মঙ্গলবার ১৫ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১লা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

মদনে ধর্ষন মামলা…

আপডেটঃ ৭:১৬ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ২৩, ২০২০

হাবিবুর রহমান, মদন, নেত্রকোণা-নেত্রকোণা জেলার মদন থানা ৫নং ইউনিয়নের রুহুলী গ্রামের আব্দুল মান্নান বাদী হয়ে মদন থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ৫নং মাঘান ইউনিয়নের হাবিবুর রহমানের ছেলে (২২) একই গ্রামের আব্দুল মন্নাফের মেয়ে আছমা (১৮) দীর্ঘদিন ধরে তাদের প্রেম-ভালবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠে। একপর্যায়ে প্রেমিক মামুন তার প্রেমিকা আছমাকে বিবাহের আশ্বাস দেন। মামলার সূত্রে জানা যায়, প্রেমিক মামুন ২০/১২/২০২০ইং তারিখ রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে ১ম পর্যায় মুঠোফোনে যোগাযোগ করে প্রেমিক আছমাকে প্রলোভন ও কৌশলে রাতে বসতঘর থেকে তাদের রান্না ঘরে নিয়ে আসে। মামুন আছমাকে নিয়ে এসে ধর্ষণ করে চলে যায়।
২য় পর্যায় প্রেমিক মামুন ২১/১২/২০২০ দিবাগত রাতে ৩টার সময় মুঠোফোনে কলেবলে কৌশলে ঐ রান্নাঘরে নিয়ে আসে ভিকটিম আছমাকে ধর্ষণ করার উদ্দেশ্যে। এসময় আছমার পরিবার ঘটনাটি টের পেয়ে যায়। টের পেয়ে আছমার বাবা ও ভাই নিভানো বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালিয়ে তাদের রান্না ঘরে যায়। গিয়ে মামুন ও আছমাকে একত্রে পায়। আছমার বাবার কথা শুনে এলাকার লোকজন বেড়িয়ে এসে মামুন ও আছমাকে একত্রে আটক করে। আটকের সংবাদ পেয়ে ধর্ষণকারী মামুনের বাবা হাবিবুর রহমান ও সবুর মিয়া আছমার পরিবারকে বলে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করবে এই বলে তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আছমার বাবা বিবাহের কথা জানতে চাইলে অস্বীকৃতি জানায় ধর্ষণকারী মামুন। এ ব্যাপারে আছমার বাবা বাদী হয়ে ৩জনকে আসামী করে একটি ধর্ষণ মামলা করেন। মামলা নং- ১১। এ ব্যাপারে মদন থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদুজ্জামানের সাথে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, থানায় মামলা হয়েছে। তদন্ত চলছে এবং ভিকটিমকে ধর্ষণের আলামতের জন্য নেত্রকোণা মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়েছে।