শনিবার ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

টঙ্গী শহর সমাজ সেবা অধিদপ্তরে দুর্নীতির অভিযোগ…

আপডেটঃ ২:০৩ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক-: চ্যানেল সেভেন – দীর্ঘদিন যাবৎ আমান উল্লাহ বয়স্ক বিধাব ও সুস্থ ভালো মানুষকে প্রতিবন্ধী পরিচয়ে প্রতিবন্ধী ভাতা বই করিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশ হলেও বিএনপি জামাত পন্থি আমান উল্লাহ এমপি, মন্ত্রিদের. নাম ভাঙ্গিয়ে অসাধু উপায়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ এর দুর্নীতি করেই যাচ্ছে। জানা গেছে, বিগত বছরগুলোতে কখনও ৯০০ থেকে ১০০০ হাজারের বেশি ভাতা বই কখনও পাশ করেনি, কিন্তু ২০১৯/২০ অর্থ বছরে ২০০০ হাজারেরও বেশি প্রতিবন্ধী ভাতা, বয়স্ক ভাতা বই নিজ স্বাক্ষর সম্বলিত পাশ করিয়েছেন এই অসাধু কর্মকর্তা। যা কিনা প্রায় দুর্নীতি, অনিয়ম ও নিয়ম বহির্ভূত। আরও জানা গেছে, প্রতিবন্ধীদের জরিপ থাকলেও বছরের পর বছর উৎকোচ না দেয়ায় হয়রানি করা হচ্ছে প্রকৃত প্রতিবন্ধীদেরকে। অন্যদিকে জরিপ ছাড়াই ভাল ও সুস্থ মানুষদের প্রতিবন্ধী বানিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা। যদিও টঙ্গী অঞ্চলে অন্য কোন অঞ্চল বা জেলা-উপজেলার মানুষদের ভাতা বই করার নিয়ম নেই, তবুও অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা নেছার, সালাম, সালাউদ্দিনরা উৎকোচের বিনিময়ে খোরশেদ, শফি, তাছলিমা, রোকসানা, তাওহিদ, নারগিস, শরিফা, রুবিনা, মোন্তাজ, মোহরজান, রাজিয়া, শামসু, নুরজাহান, দুর্জয়দত্তসহ শতাধিক মানুষকে জরিপ না করেই ভাতা বই তৈরী করে দিয়েছে। প্রতিটি বই থেকে ৯,০০০ টাকা করে উত্তোলন করে ইচ্ছেমত উৎকোচ আদায় করছেন এই অসাধু কর্মকর্তারা। ভুক্তভোগী সুফিয়া বেগম একাউন্ট নাম্বার ০১২৫৫০১০২১৮৯৪ ও ভুক্তভোগী মোমেনা খাতুন একাউন্ট নাম্বার ০১২৫৫০১০২১৮৯৭ তারা জানান, আমরা টঙ্গী শহর সমাজ সেবা অফিস থেকে ভাতা বই পাওয়ার পর টঙ্গী সোনালী ব্যাংক হতে টাকা উত্তোলন করে জানতে পারি আমাদের বয়স্ক ভাতা নয় প্রতিবন্ধী ভাতা দেয়া হচ্ছে। কিন্তু আমরা তো প্রতিবন্ধী না, আমাদেরকে কেন প্রতিবন্ধী বানিয়ে দেয়া হল? আমরা বয়স্ক ভাতা চাই ও বয়স্ক ভাতা বই চাই। এ বিষয়ে শহর সমাজ সেবা অফিসের আমান উল্লাহর কাছে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানে না বলে এড়িয়ে যান।