মঙ্গলবার ১৫ই জুলাই, ২০১৯ ইং ১লা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

রাজধানীর উত্তরা কামারপাড়া গড়ে উঠেছে অবৈধ সি এনজি স্টান্ড -প্রশাসন নিরব…………

আপডেটঃ ১:১৯ পূর্বাহ্ণ | জুন ২৩, ২০১৯

বিশেষ পতিনিধি (ক্রাইম)  সাইফুল ইসলাম (একা) -ঃরাজধানীর উত্তরা কামারপাড়া রোডের পাশে অবৈধভাবে দখল করে  সিএনজি অটোরিকশা স্ট্যান্ড করা হয়েছে। এতে সড়কের প্রশস্ততা কমে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।প্রতিনিয়ত এ সড়ক দিয়ে হাজার হাজার গাড়ী ও মানুষ যাতায়াত করে। বিশেষ করে অফিসে যাওয়ার সময় ও স্কুলে যাওয়া-আসার সময় ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়।সরেজমিন দেখা যায়, সড়কের ওপর সারি সারি সিএনজি-অটোরিকশা রাখা হয়েছে। তারপর এগুলোর কোনো সমস্যা হলে এখানেই মেরামত করা হয়। রাস্তার পাশে রয়েছে খাবার হোটেল, গ্যারেজ, সিএনজি অটোরিকশার ওয়ার্কশপ ও চা-পান সিগারেটের দোকান। মাঝেমধ্যে পুলিশ উচ্ছেদ করলেও পুনরায় বসে। এর কোনো স্থায়ী সমাধান হয় না।সকালে এ পথ দিয়ে অফিসে যাচ্ছিলেন মো. সাকিল মেয়া  নামের এক ব্যক্তি। তিনি অভিযোগ করে  বলেন, আমার বাসা কামারপাড়া। আমি প্রতিনিয়ত এ সড়ক দিয়ে আসা-যাওয়া করি। সরকার রাস্তা ও ফুটপাত বড় করেছে। মানুষের ভালোভাবে চলাচলের জন্য কিন্তু সেটা এখানকার প্রভাব সালী  লোকজন দখল করে রেখেছে। আমরা মাঝে মধ্যেই অফিসে যেতে দেরি হয় ও মেয়ের কলেজে।টঙী কলেজের এক শিক্ষার্থীর বাবা মো. জসিম (৪৫)জানান, আমি আমার মেয়েকে প্রতিদিন স্কুলে দিয়ে যাই ও নিয়ে যাই। এ আসা-যাওয়ার পথে প্রতিদিন আমাকে যানজটের ভোগান্তি পোহাতে হয়। রাস্তার দুই পাশে সিএনজি অটোরিকশা, , রিকশার গ্যারেজ ও ওয়ার্কশপ করা হয়েছে। এতে সড়কের প্রশস্ততা কমে যাওয়ায় যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।
কিন্তু গোপন সংবাদে যানাযায় প্রতি সি এন জি থেকে দৈনিক ৮০-১০০ টাকা করে চাদাবাজী করে তিতু চাদাবাজীর বিষয় প্রশ্নের উত্তরে সি এন জি মালিক পরিচয় দিয়ে  মোঃ তিতু মেয়া  বলেন, আমার মাত্র ৩টা সিএনজি অটোরিকশা আছে সবাই রাখে তাই আমিও রাখি।। ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার চাদাবাজী করে বাচ্ছু গং। এবং কোনো সমস্যা হলে দেখাসুনা করে মোঃ বাচ্ছু । চালকের কাছে জানতে চাইলে বলে পুলিশ মাঝে মাঝে আমাদের উঠিয়ে দেয়। সিএনজি অটোরিকশার চালক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক  জানান, আমাদের বলে কি হবে। আমরা এখান থেকে ভাড়া নিয়ে স্টিসন রোড। আবার স্টিসন থেকে কামারপাড়া ভাড়া মারি।এই জন্য কামারপাড়া দিতে হয় ৮০ টাকা, স্টিসন রোড দিতে হয় ৮০ টাকা। কামারপাড়া টাকা নেই তিতু মেয়া, স্টিসন রোড টাকা নেই মোতালেব। মোট কত গুলি সি এন জি আছে জানতে চাইলে বলে ৭০-৯০ টি সি এন জি আছে এর মধ্যে কয়েকটি গাড়ীর কাগজ আছে বাকি অন্য কোনো গাড়ীর বৈধ কোনো কাগজ পত্র নেই। 
এবিষয় জানতে চাইলে তিতু বলে আমি চাদাবাজী করি না আমার কিছু সি এনজি আছে আমি সেগুলা দেখাশোনা করি তিতু আরো বলে  আপনি আমার কাছে  এবিষয় ফোন দিলেন কেনো আমি চাদাবাজী করবো কি না সেটা আমার ব্যাপার এসব এবিষয় জানতে হলে আপনি  কাউন্সিলর সাথে কথা বলেন। কাউন্সিলরের মোঃ জাহাঙ্গীর হুসাইন যুবরাজ এর  মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে ফোন বন্ধ দেখায়। প্রশ্ন জনসাধারণের চাঁদাবাজীর অন্ত্ররালে কারা জানতে চাই