সোমবার ১০ই মে, ২০২১ ইং ২৭শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

Ad

গাজিপুর কালিয়াকৈরের মূর্তিমান আতঙ্ক নরপিশাচ কাশেম কমিশনার

আপডেটঃ ১০:৫২ অপরাহ্ণ | মার্চ ০৩, ২০২১

এম. আনিসুর রহমান : গাজিপুরের কালিয়াকৈর ৬নং ওয়ার্ডের কাশেম কমিশনার মাদক-মানব পাচার, চাঁদাবাজি, অপহরণ বাণিজ্য ও দোকান দখল সবই চলে। গাজীপুর কালিয়াকৈরে সক্রিয় রয়েছে তার সংঘবদ্ধ ডাকাত দল। গাজীপুর শালবনে অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণ করে নরপিশাচ কাশেম কমিশনার। এই অঞ্চলের অপরাধের রাজ্যের সর্বশেষ নেতৃত্বে এখনো সে বিরাজমান। কালিয়াকৈরের মূর্তিমান আতঙ্ক নরপিশাচ কাশেম কমিশনার ডাকাতি ছাড়াও তারা সন্ত্রাসী বাহিনী অপহরণ, ছিনতাই, মাদক কারবারে জড়িত । কাশেম কমিশনারের সন্ত্রাস গ্রুপ মূর্তিমান এক আতঙ্কের নাম কাশেম কমিশনারসহ তার সহযোগীদের নামে ধর্ষণ, ডাকাতি, হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

গত  ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২১ শনিবার, প্রতিবন্ধী সমিতির টাকা আত্মসাদকারীর বিচারের দাবীতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার সামনে ঢাকা-টাঙ্গাইল বাইপাস সড়কে শনিবার দুপুরে মানববন্ধন করেন প্রতিবন্ধী সমিতি। কালিয়াকৈর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে চন্দ্রা আশার আলো প্রতিবন্ধী ভিক্ষুক সমিতির চার লক্ষ তেষট্টি হাজার (৪,৬৩,০০০) টাকা আত্মসাদের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনষ্ঠিত হয়েছে। এ মানবন্ধনে অংশগ্রহন করেন প্রতিবন্ধি ভিক্ষুক সমিতির শতাধীক সদস্য।

আশার আলো প্রতিবন্ধী সমিতির সভাপতি শহিদুর রহমান ভূইয়া মানববন্ধনে জানান, আমাদের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে একটি সেমিপাকা ঘর ছিল। রাস্তা প্রসস্থকরণের কারণে সেই ঘরটি ভাঙ্গা পড়ে। পরে ক্ষতিপূরণ হিসাবে রাস্তা কর্তৃপক্ষ আমাদের ৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকা বরাদ্দ দেন । পরে সেই টাকা কাশেম কমিশনার জালিয়াতি করে আত্মসাদ করেন।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এসময় মানববন্ধন আরো বক্তব্য রাখেন সংঘটনটির সেক্রেটারি আল- আমিন ও জয়েন সেক্রেটারি আব্দুল্লা আল কাফি এ সময় তারা অভিযুক্ত কমিশনার আবুল কাশেমের দ্রুত বিচার দাবি করেন।

দেশের যে কোনো সাধারণ মানুষের মতোই পোশাক তার। তবে চলাফেরা করেন বিলাসবহুল পাজেরো গাড়িতে। গাড়ির সামনে-পেছনে থাকে ৪০-৫০ জনের মোটরসাইকেলের বহর। আপনা আপনিই বুঝে নেয় লোকজন- আসছেন কমিশনার আবুল কাশেমের। সতর্ক হয়ে যান তারা। অথচ জনগণের ভোটে’ই কালিয়াকৈরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। এমন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নামে জয়দেবপুরসহ আশপাশের কয়েকটি থানায় রয়েছে খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা! অথচ নগরের রাস্তাঘাটের বিভিন্ন পোস্টার-ব্যানারে শীর্ষ পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতা ও পুলিশের মহাপরিদর্শকের পাশাপাশি তার ছবিও শোভা পাচ্ছে। গত শনি ও রোববার কালিয়াকৈরের রাস্তাঘাটে ঘুরে দেখা গেল সেসব ছবি, অনুসন্ধান করে জানা গেছে তার বিভিন্ন কীর্তি।

