মঙ্গলবার ১৫ই জুলাই, ২০১৯ ইং ১লা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

পদ্মা সেতু ২১০০ মিটার এখন দৃশ্যমান ———–ওবায়দুল কাদের.

আপডেটঃ ১:৩৭ পূর্বাহ্ণ | জুলাই ১২, ২০১৯

এস,এম,মনির হোসেন জীবন ॥ সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পদ্মা সেতু ২১০০ মিটার এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান হয়েছে।

তিনি বলেন,পদ্মা বহুমুখি সেতুর মূল কাজের বাস্তব অগ্রগতি হয়েছে ৮১ শতাংশ। মূল সেতুর নদীর মধ্যে ২৬২টি পাইলের মধ্যে ২৬১.৫০টির কাজ শেষ হয়েছে এবং অবশিষ্ট পাইলের কাজ ১৫ই জুলাই এর মধ্যে শেষ করা হবে। মাওয়া সাইডে ২৫টি স্প্যানের মধ্যে ১৪টি স্থাপন করা হয়েছে, ফলে এখন পদ্মা সেতু ২১০০ মিটার দৃশ্যমান হয়েছে।
তিনি আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর বনানী সেতু ভবনের তৃতীয় তলায় (বিবিএ) কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রজেক্টের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বালাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ) এর প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো: ফেরদৌস ঢাকা- আশুলিয়া এলিভেটেড এক্রপ্রেসওয়ে নির্মাণ কাজের বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
এসময় সেতু বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, ঢাকা- আশুলিয়া এলিভেটেড এক্রপ্রেসওয়ে প্রকল্প পরিচালক শাহাবুদ্দিন খান সহ সংশ্লিষ্ঠ মন্ত্রনালয়ের অন্যান্যরা উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পদ্মা সেতুর অগ্রগতি নিয়ে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদেরকে জানান, মূল সেতুর দুইটি ট্রান্সমিশন পিয়ারের মধ্যে, ৩২টি পাইলের মধ্যে ৩২টি পাইলের কাজ ইতো মধ্যে শেষ হয়েছে। মূল সেতুর ২৯৪টি পাইলের মধ্যে ২৯৩.৫০ টির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মুল সেতুর ৪২টি পিয়ারের মধ্যে ৩০টি পিয়ারের কাজ শেষ করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট করপোরেশনের (সিএমসি) সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। এ বছরের ডিসেম্বর থেকে এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শুরু হতে পারে। এই প্রকল্পের জন্য পরামর্শক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্রপ্রেসওয়ে নির্মাণ (জিটুজি) প্রকল্পের জন্য প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকার একটি চুৃক্তি সাক্ষরিত হয়েছে। এতে প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬,৯০১,৩২২১ কোটি টাকা। তার মধ্যে জিওবি ৫৯৫১,৪১৫১ কোটি টাকা। তার মধ্যে ঝৃণ প্রকল্প সাহায্য ১০৯৪১,৯০৬২ কোটি টাকা। প্রকল্প অনুমোদনের তারিখ ২৪ অক্টোম্বর ২০১৭।
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ২৪ কিলোমিটার এলিভেটেড এক্সপ্রেসের আওতায় থাকবে এয়ারপোর্ট, আব্দুল্লাহপুর, ধউর, বড আশুলিয়া, জিরাবো, বাইপাইল, ঢাকা- ইপিজেড। এলিভেটেড এক্রপ্রেসওয়ে দৈর্য়্য হবে ২৪ কিলোমিটার। তার মধ্যে র‌্যাম্প থাকবে ১০,৮৩৪ কিলোমিটার, এট গ্রেড রাস্তা (২ লেন প্লাস ২ লেন সার্ভিস ১৪.২৮ কিলোমিটার), নবীনগর ফ্লাইওভার-১,৯৫১ কিলোমিটার,সেতু ২.৭২ কিলোমিটার ও ড্রেনেজ এবং প্রাক্ট ১৮ কিলোমিটার। চায়না ন্যাশনাল মেশিনারী এন্ড এক্রপোর্ট কর্পোরেশন (সিএমসি) সাথে জিটুজি ক্ষেত্রে সরকারের চুক্তি হয়েছে। এছাড়া লোন এগ্রিমেন্ড ইআরডি কর্তৃক চায়না এক্রিম ব্যাংক সাথে লোন প্রক্রিয়া চুড়ান্ত পয়ৃয়ে রয়েছে। আগামী ডিসেম্বর ২০১৯ সাল থেকে নিমান কাজ শুরু করা হবে।