মঙ্গলবার ১১ই মে, ২০২১ ইং ২৮শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

Ad

সর্বশেষঃ

শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে কর্মকর্তাগণ তৌহিদুল ইসলাম হৃদয়ের কাছে জিম্মি….

আপডেটঃ ১১:০৩ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১

ক্ষমতার অপব্যবহার করে টঙ্গী হাসপাতালের ডাক্তারদের সখ্যতা নিয়ে অভিযোগ উঠিয়ে নেয়ার জন্য, মামলার বাদীনিকে হয়রানি…….

বিশেষ প্রতিনিধি: -: বিভিন্ন গণমাধ্যম পত্রিকায়, শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে, আউটসোর্সিং এর লোকদের নৈরাজ্য নিয়ে, অনেক লেখালেখি হলে তৌহিদুল ইসলাম হৃদয়, ও হাসপাতালের অন্যান্য ডাক্তারসহ কর্তৃপক্ষ গণ  নড়েচড়ে বসেন। ভুক্তভোগী রেনু বেগম জানান ,আজ সকাল 10 টায়, হৃদয় সহ হাসপাতালে কয়েকজন ডাক্তারগণ মিলে, জোরপূর্বক চাপ সৃষ্টি করে টঙ্গী পূর্ব থানা দায়ের কৃত অভিযোগ উঠিয়ে  নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে, সূত্র হতে জানা যায় যে, এক মাস 14 দিন আগে, হোন্ডা হারিয়ে যাওয়ার নাটক সাজিয়ে, আউটসোর্সিংয়ের মাসুদ রানা, টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি  জিডি করলে, 10 তারিখে।পুনরায় 11 ই জানুয়ারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে আর একটি লিখিত আপস নামা দেয়, হোন্ডার ফেরত পাওয়ার, 12 তারিখ।13 তারিখ সকালে তৌহিদুল ইসলাম হৃদয় আউটসোর্সিং মাসুদ রানা র নাটক কে কেন্দ্র করে, রেনুজা বেগম রেনুর  কাছ থেকে, ফ্যামিলি প্ল্যানিংয়ের মেহেরুন নেছার মাধ্যমে, 1 লক্ষ 20 হাজার টাকা হাতিয়ে নেন, যার প্রেক্ষিতে 13 তারিখের রেনুজা বেগম, টঙ্গী পূর্ব থানায়  একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন, ওইখানে হৃদয় এক নম্বর অভিযুক্ত আসামি। মাসুদ রানা 2 নম্বর। এক মাস 14 দিন পার হয়ে গেল ও এতদিন সাড়া দেয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, 27 ,2 ,2021 সকাল দশটায় অতর্কিত ভাবে রেণু, রেণু ছেলে বাবু কে,  জিম্মি করে কাউকে না জানিয়ে, হৃদয়, ডাক্তার মাসুদ রানা, জোর করে চাপ সৃষ্টি করে রেনু বেগম এর কাছ থেকে লিখিত স্বাক্ষর চান,স্বাক্ষর না করায় রেনু ও রেনুর ছেলেকে রেপ দিয়ে ধরে নেওয়ার হুমকি দেয় হৃদয়। তবে এ বিষয়ে হাসপাতালের আরএমও, ডাক্তার মোঃ পারভেজ হোসেন, কিছু জানে না বলে জানান।মামলার অভিযুক্ত দুই নং আসামী, মাসুদ রানা ঘটনাস্থল ছিলেন না তিনি ঢাকায় ছিলেন বলে জানান। টঙ্গী পূর্ব থানা অভিযোগের আয়ু, এসআই রাজিব হোসেন এর কাছে জানতে চাইলে, তিনিও কিছু জানেন না বলে জানান। ডঃ মাসুদ রানা জানান, কর্তব্যরত অবস্থায় তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার জাহাঙ্গীর আলমের রুমে থাকা অবস্থায়, রেনুজা বেগম কে তিনি বলেন ,মামলা টা উঠিয়ে নিলে ভালো হয়, তা না হলে আপনাদের মামলা আপনারা চালিয়ে যান। উপরোক্ত 1,20,000 টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য, বিভিন্ন কায়দায় ওই টাকা ফেরত না দিয়ে, তৌহিদুল ইসলাম হৃদয়, রেনুজা বেগম ও তার পরিবারের সদস্যদের কে জিম্মি করে  বিভিন্ন হয়রানি ও হুমকি দিয়ে যাচ্ছে, এ বিষয়ে সকল প্রশাসনের কাছে জোর দাবি,  রেনু বেগম সারা জীবনের সঞ্চিত, 3 লক্ষ 7000  হাজার  পেনশনের  টাকার,1 লক্ষ 20 হাজার টাকা হৃদয় হাতিয়ে নিয়েছে । ।ওই টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো মিথ্যা মামলা ও বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখিয়ে চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছে, এর বিচার সকল প্রশাসনের কাছে জানিয়েছেন তিনি।তবে এ বিষয়ে  তৌহিদুল ইসলাম হৃদয় মুঠোফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করলে তিনি কোনো কথা বলেন নি।