বুধবার ১৬ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং ১লা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার উপরে ॥ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত……….

আপডেটঃ ১১:৩৭ অপরাহ্ণ | জুলাই ১২, ২০১৯

এম.জি.ছরওয়ার:চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারীতে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল আর প্রবল বর্ষনে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৬ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্লাবিত হয়ে পড়ছে নিম্নাঞ্চল সমুহ।
উপজেলার নয়ারহাট ও অষ্টমীরচর ইউনিয়নে নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের পুটিমারী কাজলডাঙ্গা, রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকোল, চিলমারী ইউনিয়নের বৈলমনদিয়ার খাতা ও শাখাহাতিসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২‘শটি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। রমনা ইউনিয়নের বাসন্তিগ্রাম, মাঝিপাড়া, রমনা ঘাট, টোনগ্রাম ও পাত্রখাতা এলাকা মিলে প্রায় ১‘শ টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। নয়ারহাট ইউনিয়নের খেরুয়ারচর এলাকায় প্রায় ২০টি বাড়ী ও ২শ বিঘা এলাকায় বিপুল পরিমাণ আবাদী জমি নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে ২শ বিঘা আশ্রয়ন কেন্দ্র, দঃ খাউরিয়া স্কুল এন্ড কলেজ ও নয়ারহাট ইউনিয়ন পরিষদ ভবন। অপরদিকে অষ্টমীরচর ইউপি চেয়ারম্যান আবু তালেব জানান, তার ইউনিয়নে বৃহস্পতিবার মুদাফৎ কালিকাপুর ও চর মুদাফৎকালিকাপুর এলাকায় প্রায় ৪০টি বাড়ীসহ গত তিন দিনে প্রায় শতাধিক বাড়ী ঘর নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। এছাড়াও ছালিপাড়া, যুগ্নিদহ, খামার বাঁশপাতারী ও মাইজবাড়ী এলাকাসমুহ প্লাবিত হয়ে পড়েছে। শুক্রবার নয়ারহাট ইউনিয়নের ফেইচকায় ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন চিলমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত আলী সরকার বীর বিক্রম, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ সরকার, নয়ারহাট ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আবু হানিফা ও জেলা পরিষদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম লিচু। এসময় নদী ভাঙ্গন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া ১হাজার ও স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত ১হাজার বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলানোর উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত আলী সরকার বীর বিক্রম। রমনা মডেল ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আজগার আলী সরকার জানান, ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রমনা ইউনিয়নের ব্যাপারীপাড়া, রমনা টোনগ্রাম, সোনারী পাড়া, মাঝিপাড়া, ভরট্টপাড়া, দক্ষিণ খরখরিয়া, খেউনীপাড়া, পাত্রখাতা ও লেংগু ব্যাপারীর গ্রাম বন্যা প্লাবিত হয়েছে।