বুধবার ১৬ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং ১লা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের পাওনা ৬০ মিলিয়ন ডলার প্রদান করছে জাতিসংঘ

আপডেটঃ ৪:২৪ অপরাহ্ণ | জুলাই ১৩, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের পাওনা ৬০ মিলিয়ন ডলার দ্রুত পরিশোধ করছে জাতিসংঘ সদর দফতর। পাওনা পরিশোধের অংশ হিসেবে স্থানীয় সময় সোমবার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের অনুরোধে জাতিসংঘের অপারেশনাল সাপোর্ট বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল লিসা বাটেনহাইম তাৎক্ষণিকভাবে ৩০ মিলিয়ন ডলারের পরিশোধপত্র হস্তান্তর করেন। অবশিষ্ট ৩০ মিলিয়ন ডলার অচিরেই পরিশোধ করবেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন এ তথ্য জানিয়েছে।
জাতিসংঘ সদর দফতরে সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে আন্তরিকতাপূর্ণ এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বকেয়া প্রদানের প্রতিশ্রুতি ছাড়াও শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের সফল অংশগ্রহণের ভূয়সী প্রশংসা করেন জাতিসংঘের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বাটেনহাইম।
এদিকে একইদিন জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের মিলিটারি অ্যাডভাইজর লেফটেন্যান্ট জেনারেল কার্লোস হামবার্তো লয়টি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন। জাতিসংঘের মিলিটারি অ্যাডভাইজর বিশ্ব শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ সরকারের স্বতঃস্ফূর্ত ভূমিকা ও ফলপ্রসূ অবদানের উল্লেখসহ বিভিন্ন মিশনে কর্মরত বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের পেশাদারিত্ব, কর্তব্য পরায়নতা, দায়িত্বশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রশংসা করেন।
এ সময় জেনারেল লয়টি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানকে জাতিসংঘ সদর দফতরে একজন কর্নেল পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে শান্তিরক্ষা মিশনের ফোর্স জেনারেশন সার্ভিসের প্রধান হিসেবে নিয়োগপত্র হস্তান্তর করেন। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের ৩১ বছরে এই প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদে বাংলাদেশকে নির্বাচন করা হলো।
এছাড়া সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ থেকে একজন ফোর্স কমান্ডার নিয়োগের প্রস্তাব দিলে জেনারেল লয়টি তা স্বাগত জানান। দ্রুততম সময়ে এ নিয়োগ প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করার আশ্বাস দেন। সেনাপ্রধান বাংলাদেশ থেকে আরো ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিক্যাল, স্পেশাল ফোর্স এবং দ্রুত মোতায়েনযোগ্য ব্যাটালিয়ন নিয়োগেরও প্রস্তাব দেন।
এর আগে সেনাবাহিনী প্রধান জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে পৌঁছালে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন তাকে স্বাগত জানান এবং শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের বিভিন্ন দিকসহ জাতিসংঘে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের নানা দিক এবং ভবিষ্যৎ কর্ম-পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন।