মঙ্গলবার ১৫ই জুলাই, ২০১৯ ইং ১লা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

শাহজালাল বিমানবন্দরে ৩ পিস সোনার বার সহ কাতার এয়ারওয়েজের ট্রাফিক অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. সুইম খান আটক………..

আপডেটঃ ১২:৫০ অপরাহ্ণ | জুন ২৩, ২০১৯

এস,এম,মনির হোসেন জীবন ॥ রাজধানীর ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাতার এয়ারওয়েজের ট্রাফিক অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. সুইম খানকে ৩ পিস সোনার বার সহ আটক করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউসের প্রিভেন্টিভ দল। প্রতিটি সোনার বারের ওজন ১০ তোলা করে। যার মোট ওজন ৩০ তোলা। আটক সুইম খানের গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জ সদরে। শনিবার ভোর রাত ৪টার দিকে ঢাকা কাস্টমস হাউসের প্রিভেন্টিভ দল বিমানবন্দরের বোর্ডিং ব্রিজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে সিগারেটের প্যাকেটের ভেতর থেকে ৩ পিস সোনার বার বহন করার সময় তাকে হাতেনাতে আটক করে।

ঢাকা কাস্টম হাউসের উপ-পরিচালক অথেলো চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, শনিবার ভোর রাত ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেন্টিভ টিম শাহজালাল বিমানবন্দরের বোর্ডিং ব্রিজ এলাকায় টহল দেয়। এ সময় কাতার এয়ারওয়েজের ট্রাফিক অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. সুইম খানকে তল্লাশি করে একটি বেনসন সিগারেটের প্যাকেট পাওয়া যায়। তল্লাশীর এক পর্যায়ে ওই সিগারেটের প্যাকেটের মধ্যে কালো স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ৩০ তোলা স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। তার ভেতরে ৩পিস স্বর্ণের বার রয়েছে। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১৮ লাখ টাকা।

ঢাকা কাস্টম হাউসের উপ-পরিচালক অথেলো চৌধুরী আজ আরও জানান, পরে মো. সুইম খানের আইডি কার্ড চেক করে দেখা যায়, তিনি কাতার এয়ারলাইন্সের ‘ট্রাফিক অ্যাসিস্ট্যান্ট’ পদে কর্মরত। তার কাছে বিমানবন্দরের ডি-পাশ (বিমানবন্দরে প্রবেশ ও অবাধে চলাচলের পাস) উদ্ধার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে ট্রাফিক অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. সুইম খান কাস্টমসকে জানান, সৌদি এয়ারলাইন্সে আগত এক যাত্রীর কাছ থেকে তিনি এই ৩ পিস সোনার বার নিয়েছেন। পরে তিনি স্বর্ণ বার চোরাচালানকারীদের কাছে এ স্বর্ণবার হস্তান্তর করার কথা ছিল।

ঢাকা কাস্টমস হাউসের প্রিভেন্টিভ টিমের কর্মকর্তারা আজ আরও জানান, পরে তাকে জিঞ্জাসাবাদ শেষে বিমানবন্দর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালনকালে চোরাচালানে জড়িত থাকায় দি কাস্টমস অ্যাক্ট, ১৯৬৯ এবং বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী ওই কর্মীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।

বিমানবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: নূরে আযম মিয়া আজ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। এঘটনায় বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।