বুধবার ৩রা মার্চ, ২০২১ ইং ১৮ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট জনস্বার্থে কিছুদাবী বাস্তবায়নের জন্য ৭১’এর রনাঙ্গণের একজন দেশ প্রেমিক বীর মুক্তিযোদ্ধার আকুল আবেদন…..

আপডেটঃ ৮:৪১ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট জনস্বার্থে কিছুদাবী বাস্তবায়নের জন্য ৭১’এর রনাঙ্গণের একজন দেশ প্রেমিক বীর মুক্তিযোদ্ধার আকুল আবেদন।

প্রিয় মহোদয়,

সন্মান পূর্ব্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আপনি আধুনিক ও ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। বিজ্ঞানভিত্তিক এদেশকে গড়ে তুলতে আপনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় একের পর এক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন হতে চলেছে। একজন কৃষক, দিনমজুর খেকে শুরু করে গৃহহীন, তৃতীয় লিংগের অসহায়ত্বের চিত্রও আপনার নজর এড়াতে পারেনি। পৃথিবীর উন্নত দেশের সাথে তাল মিলিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি আপনার পরিকল্পনায় ও মেধার বিকাশে বাংলাদেশ প্রবেশ করেছে পারমাণবিক বিশ্বে এবং স্থান করে নিয়েছে মহাকাশে। আপনার সময়োপযোগী সািঠক নেতৃত্বে আমরা আজ গর্বিত, উচ্ছসিত এবং প্রশংসিত। সেই আলোকে ঢাকা ১৮ আসনের কতিপয় এলাকার সমস্যা সমাধানে আপনার দৃষ্টি ও হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

ঢাকার হজরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর থানা, খিলক্ষেত থানা, দক্ষিনখান থানা এবং উত্তরখান থানা এলাকা সম্প্রতি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনার কারণে জনবহুল ঘনবসতি এলাকায় রূপান্তরিত হয়েছে। বিশেষ করে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রেলগেটের পূর্বপাশে রয়েছে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান সরকারি কলেজ, উত্তরখান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। র‌্যাব কার্যালয়, হজ্জক্যাম্প, আনসার ক্যাম্প, শিল্প প্রতিষ্ঠান সহ আরো বহু প্রতিষ্ঠান। তদ্রুপ খিলক্ষেত, কাওলার, হাজী ক্যাম্প, সেকেন্দার মার্কেট, আজমপুর, কোডবাড়ি রেলগেট পূর্ব এলাকার আশপাশে অগনিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান থাকায় অত্র এলাকায় লক্ষ লক্ষ লোকের বসবাস গড়ে উঠেছে। ইতি মধ্যে রেলযান বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিদিন সকালে হাজার হাজার মানুষ তাদের কর্মস্থলে যেতে রেলগেট পারা পার হতে দুর্ঘটনা ও বিরম্বনার শিকার হচ্ছে। এমতাবস্থায় জনগনের দূর্ভোগ ও দুর্দশা লাগব এবং সময়কে জয় করার জন্য কয়েকটি জায়গায় ফ্লাইওভার ও আন্ডার পাস নির্মান করা অত্যান্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

বাস্তবায়নের জন্য দাবীগুলি হচ্ছেঃ-

১) কোডবাড়ি রেলগেট এর উপর ফ্লাইওভার নির্মান ২) আাজমপুর রেলগেট এর উপর ফ্লাইওভার নির্মান ৩) সেকান্দর মার্কেট রেলগেট এর উপর ফ্লাইওভার নির্মান ৪) বিমানবন্দর রেলগেট এর উপর ফ্লাইওভার নির্মান এবং আন্ডারপাস নির্মান ৫) কাওলার রেলগেট এর উপর ফ্লাই ওভার নির্মান ৬) খিলক্ষেত রেলগেট এর উপর ফ্লাইওভার এবং আন্ডারপাস নির্মান ৭) কাচঁকুড়া হতে ভাতুরিয়া বড়কাউ পূর্বাচল পর্যন্ত বালু নদীতে ব্রীজ নির্মান। ৮) হরিরামপুর, উত্তরখান, দক্ষিনখান এবং ডুমনি ইউনিয়নের রাস্তাঘাট এবং ৬ফুট ডায়া সূয়ারেজ লাইন র্নিমান ও উন্নয়ন একান্ত জরুরী । উল্লেখ্য যে, গত ১২ বৎসরে ঢাকা ১৮ আসনে ৩টি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যথাঃ- ১) জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান সরকারি কলেজ ২) বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ৩) উত্তরখান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। উত্তরায় ১টি কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল ব্যতিত কোন উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয় নাই। অত্র অঞ্চলের জনগনের দাবি মোট ১৪টি ওয়ার্ড। প্রতি ওয়ার্ডে ১টি সরকারি হাসপাতাল ১টি সরকারি কমিউনিটি সেন্টার ১টি সরকারি মার্কেট ১টি খেলার মাঠ, ১টি শিশুপার্ক, ১টি গনকবরস্থান, ১টি কেন্দ্রীয় মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠ র্নিমান করা জরুরী।

