সোমবার ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং ১লা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

অটোরিকশার চাদাবাজী করবো সাংবাদিক ইচ্ছে মত লিখুক- দেখবো কি হয়…………..

আপডেটঃ ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ | জুন ২০, ২০১৯

বিশেষ প্রতিনিধি- ( ক্রাইম )-: মোঃ সাইফুল ইসলাম একা:-রাজধানীর উত্তরার সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে ৫০-১০০টি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা। । আইন অনুযায়ী, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশাগুলোর রাজধানীতে চলার সুযোগ নেই। কিন্তু চলছে নিয়মিত।
অবৈধ অটোরিকশার  ব্যপারে স্থানিয়দের কাছে জানতে চাইলে বলেন, বিষয়টি বহুবার প্রশাসনকে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কীভাবে চলে এমন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা-জানতে চায় স্থানিয় এলাকাবাসী।

ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা মালিক ও চালকদের কাছে জানতে চাইলে বলেন, অবৈধ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশাগুলো চালাতে প্রতি মাসে এলাকায় চাঁদাবাজদের  ৫০০ থেকে ছয়শ ৬০০ টাকা  উত্তরার কার্ড ১৫০০,সুইচ গেট কাচা বাজারের কার্ড ৮০০/১০০০ টাকা করে মাসিক চাঁদা দিতে হয়। চাঁদা উত্তোলনকারীর কাছে জানতে চাইলে বলেন থানা পুলিশ ও ট্রাফিক এই চাঁদার ভাগ পায়। ফলে এর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।

সরেজমিনে দেখা গেছে, তুরাগ থেকে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশাগুলো চলে পুরো উত্তরা পর্যন্ত।
দুটি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার চালকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই রুট গুলুতে অবৈধ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশাগুলো চালাতে দৈনিক রেকারের নামে লাইনম্যানকে দিতে হয় ১০-২০ টাকা। পুলিশ কোনো বাধা দেয় কিনা জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, চাঁদার টাকার ভাগ পুলিশও পায়। তাই সমস্যা হয় না।আবার কামারপাড়া ব্রিজ  থেকে স্টিসন রুট পর্যন্ত এইরুটেও একইভাবে চলে  ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা। এই রুটের একাধিক চালক জানিয়েছেন, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশাগুলো চালাতে প্রতি মাসে ৫০০/১০০০ টাকা করে চাঁদা দিতে হয়। তুরাগের তুরাগ পরিবহণ করে নিয়ন্ত্রণ করে মোঃ বাচ্ছু। বাচ্ছুর রোয়েছে একাধিক  লোকজন  ও নিউ সিটি পরিবহণ মোঃ ফারুক ও নান্নু আরুপে কবিরাজ নান্নু গং নামের ব্যক্তি নিয়ন্ত্রণ করেন। এবার যাবো উত্তরা, পশ্চিম পরিবহণ ও উত্তরা পরিবহণ নিয়ন্ত্রণ করে সবুজ নামক এক ব্যক্তি। আবার চলে মাসিক অভিযান জারা এই স্টিকার ব্যবহার না করে তাদের উপর নেমে আসে অমানুষিক নির্যাতন দিতে হয় ১২০০ টাকা রেকারের বিল।

যোগাযোগ করা হলে। ফারুক টাকা নেয়ার কথা  স্বীকার করে তিনি বলেন, টাকা তিনি নিজে তোলেন না তোলার জন্য আমার রোয়েছে একাধিক ব্যক্তি । পুলিশসহ আরও লোকজন এই টাকার ভাগ পান বলে জানাগেছে -সরজমিনে দেখা গেছে  টাকা নেওয়া হয় কার্ড দিয়ে অনেকটা গোপনে। সরজমিনে দেখা যায় টাকা নিয়ে একটি স্টিকার দেয়া হয় শুধু এই এলাকা নয়, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কামারপাড়া।,মুদাপা, সুইচগেট,খালপাড়,আব্দুল্লাহপুর,টঙী,ইয়ারপোর্ট,কাওলা, দক্ষিণখান, উত্তরখান,,বিভিন্ন এলাকায় ব্যাটারি চালিত অবৈধ অটোরিকশা নিয়ে চলেছে চাদাবাজী। নির্যাতক ব্যাটারি চালিত অটোরিকশাগুলো উপর বলেও অভিযোগ পুলিশের বিরূদ্ধে। 

জানতে চাইলে স্থানিয় প্রশাসন  বলেন, রাজধানীতে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালাতে,নিষেদাজ্ঞা থাকার পরে ও স্থানিয় প্রভাব ও বিভিন্ন নেতা কর্মী পরিচয় দিয়ে  ব্যাটারি চালিত অবৈধ অটোরিকশাগুলোর ব্যবসা করে।