বৃহস্পতিবার ২৩শে মে, ২০১৯ ইং ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

চাঁদপুর মাদক সম্রাট কাজী দুলালের নঁতুন জীবন যাত্রা শুরু

আপডেটঃ ৩:৪৯ অপরাহ্ণ | মে ১৭, ২০১৯

বিশেষ সংবাদদাতা-চাঁদপুর থেকেঃ কোন এক সময়ের চাঁদপুরের মাদক সম্রাট ফেন্সিডিল সেবন ও ব্যবসায়ী কাজী দুলাল (৫০) মাদকের কুফল বুঝতে পেরে অবশেষে স্বপরিবার নিয়ে চাঁদপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আত্মসমর্পণ করেন।রোববার দুপুরে। দুলাল চাঁদপুরের পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এসে আত্মসমর্পন করলে তার নঁতুন জীবনের। শুভ যাত্রাকে ফুল দিয়ে বরণ করে স্বাগত জানান পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির বিপিএম -পিপিএম। এসপির এই মহানুভূতি বুঝিয়ে দিলেন মানুষ মানুষের জন্য আর প্রতিটি মানুষ কে অপরাধ জগৎ থেকে ফিরিয়ে আনতে তাদের পাশে দারিয়ে আলোর ঠিকানায় নিয়ে আসতে। আমরাই পারবো সমাজ টাকে সুন্দর। করে সাজিয়ে তুলতে, ইচ্ছা করলে নিজেকে বদলাতে পারবো, আসুন আমরা মাদক মুক্ত সমাজ গরে তুলতে মাদক ব্যবসা ছেরে নঁতুন জীবনের পথে চলি,কারন আপনার আর্ত্বসমর্থন প্রতিটি মাদক ব্যবসায়িদের জন্য পুলিশ সহযোগীতা করবে। এটাই হবে আমাদের অঙ্গিকার মাদক ব্যবসা ছেরে সাধারন মানুষের মত জীবন যাপন করবো,দুলাল কাজির আর্ত্বসমর্থন কালে এসপি উপরন্ত কথা গুলি বলেন এসময় সহ পরিবার নিয়ে তার ভাই শহর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মিঠু কাজী, বোন ও ছেলে ছাত্রলীগ নেতা রাজু কাজী এবং তার মেয়েরা উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির আরো বলেন জেলার হাজীগঞ্জ পৌরসভার টোরাগড় এলাকার কাজী দুলাল ১৯৯৬ সাল থেকে হাজীগঞ্জসহ চাঁদপুরে ফেন্সিডিল ও ইয়াবা বেচাকেনার কারবার চালিয়ে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে হাজীগঞ্জ থানাসহ চাঁদপুরের বিভিন্ন থানায় প্রায় ১৫টি মাদক মামলা রয়েছে। জেলার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পুলিশের তালিকায় তার নাম রয়েছে। ইতিমধ্যে অনেকগুলো মামলায় জেল খাটলেও কিছু মামলায় ওয়ারেন্ট জারি থাকায় সে নিজেই এসে আত্মসমর্পন করেন। সোমবার হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে কাজী দুলাল মাদক ব্যবসার সাথে আর না জড়ানোর অঙ্গীকার নামা দেওয়ার কথা রয়েছে বলে জানা যায়। জানা যায়, এক সময়ে প্রভাবশালী নেতাদের মেনেজ করে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলো কাজী দুলাল। স্থানীয় পুলিশ সে কারণে তাকে ধরতে ব্যর্থ হলে অবশেষে নিজেই মাদকের কুফল বুঝতে পেরে আত্মসমর্পন করেন। এ বিষয়ে কাজী দুলাল বলেন, বয়সের ভারে ভারকান্ত, তাছাড়া পরিবার পরিজনের আত্মমর্যার দিকে তাকিয়ে তাদের অনুপ্রেরনায় মাদকের কুফল বুঝতে পেরে পুলিশের কাছে ধরা দিয়েছি। আমি হাজীগঞ্জ থানায় অঙ্গীকার নামা দিয়ে সুন্দর শান্তিপূর্ণভাবে বাছতে চাই। এ জন্য আমি প্রশাসন থেকে শুরু করে সামাজিক ভাবে সকলের কাছে সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।