সোমবার ১০ই মে, ২০২১ ইং ২৭শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

Ad

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পল্লীতে বাড়ি-ঘরে হামলা, ভাংচুরের ঘটনায় ৬জন আহত…..

আপডেটঃ ১১:১৫ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২১

জিল্লুর রহমান রানা, গোবিন্দগঞ্জ গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পল্লীতে বাড়ি-ঘরে হামলা,ভাংচুরের ঘটনায় অন্তত ৬ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। হামলায় আহত আলম ব্যাপারী বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ থানায় গত শনিবার রাতে একটি এজাহার দায়ের করেন। শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের পুনতাইড় (উত্তরপাড়া) গ্রামে আলম ব্যাপারীদের গংদের বসতভিটায় ঘটনাটি ঘটে। ঘটনায় আহতদের স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করায়। গুরুতর আহত আলম বেপারীর স্ত্রী নার্গিসকে (৩৫) গুরুতর অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এছাড়া, আহত ব্যক্তিরা হলেনঃ আলম বেপারীর শাশুড়ী পার্শ্ববর্তী সাঘাটা উপজেলার “কামাল পাড়া” গ্রামের মৃত এনতাজ আলীর স্ত্রী অছিরন (৬০), পুনতাইড় গ্রামের আজাদুল বেপারীর স্ত্রী হেলেনা (৫০),একই গ্রামের হেলাল বেপারীর স্ত্রী ইতি বেগম (২৮), মৃত রহিম উদ্দিন বেপারীর ছেলে আজাদুল বেপারী (৬০) ও মৃত আকবর আলীর ছেলে আলম বেপারী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিপক্ষ একই গ্রামের মৃত ফারাজ উদ্দিন বেপারীর ছেলে নতু বেপারী (৬০) গংদের সাথে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসে। তারা ওই দ্বন্দ্বে আদালতের আশ্রয় নিয়ে একাধিক বার মামলা করে। এর মধ্যে “চার শতক” (৪) জমি নিয়ে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) এর আদালতে কেস নং-২১/২০১৩ (গাইবান্ধা) মামলায় আলম বেপারী গংরা রায় পায়। পরবর্তীতে গাইবান্ধা আদালতে ওই জমি নিয়ে আরো দুটি মামলা দায়ের হলে সেখানেও আলম বেপারী গংরা রায় পায়। ফলে তাদের দখলে থাকা ওই ৪ শতক জমি তারা ভোগদখল করতে থাকে।
এরই এক পর্যায়ে ঘরের প্রয়োজনে আলম বেপারী তার ভোগদখলীয় জমিতে নতুন টিনের ঘর তৈরির কাজ শুরু করে। ঘটনার দিন বিকাল ৩টার দিকে আসামী নতু বেপারী, জিল্লু, শফিক, রেজাউল,এনদা,জুয়েল, জহুরুল,মতিয়ার,স্বপ্না বেগম ও আলেমা বেগমদের সাথে অপরিচিত আরো ৫ থেকে ৭ জনকে নিয়ে দলবদ্ধ হইয়া আলম বেপারীর বসতভিটায় হামলা চালায়।
এসময় তারা বাড়ি-ঘরে ব্যাপক ভাংচুর করতে থাকে। তাদের বাঁধা দিতে আসলে তারা চিকিৎসাধীন জখমীদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে আহত করে। সেসময় আহতদের ডাক-চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এসে তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পাঠায়। এ ঘটনায় আলম বেপারী বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আফজাল হোসেন জানান,”মারামারির ঘটনায় একটি এজাহার থানায় জমা হয়েছে।” তদন্তকারী কর্মকর্তার সরেজমিন তদন্তের প্রতিবেদন সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”