সোমবার ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং ১৩ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

রাজধানীর বংশাল ও কেরানীগঞ্জ থেকে ৩৫ লাখ টাকার জালনোট ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদিসহ তিনজন গ্রেফতার…

আপডেটঃ ২:৫২ অপরাহ্ণ | জুলাই ১৯, ২০২০

এস,এম,মনির হোসেন জীবন :  রাজধানীর বংশাল ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ  পৃথক দু’টি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩৫ লাখ টাকার জাল নোট ও জাল টাকা  তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদিসহ  সংঘবদ্ধ চক্রের প্রতারক-জালিয়াতি চক্রের তিনজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগ ।গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মোঃ আলম হোসেন (২৮), মোঃ সাইফুল ইসলাম ওরফে লামু (৩২) ও মোঃ রুবেল (২৮)। শনিবার  রাজধানীর বংশাল ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা এলাকা পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।আজ রোববার গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মধুসূদন দাস  গনমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, এসময় তাদের নিকট থেকে বাংলাদেশী ১০০০ ও ৫০০ টাকা নোটের ৩৫ লাখ জাল টাকা ও জাল টাকা তৈরির সরঞ্জামাদি  ল্যাপটপ,  লেমিনিটিং মেশিন, ২টি কালার প্রিন্টারসহ বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।মধুসূদন দাস আরও বলেন, বংশাল থানার শহীদ নজরুল ইসলাম স্মরণীর সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের সামনে বাংলাদেশী জাল টাকাসহ কতিপয় ব্যক্তি অবস্থান করছে  এমন তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার বিকেল ৫টার দিকে সেখানে অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশ। এসময় ৩ লাখ টাকার জাল নোট সহ  মোঃ আলম হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।  জিজ্ঞাসাবাদে আলম স্বীকার করে তার অপর দুই সহযোগী দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার কালিগঞ্জ পূর্বপাড়ার শহীদ বেলায়েত রোডের একটি বাসায় অবস্থান করছেন এবং তারা সেখানে বাংলাদেশী জাল টাকা তৈরি করে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেফতারকৃত আলমকে নিয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ঐ বাসায় গিয়ে দলনেতা মোঃ সাইফুল ইসলাম ওরফে লামু ও মোঃ রুবেলকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় ঐ বাসা থেকে ৩২ লাখ বাংলাদেশী জাল টাকা ও জাল টাকা তৈরির সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্য সম্পর্কে এসি মধুসূদন দাস গনমাধ্যমকে বলেন, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এই চক্রটি জালনোট তৈরি করে আসছিলো। কোরবানির পশুর হাট, শপিংমল ও অন্যান্য আর্থিক লেনদেনের সময় কৌশলে বাজারে জাল নোট ছেড়ে দেয় এই চক্রের সদস্যরা। এ কাজে তারা সহযোগি হিসেবে সহায়তা নেয় হাবিব মোল্যা, জিবন, মজিবুর ও রানা নামের চার ব্যক্তির কাছ থেকে। পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, ধৃত ব্যক্তিসহ তাদের সহযোগিদের বিরুদ্ধে জালনোটের ব্যবসা করার অভিযোগে মামলাও রয়েছে। ইতোপূর্বে তারা  ডিবি লালবাগ টিমের হাতে গ্রেফতার হয়ে কোট থেকে জামিনে বের হয়ে  পুনরায় জালটাকার ব্যবসায় নিয়োজিত হয়।এ বিষয়ে রাজধানীর বংশাল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।