সোমবার ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং ৮ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

রাজধানীর বুড়িগঙ্গায় লে র ধাক্কায় যাত্রীবাহী নৌকাডুবি : নিখোঁজ ভাই-বোনের মরদেহ উদ্ধার………

আপডেটঃ ২:০০ পূর্বাহ্ণ | জুন ২২, ২০১৯

এস,এম,মনির হোসেন জীবন ॥ রাজধানীর বুড়িগঙ্গা নদীর সদরঘাটের ওয়াইজঘাট এলাকায় নদী পারাপারের সময় পূবালী-৫ লে র ধাক্কায় যাত্রীবাহী একটি নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটেছে। নৌকাডুবির ঘটনার প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর নিখোঁজ দুই শিশু ভাই-বোনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। নিহত দুই শিশু হলেন নূসরাত (৭) ও মেশকাত (১১)। নিহতের বাবার নাম মো. বাবুল ফরাজী। তাদের বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ থানার উত্তমপুর গ্রামে। শুক্রবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ওয়াইজঘাট এলাকার একটি পল্টুনের পাশ থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার (২১ জুন) সকাল ৭টার দিকে রাজধানীর সদরঘাট লঞ্জ টার্মিনারের কাছে এ নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদরদপ্তরের ডিউটি অফিসার মো. রাসেল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

সদরঘাট নৌ-থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম ভূইয়া আজ জানান, আজ শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে রাজধানীর সদরঘাটের ওয়াইজঘাট এলাকা থেকে খেয়া নৌকাযোগে নিহতের পরিবারের সদস্যরা কেরানীগঞ্জের আলম টাওয়ারঘাট এলাকায় যাচ্ছিল। এসময় পূবালী-৫ লে র ধাক্কায় যাত্রীবাহী ওই নৌকাটি ডুবে যায়। পরে শামীম, জোসনা ও শিশু নুসাইবাকে উদ্ধার করা হলে ও এসময় শিশু নুসরাত (৭)ও তার ভাই মেশকাত (১১) উভয়েই নদীতে তলিয়ে যায়।

ঘটনার পর প্রত্যক্ষদর্শী, নৌ-পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা জোনের উপ-পরিচালক দেবাশিষ বর্মনের নেতৃত্বে একদল ডুবুরিদল, নৌ-পুলিশ ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে যৌথভাবে তাদের উদ্ধার অভিযানে নামে। এসময় ফায়ার সার্ভিস হেডকোয়ার্টার থেকে ডুবুরি দলের দু’টি ইউনিট উদ্ধার কাজে অংশ নেয়। এসময় সদরঘাট কেবিন ক্রুজার বোট দিয়ে উদ্ধার অভিযান চালায় দমকল বাহিনীর সদস্যরা। অবশেষে নিখোঁজের পাঁচ ঘণ্টা পর দুই শিশুর মরদেহ ওয়াইজঘাটের পাশের একটি পল্টুনের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়।ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহফুজ রিদেন জানান, পরে শুক্রবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরী দলের সদস্যরা উদ্ধার কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে নিহতের পরিবারের অনুরোধে এবং তাদের কোনও অভিযোগ না থাকায় দুই শিশুর মরদেহ শুধু সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।