মঙ্গলবার ১৫ই জুলাই, ২০১৯ ইং ১লা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

খালেদার জামিনে আবার ও প্রমাণ হলো আদালত ও বিচার বিভাগ স্বাধীন শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দেশের বিচার ব্যবস্থা স্বাধীন —————- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

আপডেটঃ ৬:০১ অপরাহ্ণ | জুন ১৮, ২০১৯

এস,এম,মনির হোসেন জীবন ॥ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, খালেদা জিয়ার জামিনে আবার ও প্রমাণ হলো দেশের আদালত ও বিচার বিভাগ স্বাধীন। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদার মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ আদালতের বিষয়। তার মুক্তি পাওয়ার ব্যাপারে সরকারের কোন বাধা নেই। এবিষয়ে সরকার কোন ধরনের হস্তক্ষেপ করে না।
শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলে দেশের বিচার ব্যবস্থা স্বাধীন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দু’টি মামলায় জামিন পাওয়ায় আবারও প্রমাণিত হলো, আদালত স্বাধীনভাবে কাজ করছে। বাংলাদেশের আদালত সব সময়ই স্বাধীন। আদালত যে মামলায় খালেদার জামিন দিতে চেয়েছেন সেটি দিয়েছেন।শেখ হাসিনার সরকার তথা বর্তমান সরকার কখনোই বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপ করে না। খালেদা জিয়ার ব্যাপারেও আদালত স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।
তিনি আজ মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় রাজধানীর বিমানবন্দর থানার কাওলা রেলগেইট সংলগ্ন ঢাকা এলিভেটেড এক্রপ্রেসওয়ে (পিপিপি) প্রকল্পের উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে এক প্রেসব্রিফিংয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
প্রেসব্রিফিং অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে এসময় উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুন অর রশীদ, জেনারেল সাঈদ সিদ্দিকী, মেজর জীশান, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের বনও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্বা এস,এম তোফাজ্জল হোসেন, ঢাকা এলিভেটেড এক্রপ্রেসওয়ে (পিপিপি) প্রকল্পের পিডি সহ অন্যান্য উধ্বর্তন কর্মকর্তারা সাথে ছিলেন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা (বিএনপি নেতারা) শুধু বিরোধীতার জন্য বলেন, আদালত স্বাধীন নয়। তার (খালেদা) জন্য দলীয়ভাবে কিছু করতে ব্যর্থ হয়ে সরকারের ওপর দোষ চাপায়।
খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন কি-না ? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটাও আদালতের ব্যাপার। মামলা তো অনেকগুলো। সব মামলায় জামিন পেলে আদালত মুক্তি দেবেন। আদালত নির্দেশ দিলে সরকার কাউকে জেলে রাখতে পারে না।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উদ্দেশে করে আওয়মীলীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ফখরুল সাহেব শপথ না নিয়ে মনে মনে আফসোস করছেন। তাদের দু’জন এমপিই সংসদ গরম করে দিয়েছেন।
ওবায়দুল কাদের বিএনপি’র মহাসচিবকে ইঙ্গিত করে বলেন, উনি ফখরুল ইসলাম সংসদে থাকলে সংসদ আরও গরম হতো। তিনি শপথ না নিয়ে নিজেকে ও দলকে বি ত করেছেন। তিনি যোগ দিলেন না, সতীর্থরা যোগ দিলেন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যারা সংসদে যোগ দিয়েছেন, তারা তো কথা বলছেন। ফখরুল সাহেব কেন দ্বৈত নীতি গ্রহণ করলেন ? সরকার বিরোধী কৌশলের জন্য তিনি শপথ নেননি, এ বক্তব্য হাস্যকর।
‘বগুড়ার নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার, বিরোধী দলকে ফেল করানোর চক্রান্ত বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের বিষয়ে উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, অতীতে ইভিএম যেখানে ব্যবহার হয়েছে, সেখানেই বিরোধী দলই সুবিধা পেয়েছে। তারাই জয়ী হয়েছে। আশা করি বগুড়ার নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে।
বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর সরকার পতনের হুংকারের বিষয়ে ইঙ্গিত করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ রঙিন স্বপ্ন কখন সফল হবে না। বিনা মেঘে গর্জন হয় না। মেঘ তো সৃষ্টি করতে হবে। আষাঢ় মাস তর্জন-গর্জনের মাস। তাই তারাও গর্জন করছে।