সোমবার ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং ১লা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

জাতীয় কাউন্সিল নিয়ে অনিশ্চয়তার দোলাচলে বিএনপি- দানা বাঁধছে গুঞ্জন

আপডেটঃ ২:১৩ পূর্বাহ্ণ | জুন ১৫, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে কিছুটা বেসামাল অবস্থায় পড়ে আছে বিএনপি। সাংগঠনিক দুর্বলতা, নেতাদের নিষ্ক্রিয়তা, রাজপথ বিমুখতার জন্য দলটির এমন দশা বলে মনে করেন রাজনীতি সচেতনরা। তারা বলছেন, দীর্ঘসময় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত না হওয়ায় নতুন নেতৃত্ব তৈরি হচ্ছে না, যার কারণে দলটি রাজপথে ফিরতে পারছে না।

সূত্র বলছে, বিএনপির বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে চলতি বছরের মার্চ মাসে। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, তিন বছর পরপর কাউন্সিল করার নিয়ম। কিন্তু কখনোই নির্দিষ্ট সময়ে কাউন্সিল করতে পারেনি বিএনপি। মেয়াদ শেষ হলেও কাউন্সিল আয়োজন ও নতুন নেতৃত্ব তৈরির প্রচেষ্টা সহসাই আলোর মুখ দেখবে না বলেও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে বিএনপির রাজনীতিতে। এছাড়া বেগম জিয়া জেলে ও তারেক রহমান বিদেশে থাকায় দলের সপ্তম কাউন্সিল নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে দলে। যদিও দলটির একাধিক সিনিয়র নেতা আশাবাদী যে, পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শেষ হলেই কাউন্সিল আয়োজনের কাজ শুরু হবে। তবে দলের পুনর্গঠন প্রক্রিয়া কবে শুরু হয়ে শেষ হবে সেটির কোনো নির্দিষ্ট তারিখ জানাতে পারেননি নেতারা।

এ বিষয়ে কিছুটা ক্ষোভ প্রকাশ করে বিএনপির সাবেক নেতা শমসের মুবিন চৌধুরী বলেন, সেই ১/১১ সরকারের সময় থেকে শুনছি যে বিএনপি পুনর্গঠন করার চেষ্টা চলছে। তবে সেই প্রক্রিয়ার কোনো কার্যকর রূপ দেখতে পারেনি নেতাকর্মীরা। আসলে বিএনপি পুনর্গঠনের নামে দলটির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ নেতাকর্মীদের সামনে মিথ্যা আশ্বাসের মুলা ঝুলিয়ে রেখেছেন। কারণ তারা জানেন, সত্যিকার অর্থে যদি দলে সংস্কার চালানো হয় তবে তারা পদ হারাবেন। তাই সংস্কারের নামে বিএনপিতে চলছে প্রহসনের প্রক্রিয়া।

বিষয়টিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, বিএনপি পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অচিরেই বিএনপির কাউন্সিল হবে। আশা করি, তরুণ নেতারা শীর্ষ পদে উঠে আসবেন। তবে কবে নাগাদ বিএনপি স্বরূপে ফিরতে পারে এমন প্রশ্নে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি মির্জা আব্বাস।