বুধবার ২৫শে নভেম্বর, ২০২০ ইং ১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

ইউনাইটেড হাসপাতালে করোনা ইউনিটে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন, অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যাওয়া ৫ জনের পরিচয় মিলেছে..

আপডেটঃ ৪:২১ অপরাহ্ণ | মে ২৮, ২০২০

এস,এম,মনির হোসেন জীবন : রাজধানীর গুলশানের দুই নম্বরে অবস্থিত বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতালের অগ্নিকান্ডের ঘটনায় করোনা আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যাওয়া এক নারীসহ পাঁচজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহতরা হলেন- রিয়াজুল আলম (৪৫), খােদেজা বেগম (৭০), ভেরুন এন্থনি পল (৭৪), মাে. মনির হােসেন (৭৫) ও মাে. মাহাবুব (৫০)। নিহতদের এদের মধ্যে ৪জন পুরুষ এবং একজন নারী রয়েছেন।এদিকে, অগ্নিদুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাতে  ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন।ফায়ার সার্ভিস সদর দফতরের ডিউটি অফিসার রাসেল শিকদার আজ বৃহস্পতিবার  এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন,এঘটনায় বুধবার মধ্যরাতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর পক্ষ থেকে ৪ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ওই তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে ডেপুটি ডিরেক্টর (ডিডি) ঢাকা. দেবাশীর্ষ বর্ধন। বাকী তিনজন হলেন-সদস্য সচিব ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সপাল বাবু চক্রবর্তী, সদস্য ডেপুটি এ্যাসিটেন্ট ডিরেক্টর নিয়াজ আহমেদ ও গুলশান-বারিধারা ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবুল কালাম আজাদ।ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, বুধবার দিবাগত রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায় এবং ১০টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।ডিউটি অফিসার আরও জানান, হাসপাতালের বর্ধিত অংশে আইসোলেশনে ইউনিটে এসি বিস্ফোরণ থেকে অগ্নিকান্ডের সূচনা হয়েছে।নিহতরা সবাই হাসপাতালের আইসােলেশন ইউনিটে করােনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি ছিলেন। নিচতলায় এসি বিস্ফোরণের পর আগুন লাগে।এদিকে, দি লাইফ সেভিং ফোর্স বাহিনীর (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন গনমাধ্যমকে বলেন, এখানে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ওইভাবে ছিল না। কিন্তু ইউনিটের কাছেই ফায়ার হাইড্রেন্ট ছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বোধ হয় ফায়ার হাইড্রেন্ট ব্যবহার করতে পারেনি।আগুনের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তদন্তের পর অগ্নিকান্ডের কারণ বলা যাবে।ফায়ার সার্ভিস পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিল্লুর রহমান  গনমাধ্যমকে বলেন, আগুনের খবর পেয়ে তাঁদের তিনটি ইউনিট হাসপাতালে যায়। মূল ভবনের বাইরে আলাদা জরুরি বিভাগে আগুন লাগে। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।তিনি আরো জানান, ওই আইসোলেশন ওয়ার্ডে ডাক্তার নার্সও ছিল। তারা দ্রুত অগ্নিকাণ্ডের সময় বের হয়ে গেলও রোগীরা বের হতে পারেনি। অগ্নিকাণ্ডের কারণে রোগিদের মৃত্যু হয়েছে।ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গুলশান জোনের সহকারী কমিশনার রফিকুল ইসলাম গনমাধ্যমকে বলেন, আমরা এখনও পর্যন্ত পাঁচ জন নিহতের তথ্য পেয়েছি। তারা করোনায় আক্রান্ত হয়ে ওই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।