রবিবার ২৮শে মার্চ, ২০২০ ইং ১৫ই চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

মানিকগন্জ জেলার ইটভাটার মালিকগণ আতঙ্কগ্রস্ত-শত কোটি টাকার ক্ষয় ক্ষতির সম্মাবনা………

আপডেটঃ 2:13 pm | February 28, 2020

নিজস্ব প্রতিবেদক :চ্যানেল সেভেন- নুর হোসেন– মানিকগঞ্জ জেলার প্রায়  শতাধিক ইটভাটাগুলো দীর্ঘ বছর যাবৎ ইট তৈয়ারি করে উন্নয়ন কাজের অংশীদার হিসাবে কাজ করে আসছে,ইটভাটার মালিকগণ। ইটের চাহিদার এখনও কমতি নেই। বর্তমান সরকারের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে ইটের চাহিদা অপরিসীম। ইট ভাটার মালিকগন জানিয়েছেন,বর্তমান সরকার পরিবেশ বান্ধব।আমরা পরিবেশ নীতিমালা মেনেই ইটভাটা চালাতে আগ্রহী। বর্তমান সরকার বায়ূদোষন বাংলাদেশ গড়তে বদ্ধপরিকর। বিধায় পরিবেশ ছাড়পএ না থাকায় বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইটভাটাগুলো ভেঙ্গে দিচ্ছে। এমতাবস্থায় ইটভাটার মালিকগণের দাবী যাহাতে পরিবেশ ছাড়পএ নিয়েই ইটভাটাগুলো চালাতে পারে সেই জন্য আগ্রহ প্রকাশ করছে। সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে ইটভাটার মালিকগণ বলেন,আমাদের তিন/চার মাস সময় প্রদান করিলে সকল ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবো। নচেৎ আমাদের দাদনের টাকা ও ব্যাংক ঋণ সহ শত কোটি টাকার ক্ষতি সাধিত হবে। এখন ইট বিক্রয়ের মৌসুম শুরু হলেও বেচা কেনা খুবই কমে। এদিকে হঠাৎ করে কয়লার দাম গাড়ি প্রতি তিন হাজার টাকা বেড়ে ইটভাটার মালিকরা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। এনআরসি ইটভাটার মালিক আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, আমি একজন পুরাতন ব্যবসায়ী আমি ব্যাংক লোন না পাওয়ায় দেনায় জর্জরিত হয়ে আছি।জমিন ও ভাটা বিক্রয় হচ্ছে না। জানা যায় যে,আল মদিনা ইটভাটার তিনটি মিল পার্টি ৪৮ লক্ষ টাকা দাদন নিয়ে পলায়ন করিয়াছে। কিছু কিছু ভাটার মালিকরা ভালো থাকলেও অধিকাংশ মালিকরা খারাব অবস্হায় আছে। জেলার অবৈধ ইটভাটাগুলো উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা ও অর্থ জরিমানা করছে স্হানীয় প্রশাসন। এতে আতঙ্কের মধ্যে অতিবাহিত করছে সংশ্লিষ্ট ইটভাটার মালিকগণ। অধিকাংশ মালিকরা ব্যাংক ঋন ও ধারের টাকা দিয়ে প্রতি বছর ভাটা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। মালিকপক্ষ বলছেন,মহামান্য্য হাইকোর্টের আদেশকে আমরাও সাধুবাদ জানাই,কিন্তু হঠাৎ এ-ই আদেশের সম্মুখিন হতে হবে, আমাদের আগে থেকে জানা ছিল না। বিধায় আমরা প্রতিনিয়ত উচ্ছেদ আতঙ্কের মধ্যে আছি। এভাবে উচ্ছেদ অব্যাহত থাকলে সর্বস্ব হারিয়ে আমাদের পথে বসতে হবে। এ-ই মূহুর্তে উচ্ছেদ অভিযান হলে আমাদের দেনায় জর্জরিত হয়ে দেউলিয়া হতে হবে। মালিকপক্ষের অভিযোগ প্রতিবছর প্রতিটি ভাটা হতে আমরা সরকারকে ভ্যাট ও আয়কর নিয়মিত পরিষদ করছি। সরকার একটি ভাটা হতে সাড়ে চার লক্ষ টাকা থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা ভ্যাট আদায় করছেন। আর এভাবে যদি ভাটা গুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়ে। তাহলে মালিকপক্ষ সহ কয়েক লক্ষ শ্রমিক বেকার হবে এবং তাদের পরিবারে নেমে আসবে সীমাহীন দুর্ভোগ ও অসহনীয় সংকটের সম্মুখীন হতে হবে  ইটভাটার মালিকগনের।