বুধবার ২০শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং ৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

‘সম্রাট নির্দোষ’

আপডেটঃ ৪:০৬ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ১৪, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক :চ্যানেল সেভেন – : অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে আটক যুবলীগের সাবেক নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে নির্দোষ দাবি করে তার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসা দাবি করেছেন তার মা সায়রা খাতুন চৌধুরী।

রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে পরিবারের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে সায়রা খাতুন বলেন, ‘১৯৯১ সালে বিখ্যাত চিকিৎসক দেবী শেঠীর অধীনে সম্রাটের ওপেন হার্ট সার্জারির মাধ্যমে ভালভ প্রতিস্থাপন করা হয়। তখন থেকে সম্রাট আজ পর্যন্ত অসুস্থ শরীর নিয়ে দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। গত ১০ সেপ্টেম্বর সম্রাটের ভালভ প্রতিস্থাপন করার কথা ছিল সিঙ্গাপুরে। কিন্তু ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের উদ্যোগে কোরআনখানি, মিলাদ মাহফিল ও রক্তদান কর্মসূচি থাকায় সিঙ্গাপুরে যাওয়া হয়নি তার।’

সংবাদ সম্মেলনে সম্রাটের মায়ের পক্ষে তার বোন ফারহানা চৌধুরী লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

বিভিন্ন ক্লাবের ক্যাসিনো সঙ্গে সম্রাটের জড়িত থাকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ঢাকা শহরের প্রতিটি ক্লাব পরিচালনা করার জন্য কমিটি রয়েছে। আমার সন্তান সম্রাট কোনো ক্লাবের পরিচালনা কমিটির সদস্য নয় এবং ডাক গ্রহণকারীও নয়। শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এবং ব্যক্তিগত আক্রোশে তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জড়ানো হচ্ছে।’

“বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে যে মামলায় তাকে ছয় মাসের সাজা দেয়া হয়েছে সে মামলার আদেশ আমরা এখনো হাতে পাইনি। ক্যাঙ্গারু বাংলাদেশি বন্যপ্রাণী নয় এবং বাংলাদেশ এই প্রাণীটির বিচরণ দেখা যায় না। যেহেতু এই ক্যাঙ্গারু বাংলাদেশের শিকার হয়নি তাই এটি বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের মধ্যে পড়ে না।”

ক্যাঙ্গারু চামড়াটি এক প্রবাসী বাংলাদেশি সম্রাটকে উপহার হিসেবে দিয়েছেন দাবি করেন সায়রা খাতুন।

সম্রাট দলে অনুপ্রবেশকারী নয় দাবি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার সন্তানের উন্নত চিকিৎসার জন্য মুক্তি দাবি করেন মা সায়রা খাতুন চৌধুরী।

“আমি একজন মা হিসেবে আপনার কাছে আকুতি করছি, সম্রাটের ভুলত্রুটি ক্ষমা করে ওকে মুক্ত করে দিন। তাকে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়ে আমার সন্তানের জীবন রক্ষা করুন।”

বক্তব্যে বলা হয়, ‘সম্রাট গ্রেপ্তারের ১০ দিন আগে থেকে অফিসে ছিলেন না, অফিস ছিল অরক্ষিত। শরীর খারাপ থাকায় অন্যত্র অবস্থান করছিলেন। তার অফিসে মদ, ইয়াবা, পিস্তল কিছুই ছিল না। আমাদের আশঙ্কা, এটি পরিকল্পিত সাজানো নাটক ছাড়া কিছুই না।’