বুধবার ২৫শে নভেম্বর, ২০২০ ইং ১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

হাতিরঝিলে ১৫টি ওয়াটার ট্যাক্সি চলাচলের জন্য ঘাট ও টিকিট কাউন্টার প্রস্তুত করা হচেছ

আপডেটঃ ৮:১৭ অপরাহ্ণ | মে ২৯, ২০২০

এস,এম,মনির হোসেন জীবন : করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে চলমান সাধারণ ছুটি আর না বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সীমিতভাবে গণপরিবহন (বাস, নৌযান ও ট্রেন) আগামী রোববার থেকে চালু হতে যাচ্ছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সীমিত সংখ্যক যাত্রী নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সড়কে গণপরিবহন চলাচল করতে পারবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাত্রীবাহী নৌযান ও ট্রেনও চলাচল করবে।এলক্ষে রাজধানীর হাতিরঝিলে ১৫টি ওয়াটার ট্যাক্সি চলাচলের জন্য প্রস্তুত করা হচেছ। ইতোমধ্যে টিকিট কাউন্টার থেকে শুরু করে ঘাটে যাত্রীদের উঠানামার স্থানসহ পুরো জায়গায় ধোয়া-মোছার কাজ শুরু করা হয়েছে।আজ শুক্রবার গুলশান সংলগ্ন গুদারাঘাট ও হাতিরঝিল ঘুরে ও ওয়াটার ট্যাক্সি পরিচ্ছন্নতার কাজে নিয়োজিত কর্মীদের সাথে আলাপকালে এসব তথ্য জানা গেছে।এদিকে, আজ  গুলশান গুদারাঘাট ওয়াটার ট্যাক্সি ঘাটের কর্মী শহিদুল ইসলাম গনমাধ্যমকে বলেন, শুক্রবার সকালে আমিও আমার পরিচ্ছন্নকর্মী মিলে ওয়াটার ট্যাক্সির সবগুলো ঘাট ধুয়ে-মুছে পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু করেছি। যাত্রী চলাচলের জন্য সার্বিকভাবে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। অন্যসব গণপরিবহন চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওয়াটার ট্যাক্সিও চলাচলা শুরু হবে।ঘাটের কয়েকজন কর্মী ও স্থানীয় লোকজন জানান, ওয়ারটার ট্যাক্সি সার্ভিসটি চালু হওয়ার পর থেকে গুদারঘাট-রামপুরা ব্রিজ-এফডিসি-এবং পুলিশ প্লাজার ঘাটের মধ্যে চলাচল করে ওয়াটার ট্যাক্সিগুলো। সেখানে রামপুরা ব্রিজ সংলগ্ন ঘাট থেকে গুলশান-১ নম্বর গুদারাঘাট পর্যন্ত ২৫ টাকা, এফডিসি মোড় সংলগ্ন ঘাট পর্যন্ত ৩০ টাকা, পুলিশ প্লাজা পর্যন্ত ১৫ টাকা ভাড়ায় যাত্রীরা যাতায়াত করতেন।এদিকে, ইতোপূর্বে হাতিরঝিলে ১৫টি ওয়াটার ট্যাক্সি চলাচল করত।তখন ভোর ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত যাত্রীদের ভিড় ছিল। দেশে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে দেশে চলমান সাধারণ ছুটিতে অন্য সব যানবাহনের পাশাপাশি হাতিরঝিলের ওয়াটার ট্যাক্সি চলাচলও বন্ধ রয়েছে। সবশেষ সরকারের নির্দেশক্রমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে, স্বল্প সংখ্যক যাত্রী নিয়ে আগামী রোববার থেকে সীমিতআকারে গণপরিবহন চলবে। সেক্ষেত্রে গণপরিবহন চালালে ঠাসাঠাসি করে চালানো যাবে না; সামাজিক দূরত্ব মেনেই চালাতে হবে। এক্ষেত্রে যাত্রীদের মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে। এগুলো নিশ্চিত করেই মালিকদের গণপরিবহন চালানোর অনুমতি দেয়া হয়েছে।