বৃহস্পতিবার ২৮শে জানুয়ারি, ২০২১ ইং ১৪ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের প্লাজমা থেরাপি দেওয়া শুরু…

আপডেটঃ ৪:২৭ অপরাহ্ণ | মে ২৮, ২০২০

এস,এম,মনির হোসেন জীবন : রাজধানীর রাজারবাগস্থ বাংলাদেশ পুলিশ হাসপাতালে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) এ আক্রান্ত চিকিৎসাধীন দুই ক্রিটিক্যাল রোগীকে আজ থেকে প্লাজমা থেরাপি দেওয়া শুরু করা হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকা রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মনোয়ার হাসানাত গনমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।তিনি বলেন, যার ফলে তারা আগের চেয়ে এখন অনেকটা সুস্থ। পুলিশ হাসপাতাল প্লাজমায় করোনা রোগীদের ক্ষেত্রে উন্নতি দেখছেন। তাই করোনার ক্রিটিক্যাল রোগীর বাইরেও প্লাজমা থেরাপি দেওয়ার চিন্তা করছে হাসপাতালটি।ডা. মনোয়ার হাসানাত বলেন, করোনায় আক্রান্ত রোগীদের প্লাজমা থেরাপিতে চিকিৎসা দেওয়ার পুরো প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে পুলিশ হাসপাতাল। হাসপাতালে প্লাজমা থেরাপির মেশিন বসানো হয়েছে। ক্রিটিক্যাল রোগীদের জন্য প্লাজমা সংগ্রহ করা হচ্ছে। ডোনার হিসেবে সুস্থ হওয়া পুলিশ সদস্যদেরকেই পাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি দুই রোগীর প্লাজমা থেরাপির ব্যবস্থা করি। তাদের বেশ উন্নতি দেখেছি। তাদের ভেন্টিলেটর ছাড়াই অক্সিজেন গ্রহণের ক্ষমতা বাড়তে দেখা গেছে। যেটা করোনার রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের এই কর্মকর্তা বলেন, এতোদিন যাবৎ আক্রান্ত ৪ হাজারের অধিক সদস্যের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১২৮০ জন। কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল ও এর তত্ত্বাবধানে ইমপালস হাসপাতালে মোট ১১১৯ করোনা রোগী চিকিৎসাধীন। এই ১১১৯ জনের মধ্যে সবচেয়ে ক্রিটিক্যাল ও ভেন্টিলেশনে থাকা দুই রোগীকে নতুন করে প্লাজমা দেওয়া হয়েছে। তাদের অবস্থা অবজার্ভ করা হচ্ছে।ডা. মনোয়ার হাসানাত  বলেন, তুলনামূলক কম অসুস্থ করোনা আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদেরও খুব সহসায় আমরা প্লাজমা থেরাপিতে চিকিৎসা শুরু করবো।এদিকে,করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য আর জীবন দিয়েছেন ১৪ জন।অপর দিকে,  পুলিশের আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদের নির্দেশে পুলিশ সদস্যদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি কমাতে বিভিন্ন ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ কারণে একদিকে পুলিশ আক্রান্তের হার যেমন ক্রমান্বয়ে কমছে, তেমনি দ্রুততার সঙ্গে বাড়ছে সুস্থতার হারও।উল্লেখ্য, মানুষের রক্তের জলীয় অংশকে বলা হয় প্লাজমা। রক্তে প্লাজমা থাকে ৫৫ ভাগ। করোনা জয়ীর অ্যান্টিবডি থাকে রক্তের প্লাজমায়।