খাল খননঃ-

১) উত্তরখান, চামুরখান কালবার্ট থেকে সিনোটির খাল পর্যন্ত ৫০ ফুট প্রসস্থ্য খাল খনন। ২) দক্ষিনখান আশকোনা হাজী ক্যাম্প হইতে সিনোটির খাল পর্যন্ত ৫০ ফুট প্রসস্থ্য খাল খনন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এই অঞ্চলের জনগনের র্দীঘ দিনের প্রতাশা নিম্নন উল্লেখিত ৬টি রাস্তা যথাঃ- ১) আবদুল্যাপুর মহাসড়ক হইতে মৈনারটেক হইয়ে নাগরি বাইপাছ পর্যন্ত। ২) উত্তরা আজমপুর হইতে উত্তরখান হয়ে চামুরখান পর্যন্ত। ৩) সেকান্দার র্মাকেট রেলগেইট হইতে দক্ষিণখান, কাচঁকুড়া হয়ে বাতুরিয়া বালু নদী পর্যন্ত। ৪) আশকোনা হাজীক্যাম্প হইতে দক্ষিণখান, সোনারখোলা, বাওথার সিনটির খাল পর্যন্ত ৫) খিলক্ষেত হইতে বরুয়া হয়ে ডুমনি, পাতিরা নদীর ব্রীজ পর্যন্ত। ৬) তুরাগ থানার হরিরামপুর কামারপাড়ার রাস্তা এবং বাউনিয়া রাস্তাটি ৬০ থেকে ৮০ ফুট প্রসস্থ্য করা অত্যান্ত জরুরী হয়ে পড়েছে।

উল্লেখিত রাস্তা গুলি জনগনের চাহিদা অনুযায়ী বাস্তবায়ন করা হলে উত্তরা শহরের মত রুপনিবে, আপনার স্বপ্ন তথা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবর রহমানের সোনার বাংলায় রুপান্তরিত হবে। এ অঞ্চলের জনগন সাড়া জীবন আপনাকে উৎফুল্য চিত্তে স্বরন করবে।

উপর্যুক্ত রেলগেটের উপর ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস,বালু নদীর উপর ব্রীজ নির্মান হলে পূর্বাঞ্চলের সাথে যোগযোগ তরাম্বিত হবে ফলে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও বহুতল বাড়িঘর গড়ে উঠবে এবং কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।

অতএব, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি দেশের, জনগনের এবং আমাদের অভিভাবক Mother of Humanity। আপনার নির্দেশে এবং হস্তক্ষেপে দেশের সবত্রই অভূতপূর্ব উন্নয়ন হচ্ছে, আপনার নিকট বিনয়ের সাথে আমার আকুল আবেদন, উপর্যুক্ত এই গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় লক্ষ লক্ষ বসবাসকারি জনগনের অবর্ণনীয় দূঃখ কষ্টের কথা বিবেচনা করে সমস্যাগুলোর সমাধানকল্পে উপরে বর্ণিত স্থানগুলোতে ফ্লাইওভার, আন্ডার পাস, ব্রীজ, রাস্তাঘাট, সুয়ারেজ খাল খনন দ্রুত বাস্তবায়নের ব্যবস্থা গ্রহন করে অশেষ কল্যাণ সাধন করতে মহা মহিমের আজ্ঞা কামনা করছি।

বিনীত নিবেদক
আপনার স্নেহের

বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এস. এম. তোফাজ্জল হোসেন
মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক,ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ।
সাবেক বন ও পরিবেশ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ।
সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, বৃহত্তর উত্তরা থানা আওয়ামী লীগ ।
সাবেক চেয়ারম্যান, দক্ষিনখান আদর্শ ইউনিয়ন পরিষদ।

Share this: