| |

Ad

সর্বশেষঃ

হালুয়াঘাটে চল্লিশ বৎসর যাবৎ ঠেঁলাগাড়ি চালিয়ে বৃদ্ধার সংসার

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৭

ওমর ফারুক সুমন, হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) থেকেঃ নব্বই বছরের বৃদ্ধা হাইছু শেখ। বয়সের ভারে নুইয়ে পড়েছেন। কানে ঠিকমতো শুনতে পায়না। চোখেও দেখে কম। শরীরের চামড়া শুকিয়ে গেছে। হাড্ডিগুলোও বাহির থেকে গণনা করা যায়। চোখের পাতায় ক্লান্তির পরশ আচ্ছন্ন করে থাকলেও জীবন যুদ্ধে অবিচল। হাড় মানেনি তিনি। আট দশটা যুবকের ন্যায় প্রাণচ ল ব্যাক্তি। নব্বই বছরে এসেও জীবন সংগ্রামে কর্মঠ পুরুষ। যার একমাত্র অবলম্বন ঠেঁলাগাড়ি। চল্লিশ বছর যাবৎ চলছে তার এই জীবন যুদ্ধ। এমনি এক প্রায় শতবছরের কাছাকাছি বৃদ্ধার সন্ধান মিলে হালুয়াঘাট উপজেলার মকিমপুর বানিয়াকান্দা গ্রামে। তার জন্ম ভোটার আইডি কার্ড অনুযায়ী ৩ এপ্রিল ১৯২৭ ইং। ৩০ শে সেপ্টেম্বর কথা হয় এই কর্মঠ বৃদ্ধার সাথে। তিনি জানান, চল্লিশ বৎসর যাবৎ ঠেঁলাগাড়ি চালাচ্ছেন তিনি। বৃদ্ধা বলেন, বাবা এহন আর মাল নিবার পাইনা বেশি। কোনদিন ২০ টেহা, কোনদিন...

ঈদেও বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দারা স্বজনদের দেখা পাননি

জুন ২৭, ২০১৭

চ্যানেল সেভেন বিডি,গাজীপুর: ঈদে প্রায় সকল বাবা-মা সন্তানের অথবা স্বজনদের সঙ্গে আনন্দ উদযাপন করেছেন। কিন্ত গাজীপুরের বৃদ্ধাশ্রমে অবস্থান করা বেশিরভাগ নিবাসীই ঈদের দিন কাটিয়েছেন সন্তান কিংবা স্বজনদের প্রতীক্ষায়। বরাবরের মতো এবারও ঈদে তারা নতুন কাপড় পেয়েছেন। খেয়েছেন উন্নত খাবার। কিন্ত অধিকাংশই আত্মীয়-স্বজন বা আদরের সন্তানটির দেখা পাননি। অধীর আগ্রহে দিনভর প্রহর গুনেছেন- হয়ত কেউ তাদের সঙ্গে দেখা করতে আসবেন। কিন্তু দিন শেষেও কারো সাক্ষাৎ মেলেনি। তবে আশ্রমের ৬২ জন বাসিন্দা ছুটি নিয়ে স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়ি গেছেন। ঈদের পর দিন মঙ্গলবার সকালে গাজীপুর সদর উপজেলার মনিপুরের বিশিয়া কুড়িবাড়ী এলাকায় অবস্থিত এবং গিভেন্সী গ্রুপের পরিচালনাধীন বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রের নিবাসীদের সঙ্গে আলাপ করে এমন কথা জানা গেছে। কথা বলার সময় আপনজনদের কথা স্মরণ করে অনেকে...

কোটিপতি পারুল এখন বৃদ্ধাশ্রমে

এপ্রিল ১৮, ২০১৭

বৃদ্ধাশ্রম ডেস্ক: সত্তরোর্ধ্ব সাফাক আরা সোবহান ওরফে পারুল। স্বামী ছিলেন নামকরা চিকিৎসক। রাজধানীর বনানীতে আছে বিরাট বাড়ি। আছে উত্তরাতেও। যার আনুমানিক মূল্য দেড়শ' কোটি টাকা। বড় ছেলে মাহবুব চিকিৎসক। দুই মেয়ের একজন বিসিএস ক্যাডার। পরিবারে আছে বলতে ছেলে, ছেলের বউ আর নাতি-নাতনী। বৃদ্ধ বয়সে তাদের সঙ্গেই থাকার কথা ছিল তার। নাতি নাতনীদের সঙ্গে জীবনের শেষ সময়টা হয়তো কাটাতে পারতেন। কিন্তু তেমনটা ঘটেনি। জীবন সায়াহ্নে এসে সাফাক আরাকে এখন থাকতে হচ্ছে ইন্দিরা রোডের একটি হোস্টেলে। বছর দশেক আগেও বনানীর বাসায় তার ছিল সুখের সংসার। স্বামী শেখ আব্দুস সোবহান আর সন্তানদের নিয়ে ভালই কাটছিল। তবে স্বামীর মৃত্যুর পর বদলে যায় সব। তুমুল ঝড় বৃষ্টির এক রাতে বাড়ি থেকে বের করে দেয় তার ছেলে। কাঁদতে কাঁদতে রাস্তায় অসহায়ের মত ঘুরছিলেন। সহায়তার হাত বাড়ায় কেউ একজন। পৌঁছে দেয়...

বৃদ্ধাশ্রম থেকে পাঠানো মায়ের চিঠি

আগস্ট ১০, ২০১৬

  খোকা, কেমন আছিস জানতে চাইব না। কেননা সব মায়ের চাওয়াই থাকে তার খোকা যেন সব সময় ভালো থাকে। সুস্থ থাকে। আমাকে ছেড়ে নিশ্চয়ই তুইও ভালো আছিস। আর ভালো থাকবি না কেন বল? ভালো থাকার জন্য তো তোরা আমায় এখানে পাঠিয়ে দিয়েছিস। আমি ভালো আছি, তবে ছোটদাদুর জন্য মনটা খুব কাঁদে রে। ওকে ভুলে থাকতে পারি না। বউমাও নিশ্চয়ই খুব ভালো আছে। যখন একলা থাকি, তোর বাবার স্মৃতি খুব মনে পড়ে। বাড়ির প্রতিটা আসবাবপত্রে তোর বাবার হাতের ছোঁয়া লেগে আছে। ইচ্ছে ছিল, জীবনের শেষ অবধি সেগুলো বুকে আগলে রাখব। কিন্তু তোরা আমার সুখ চাস বলেই নাকি এই বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে দিয়েছিস। তাই মাঝে মাঝে চোখ বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ে। হেসে উঠি যে তোরা আমায় কত ভালোবাসিস। জগতে কোন ছেলে তার মাকে ভালোবেসে এমন সুন্দর জায়গায় পাঠায়, যেখানে কোনো কাজ করতে হয় না। শুধু বসে বসে খাওয়া আর গল্প করে সময় কাটানো যায়। জানিস খোকা, তুই...