মঙ্গলবার ১৫ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১লা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

পল্লবীর কালশী খিচুড়ি পট্রি বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রনে …

আপডেটঃ ৭:২৯ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ২১, ২০২০

এস,এম,মনির হোসেন জীবন : রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী থানার কালশী  খিচুড়ি পট্রি বস্তিতে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রনে এসেছে। অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ৬টি ইউনিটের কর্মীরা প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।এতে করে আগুনে ওই বস্তির  ছোট বড় প্রায় শতাধিক বস্তি ঘর, বিভিন্ন দোকানপাট ও মালামাল আগুনে ভস্মীভূত হয়েছে।আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর পল্লবী থানার কালশী নাভানা টাওয়ারের পেছনে কালশী খিচুড়ি পট্রি বস্তিতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরের ডিউটি অফিসার নাজমা আক্তার আজ সোমবার বিকেলে  আগুন লাগার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি  বলেন, আজ সোমবার দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটের দিকে পল্লবী থানার কালশী নাভানা টাওয়ারের পেছনে কালশী খিচুড়ি পট্রি বস্তিতে এ  আগুনের সূত্রপাত হয়।  খবর পেয়ে ফায়ায়ার সার্ভিসের মিরপুর, তেজগাঁও ও কুর্মিটোলা থেকে মোট ছয়টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনার কাজ শুরু করে। ৩টা ৩ মিনিটের সময় ওই আগুন নিয়ন্ত্রনে আনা হয়। আগুন সম্পূর্ণ ভাবে নির্বাপন করার জন্য বিকেল ৫টা ২০ মিনিট পর্যন্ত ড্যাম্টিংয়ের কাজ চলছে।ফাইনাল রিপোর্ট পাওয়ার পর এবিষয়ে বিস্তারিত  জানানো যাবে। তবে, ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিক ভাবে কোন কিছু জানাতে পারেননি।এটা তদন্ত সাপেক্ষ বলা যাবে।এতে হতাহতের কোন ঘটনা ঘটেনি বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের ডিউটিরত এ কর্মকর্তা।প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচেছ, বস্তির ভেতরে রান্না ঘরের চুলা,বৈদুতিক গোলযোগ কিংবা সিগারেটের আগুন থেকে অগ্নিকান্ডের সুত্রপাত হতে পারে।এদিকে, কালশী বস্তির বাসিন্দা ছোটন ও রাসেল জানান , অগ্নিকাণ্ডের পর ওই বস্তির কয়েকশত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এসময় বস্তিতে থানা আসবারপত্র ও অন্যান্য মালামাল আগুনে ভস্মীভূত হয়।বস্তির বাসিন্দা সুমি ও রহিমা বেগম জানান, গতমাসে ও এ বস্তিতে  আগুন লাগে,আজ ও আবার দ্বিতীয় দফায় আগুন লেগেছে। এসময় তিনি সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছেন বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।এবিষয়ে ডিএমপি’র মিরপুর পল্লবী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী ওয়াজেদ আলী জানান, আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে থানা পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এসময় আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের সাথে তারা সমন্বিতভাবে কাজ শুরু করে‌ এবং আগুন নিয়ন্ত্রনে আনা হয়েছে।এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোন খবর পাওয়া যায়নি।