মঙ্গলবার ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং ২রা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

উচ্ছেদের পরে আবারো  গড়ে উঠেছে উত্তরা ১০ নং সেক্টরের বস্তিঘর

আপডেটঃ ৩:০৩ পূর্বাহ্ণ | জুন ১৩, ২০১৯

মোঃ সাইফুল ইসলাম একা: রাজধানীর উত্তরা ১০নং সেক্টর আবারো গড়ে উঠেছে অবৈধ বস্তিসহ নানা স্থাপনা। ফলে পুরনো চেহারায় ফিরে এসেছে উত্তরা এলাকা।  অথচ  কিছু দিন আগে বস্তিসহ সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা জোরালভাবে উচ্ছেদ করা হয়েছিল। এসময় সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেন।
 
তখন ঘোষণা দেয়া হয়েছিল আর যাতে কেউ এসব জায়গায় অবৈধ স্থাপনা গড়তে না পারে সে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। বর্তমানে আগের মতোই সরকারি এসব জায়গা দখল করে অবৈধ বস্তিসহ নানা স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। দেখে মনে হচ্ছে আদৌ কোনো স্থাপনাই উচ্ছেদ করা হয়নি। 
 
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাদকের আস্তানা হিসেবে পরিচিত হয়ে পড়েছে এই বস্তি। এরপরই নড়েচড়ে বসে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা । শুরু হয় বস্তিসহ সব ধরনের স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান। উচ্ছেদের পর কিছুদিন ফাঁকা ছিল। কিন্তু আবারো গড়ে উঠেছে অবৈধ বস্তিসহ নানা ঘড় বস্তি। তবে অভিযোগ রয়েছে, (২০)নং রোডের বস্তি বা ট্রাক স্টান্ড এর  আড়ালে মাদকসহ নানা অপরাধ পরিচালনা করে থাকে প্রভাবশালী একটি চক্র। এই তৎপরতা বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া উচিত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
 
সরেজমিনে দেখা জায় রাজধানীর উত্তরা ১০নং সেক্টর (২০)নং রোড , প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় ছোট ছোট ঘর ও বাস  ট্রাক কার্গো পার্কিন  স্থাপন করে ব্যবসা করছে প্রভাবশালীদের একটি চক্র।  শুধু তাই নয় নানা ঘর বাড়ি, দোকান নির্মাণ করে অবৈধ বিদ্যুৎ লাইন দিয়ে ভাড়া দেয়া হচ্ছে। এ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রভাবশালী মহল। 
 
বস্তিবাসীর একাধিক লোকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা নিরুপায় হয়ে জীবনে মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে এখানে বসবাস করছেন। দুই পাশে বস্তির মাঝখান দিয়ে  সড়ক ও পার্কিন স্টান্ড। ঝুঁকি আর দুর্ঘটনা কোনোটিই ঠেকাতে পারছে না এই প্রবণতা। তবে বসবাসকারীরা বলছেন, নিরুপায় তারা। সড়কের পাসে বসবাসকারি বস্তিবাসীরা জানান, আমাদের সংসার ছেলে-মেয়ে আছে, তার মধ্যে দৈনন্দিন খাবার ও ঘরের ভাড়া দিতে হয়।
 
তাই কষ্ট করে থাকি।  কর্তৃপক্ষ আমাদের উচ্ছেদ করার পরও আবার আমরা এসে এখানে বসবাস করছি। তবে এখানে বসবাস করলে মাসে নির্দিষ্ট হারে চাঁদা দিতে হচ্ছে বলে তারা জানিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, এখানে মাদকসহ নানা নেশা জাতীয় পণ্য পাওয়া যাচ্ছে অবাধে। এতে এসব বস্তিতে থাকা যুবসমাজের অনেকেই নেশাগ্রস্ত হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রশাসন জেনেও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে জানিয়েছে বসবাসকারীরা। 
 
উত্তরা ১০ নং সেক্টর (১২) নং রোড গিয়ে দেখা যায়, উচ্ছেদ করা যাচ্ছে না একটি বস্তি দেখা জায় সে বস্তিতে প্রকাশ্য মাদক ঢালায় সাজিয়ে রেখেছে  বিক্রেতা ও ক্রেতাদের ডেকে চলছে। মাদকের বিক্রি ও সেবন  কারীদের আনাগোনা।
 
অনেকেই এখানে স্থায়ী ব্যবসা মাদকের। ক্রেতাদের ভিড় সারাক্ষণ থাকে। সকালের পর অনেকেই চলে যান সেখানে ঢালায় সাজিয়ে রাখা পণ্য কিনতে। এক কথায় এগুলা  মাদক। এলাকাবাসী বলেন মাদকের বাজার বললেই চলে এই বস্তিটিকে। 
 
এখানে পুলিশ আসলে মাদকের ঢালা  সরিয়ে নিলেও পুলিশ চলে যাওয়ার পর  সুরু হয় বেচাকেনা। কিন্তু এ বিষয়ে  কর্তৃপক্ষ কিছু বলছে না। জানতে সাইলে বলেন আমরা বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে একাধিক মামলা দিয়েছি সাজাও দিয়েছি।  
 
কামারপাড়া স্টান্ড  এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, এখানে রয়েছে দুইটি সি এন জি স্টান্ড ও একাধিক পার্কিন স্টান্ড। এখানেও রোয়েছে চাঁদাবাজদের আনা গোণা কিন্তু এ স্টান্ড গুলি সম্পুর্ণ অবৈধ  গত কিছুদিন আগে উচ্ছেদ করা হয়েছিল।