কাশেম কমিশনারের বাহিনী’তে রয়েছেন শফিকুল ইসলাম খান, এস এম ইউসুফ, শহিদুল ইসলাম মণ্ডল, জামাল খান, সোহরাব হোসেন, আবু রায়হান বাবু, মো. লুৎফর, সোহাগ, রকিবুল আলম রক্কুসহ অস্ত্রধারী অর্ধশত ক্যাডার। সাধারণ লোকের বক্তব্য, এরা মামুনের নির্দেশ পাওয়ার পরপরই হামলে পড়ে, সন্ত্রাস আর চাঁদাবাজি তো মামুলি ব্যাপার- খুন করতেও ভয় পায় না। মামলার কারণে এবং গ্রেফতার এড়াতে কাশেম কমিশনার এখন প্রকাশ্যে না এলেও ছদ্মবেশে প্রায়ই এলাকায় আসেন বলে জানান তারা। কাশেম কমিশনার  বাবা  ছিলেন গাজীপুরের সাইনবোর্ড এলাকার আয়রন স্টিল মিলের প্যাকিং শ্রমিক। কিন্তু কাউন্সিলর হওয়ার পর কাশেম কমিশনার প্রায় শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। কালিয়াকৈর, গাজীপুর বোর্ডবাজার, ভূসির মিল, হাজীর পুকুর, সাইনবোর্ড, মালেকের বাড়িসহ মহানগরের লক্ষাধিক মানুষ তার কাছে জিম্মি।

এ প্রসঙ্গে কালিয়াকৈর থানার ওসি প্রতিনিধিকে বলেন, কাশেম কমিশনার একাধিক মামলার আসামি। তিনি এখন পলাতক আছেন। তাকে গ্রেফতার করতে আমাদের পুলিশ কাজ করছে। একাধিক মামলার আসামি কীভাবে পুলিশের আইজিপির সঙ্গে ছবি তুলে পোস্টারিং করে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি জানার পর আমরা পোস্টার-ব্যানার তুলে ফেলেছি। হয়তো অনেক স্থান থেকে তুলতে পারিনি। অচিরেই সব তুলে ফেলা হবে।

কালিয়াকৈরের একটি গার্মেন্টন্স কারখানায়ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) করিম মিয়া বললেন, তার কাছে ২৫ লাখ টাকা চাঁদা চেয়েছিলেন কাশেম কমিশনার । সেই টাকা না দেওয়ায় গত ২০ ফেব্রুয়ারি তার কারখানায় হামলা চালিয়ে মেশিনপত্র ভাংচুর করা হয়, নিরাপত্তাকর্মীদের মারধর করা হয়। করিম মিয়া ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলেন, এ কারখানায় চারশতর বেশি শ্রমিক কাজ করছে। কিন্তু চাঁদা না দিলে নাকি কারখানা বন্ধ করে দেবে! কাশেম কমিশনার ভয়ে খুবই আতঙ্কে আছি আমরা। বাধ্য হয়ে থানায় জিডি ও  চাঁদাবাজির মামলা করেছি।

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বন বিভাগের জমি দখল করে ভবন সহ বেশ কিছু কাঁচা-পাকা স্থাপনা নির্মাণ করেছে কাশেম কমিশনার । বন বিভাগ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, কালিয়াকৈরে প্রায় সাড়ে ২১ হাজার একরের বেশি বন আছে। এ বনকে কালিয়াকৈর ও কাচিঘাটা দুটি রেঞ্জে ভাগ করা হয়েছে। দুটি রেঞ্জের আওতায় বোয়ালী, রঘুনাথপুর, খলশাজানি, জাথালিয়া, চন্দ্রা, মৌচাক, বাড়ৈপাড়া, কাশিমপুর, সাভার নামে নয়টি বিট অফিস আছে। এ ছাড়া ভান্নারা ও গোবিন্দপুর নামে আরও দুটি সাব-বিট অফিস আছে। এসব বনের জমি রাতারাতি দখল করে শিল্প-কারখানা, বহুতল ভবনসহ বহু কাঁচা-পাকা স্থাপনা গড়ে উঠছে। ফলে উজাড় হয়ে যাচ্ছে বন। বনের গাছ উজাড় ও জমি দখলের সঙ্গে বনদস্যু, ভূমিদস্যু কাশেম কমিশনার  জড়িত বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করে আসছেন।

