী বহমান। এ  উপজেলার পশ্চিম পাড়ে রয়েছে ছোটবড় ১৫টি চর। এসব চরের কয়েকটিতে আবার দীর্ঘ ৬০/৭০ বছর যাবৎ মানুষ বসবাস করে আসছে। এক হিসাবে দেখা গেছে এসব চরে লক্ষাধিক লোক বসবাস করছে। চরের এ লোকজন পেশায় কৃষি ও মৎস্য শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করছে। চরাঞ্চলবাসী বড়বেড় চরের সামছুল হক (৮০) অভিযোগ করে বলেন, আমাদের উপযুক্ত শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগের ইত্যাদির কোনো ব্যবস্থা নেই। এমনকি সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারও বছরে ২/১ বার তাদের খোঁজ খবর নিতে চরে যান না। প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিশেষ করে বড় সাংকেতিক চিহ্নের সময় যখন ঘূর্ণিঝড় ওঠে, তখন তাদের আশ্রয় নেয়ার মতো তেমন কোনো ব্যবস্থাও নেই এখানে।  চরাঞ্চলের লোকজনের জন্য উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের মতামত অনুযায়ী মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের বড়বেড়, নাওশালা, কির্তনটারী, তারাবর, ভেলামারী, ধলাগাছা, গাইবান্ধা জেলার লালছেমারচর, মোল্লারচর, কাচিরচর, সাপেরচরসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে হাজার হাজার লোকজন বসবাস করলেও দুর্যোগ থেকে বাচার জন্য কোন আশ্রয় কেন্দ্র নেই। এতে চরাঞ্চলের সকল নারী, পুরুষ ও শিশুদের বিপদে একমাত্র আল্লা ছাড়া আর কোন ভরসা নেই তাদের। ফলে তারা প্রকৃতির সঙ্গে জীবন বাজি রেখেই বেঁচে আছে।

আলতাফ হোসেন সরকার