রবিবার ২৬শে মে, ২০১৯ ইং ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

ড. ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগের মিলাদ মাহফিল

আপডেটঃ ১:০৭ পূর্বাহ্ণ | মে ১১, ২০১৯

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি-:বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার দশম মৃত্যুবার্ষিকীতে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে তিতুমীর কলেজে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের অধিকারী এই বিজ্ঞানী ২০০৯ সালের ৯ মে ইন্তেকাল করেন।শুক্রবার (১০ মে) কলেজের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জুমার নামাজের পর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশে কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে এ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।সরকারি তিতুমীর কলেজের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আব্দুল আলিমের পরিচালায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সরকারি তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ রিপন মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক জুয়েল মোড়ল।  

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ মানিক হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন মিরাজ, সাংগঠনিক সম্পাদক সবুজ আহমেদ, ওমর ফারুক সৈকতসহ কলেজ ছাত্রলীগের সর্বস্তারের নেতাকর্মীরা।

উল্লেখ্য, ড. এমএ ওয়াজেদ মিয়া ১৯৪২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার লালদীঘির ফতেহপুর গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা আবদুল কাদের মিয়া ও মা ময়েজুন্নেসার চার ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে ওয়াজেদ মিয়া ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ। তিনি ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন এবং ১৯৬২ সালে স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি ফজলুল হক হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন এবং ছাত্রলীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ১৯৬১-৬২ শিক্ষা বছরের জন্য হল ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৬২ সালে শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনে গ্রেফতার হন।ড. ওয়াজেদ মিয়া অনেক জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানবিষয়ক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

তারা গবেষণামূলক ও বিজ্ঞানবিষয়ক অনেক প্রবন্ধ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পত্রপত্রিকায় এবং সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। ড. ওয়াজেদ মিয়া বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ১৯৬৭ সালের ১৭ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের এক ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং এক মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। মৃত্যুর পর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী পীরগঞ্জ উপজেলার ফতেহপুর গ্রামে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।