সম্প্রতি কালিয়াকৈর ও কাচিঘাটা এ দুটি রেঞ্জের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কালিয়াকৈর রেঞ্জের চন্দ্রা বিট অফিসের আওতাধীন এলাকায় সবচেয়ে বেশি কারখানা, বহুতল ভবনসহ বিভিন্ন কাঁচা-পাকা স্থাপনা গড়ে উঠছে। গজারি বাগানসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে বনের জমিতে এসব কাঁচা-পাকা স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। চন্দ্রা বিট অফিসের কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অফিসের আওতায় হরতকিচালা গ্রামের এক ব্যক্তি ৩০ হাত লম্বা একটি চারচালা ঘর তুলে ভিটা পাকা করছেন। চন্দ্রার কালামপুর এলাকায় শিল্প কুঞ্জ পার্কের সামনে হুমায়ুন মিয়াসহ তিন-চারজন মিলে ছয় তলা বিশিষ্ট দুটি ভবনের নির্মাণকাজ করছেন। কালামপুর এলাকার পুরোনো সিনেমা হলসংলগ্ন বনের জমিতে বহুতল একটি ভবনের কাজ করছেন সিরাজ উদ্দিন।

জানতে চাইলে সিরাজ উদ্দিন বলেন, নিজের জমিতেই তিনি নির্মাণকাজ করছেন। তবে তাঁর জমির দুই পাশে বনের জমি আছে। এ জন্য চন্দ্রা বিট অফিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেই কাজ করা হচ্ছে। হুমায়ুন মিয়াও একই ধরনের কথা বলেন। চন্দ্রা এলাকার একাধিক বাসিন্দা বলেন, কালামপুর-সহ আশপাশের এলাকায় প্রতিনিয়ত বনের জমিতে নতুন নতুন ঘরবাড়ি তৈরি করা হচ্ছে। এসব নির্মাণকাজের সঙ্গে কাশেম কমিশনার  যোগসাজশ রয়েছে।

অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, কালিয়াকৈরে ভূমিদস্যু চাঁদা না পেয়ে (অব:) সার্জেন্টের জমি দখলের পায়তারা করছে ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবুল কাশেম ভূক্তভোগীর অভিযোগ তিনি বলেন আমি উক্ত জমি১৯৯৬সনে ক্রয় করে নাম জারী জমাভাগ খাজনা পরিশোধ করে শাস্তি পুর্ন ভাবে ভোগ করে করিয়া আসিতেছি। হঠাৎ বিগত ২০১৮সনে কালিয়াকৈর পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ভূমিদস্যু মোঃ কাশেম আমার নিকট ৫লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। আমি চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভূমিদস্যু কাশেম আমার উপর বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার নির্যাতন করেতে থাকে। আমি অত্যাচার নির্যাতন থেকে রক্ষা পেতে গাজীপুর জেলা প্রশাসকের নিকট একটি অভিযোগ দায়ের করি আমার জমি ভূমিদস্যু হাত থেকে রক্ষা করতে।

তিনি আরো বলেন, আমি জেলা প্রশাসক বরাবর দরখাস্ত করায় ভূমিদস্যু ক্ষীপ্ত হইয়া উঠিলে আমি কালিয়াকৈর থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করি যাহার নং ২৭৬ তারিখ ০৭/০৫/২০১৯ উক্ত ডায়রি করায় ভূমিদস্যু কাশেম আমার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (কালিয়াকৈর)গাজীপুর একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেন মামলা নং ৩২৬/২০১৯ধারা ১৪৪ উক্ত মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পরে আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন। ভূমিদস্যু ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ কাশেম এতেও ক্ষান্ত হয়নি পুনরায় শ্রী সুভাষ চন্দ্র বর্মন গং দের নিকট থেকে একটি আমমোক্তারনামা দলিল করে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (কালিয়াকৈর) গাজীপুর একটি সি আর মামলা দায়ের করেন যাহার নং ৬৫৯ তারিখ ০৩/১২/২০১৯ মামলাটি চলমান ।

