বুধবার ২৫শে নভেম্বর, ২০২০ ইং ১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

রাজধানীতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চোর ছিনতাইকারী থাবা বাজ চক্র গুলো…….

আপডেটঃ ৩:১০ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ১২, ২০২০

মোঃ সাইফুল ইসলাম (একা)-: রাজধানীতে আবারো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ছিনতাইকারী, পকেট মার সহ বাসাবাড়ির ঘিরিল কাটা ও থাবা বাজ চক্র। হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে ছিনতাই। চলতি মাসের প্রথম ১১ দিনে পকেট মার সহ ছিনতাইয়ের ১৫টি  ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাইকারীরা প্রকাশ্য দিবালোকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আহত সহ ব্লেটের সাহায্যে পকেট কেটে ঘটনা ঘটিয়ে লুটপাট চালাচ্ছে। এরা এতটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে এখন রাস্তাঘাটে নয় যাত্রীবাহী বাসে, রাস্তায় গাড়ী থামিয়ে ধারালো অস্ত্রের মুখে  টাকা-পয়সা, স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নিচ্ছে। শুধু রাতের বেলাতেই নয়, দিনের আলোতেও সমানতালে ছিনতাই হচ্ছে। এসব ছিনতাইয়ের মামলা হয় না বিধায় পুলিশের কাছে প্রকৃত পরিসংখ্যানও নেই। এদিকে ছিনতাইয়ের সাথে যুক্ত থাকার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন লোকাল বাসের কিছু  চালক ও হেলপারের বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার রাত আনুমানিক ৯:৩৫ রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর ময়মনসিংহ থেকে আসা দুই কাপড় ব্যবসায়ীর এক লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনা ঘটেছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান রাজধানীর এয়ারপোর্ট হইতে গাজীপুরের চৌরাস্তা পর্যন্ত নামে বেনামে অসংখ্য পকেট মার, টানা পাটি,ও  ছিনতাইকারী চক্র রয়েছে, আর ছিনতাইকৃত সকল পণ্য কেনার জন্য। টঈী ব্যাংকের মাঠের মোঃ জামাল (২৮) নামক ব্যক্তির ইশারায় গ্রুপে চলে পুরো উত্তরা। এখানে রয়েছে পকেট মাইর মোঃ শকত (৪০)মোঃমিলন (৩৫) হাজী জুয়েল (৫৫) মোঃমিজান  (৩৬)বাবলা (২৯) মোঃ রনি মোঃ ডলার মিন্টু মোঃ নাদিম মোঃ আনিস।  গলা কাটা মইন্না, গলাকাটা ছোটো,  নাইম, জিকু। এছাড়াও সি এনজির হুট কেটে চলন্ত বাসে, থাবা বাজ গ্রুপের মোঃ সাওন ও মোঃ মিজান টঈী আরিচপুরের গ্রুপে রয়েছে বড় সাওন (২৫) খাটো এমরান(২৬) ছোটো শাওন (২১)  রিপন (৩২)  রুবেল (২৮) মনির (৩২) শুক্কুর (২৪) কোরবান (২২) শপন (২৪).ঘিরিল কাটা  শরিফ সহ রমজান ও  কাল্লু। বিভিন্ন সময় প্রশাসনের কর্মকর্তারা এদের ধরে মামলা দিয়ে চালান দিলেও  কয়েকদিন পর জেল থেকে ছাড়া পেয়ে আবারো একই কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ে। দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে, জনগণের আস্থার পরিবর্তে একশ্রেণীর পুলিশ জনগণের কাছে মূর্তিমান আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে পুলিশের অবস্থান এবং তাদের কর্মকান্ড- নতুন করে পর্যালোচনার দাবি রাখে। পুলিশ যাতে জনগণের আস্থায় পরিণত হতে পারে সেজন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া দরকার। রাতে ঢাকা শহরজুড়ে  পাহারা থাকে, অথচ রাতেই তা অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। ব্যাপারটি কেন এবং কি কারণে ঘটছে বা ঘটতে পারছে অবশ্যই তা খতিয়ে দেখা দরকার। নাগরিক নিরাপত্তার বিবেচনা থেকে সংশ্লিষ্টরা বিষয়টি খতিয়ে দেখে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন, এটাই প্রত্যাশিত।