ভূক্তভোগী (অব) সার্জেন্ট মোঃ হাতেম আলী জানান যেহেতু আমার খাজনা পরিশোধ নিজের দখলে ৪০ শতাংশ জমি বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করে একটি পাকা ঘর নির্মাণ করে আছি অন্যের বিনা বাধায় ।উক্ত জমি আমি ক্রয় করি। সি,এস রেকর্ডের মালিক ভিবু কোচ গং এর নিকট হইতে ধারাবাহিকভাবে জমি ক্রয় করে। ভাসানী মহন কোচ বর্মন গং এরা বিক্রি করে খুশী মোহন নম দাস গং ক্রয় করে ।এরা বিক্রি করে মোঃ আফাজ উদ্দিনের ক্রয় করে ।

এ বিক্রি করে ফিরোজা ইয়াসমিন ক্রয় করে। এ বিক্রি করে শ্রী নরেন্দ্র চন্দ্র সরকার ক্রয় করে। এবং সে বিক্রি করে মোঃ হাতেম আলী ক্রয় করে নির্দ্বিধায় বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করে নিজের দখলে আছে। জমির তফসিল পরিচয় থানা-কালিয়াকৈর মৌজা-কালামপুর সি,এস খতিয়ান নাম্বার-২৭এস,এ খতিয়ান নাম্বার-৪৭ ,সি,এস,ও এস,এ দাগ নং-৮৬/৮৭/৮৮/৮৯জমির পরিমাণ-২ একর ৯২ শতাংশ।আর,এস খতিয়ান নাম্বার-১৩৩ আর,এস, দাগ নাম্বার-১৬০/১৬৩/১৬৪/১৯০ মোট জমির পরিমাণ ২একর৭০ শতাংশ।

উল্লেখ্য সি,এস,ওএস,এ রেকর্ড অনুযায়ী আর ,এস রেকর্ড এ জমি কম উঠেছে ২২ শতাংশ উক্ত ২২ শতাংশ জমি ভূমিদস্যু ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাশেম একটি আমমোক্তারনামা দলিল করে মোঃ হাতেম আলীর জমি আত্মসাতের পায়তারা করছে । কাউন্সিলর কাশেম সরকার দলীয় তাই ক্ষমতার অপব্যবহার করছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার মানুষ জানান যে তার বিরুদ্ধে মূখ খুলতে ভয় পায় ।

যে তার বিরুদ্ধে কথা বলে তাকে মিথ্যা মামলা সহ বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার নির্যাতন ও হয়রানির করে। ভুক্তভোগী এক জন ( অব)সেনাসদস্য সার্জেন্ট মোঃ হাতেম আলী তার জীবনের অর্জন এই জমিটি রক্ষা করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট আকুল আবেদন ভূমিদস্যুর কবল থেকে রক্ষা করবেন।

গাজিপুরের কালিয়কৈরে কথায় কথায় অস্ত্র প্রদর্শন, গুলি করে মানুষ হত্যা, বুলেটের ভয় দেখিয়ে ত্রাস সৃষ্টি যেন অহরহ ঘটনা। ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাশেমের সন্ত্রাসী বাহিনীর পাশাপাশি ব্যক্তিগত ভাবেও অনেকের কাছে রয়েছে অবৈধ অস্ত্র। দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্রের পাশাপাশি অত্যাধুনিক সব অস্ত্রও রয়েছে তাদের হাতে। বিভিন্ন বাহিনীর একাধিক সূত্র ও স্থানীয়দের ধারণা, পুরো কালিয়াকৈর থানা এলাকায় কয়েকশ অবৈধ অস্ত্র রয়েছে। কল-কারখানা, মিল-ফ্যাক্টরি, ইন্ডাস্ট্রি এরিয়া হওয়ায় ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাশেম আধিপত্য বিস্তার, মাদক ব্যবসা এবং এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে চাঁদাবাজি, ডাকাতি ও রাজনৈতিক নেতাদের সুনজরে থাকতেই ব্যবহার করে এসব অস্ত্র। বিভিন্ন সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে সন্ত্রাসীদের অনেকেই অস্ত্রসহ ধরা পড়লেও তাদের গডফাদার ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাশেম রয়ে গেছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।