সোমবার ১০ই মে, ২০২১ ইং ২৭শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

Ad

টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে ইমারজেন্সি ব্রাদারদের কারণে দালালদের বাণিজ্য চরমে…

আপডেটঃ ১০:২০ অপরাহ্ণ | মার্চ ১৩, ২০২১

শামীমা খানম-: শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে  ইমারজেন্সি ব্রাদার্সের সখ্যতায়, বেসরকারি ক্রিসেন্ট হাসপাতালের  দালাল দের কাছে জিম্মি চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও রোগীর স্বজনরা। নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা এখন চলমান।হাসপাতালের প্রতিটি কক্ষে সিসি ক্যামেরা নজর লক্ষ্য করা গেলেও সিসি ক্যামেরা খুঁজে পাওয়া যায়নি ডাক্তারদের রুমে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক  ডাক্তার জাহাঙ্গীর আলমের রুমে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে সবকিছু। বাস্তবে নেই এর কোনো কার্যকারিতা,ভোর হতে গভীর রাত পর্যন্ত চলে দালাল ও হাসপাতালের ডাক্তার ,ব্রাদার্সের নৈরাজ্য।প্রতিদিন 30 টি রোগী  এইভাবে হাতিয়ে নিচ্ছে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার নাম করে এসব হাসপাতালের দালালগুলো। হার্টের সমস্যা নিয়ে আসে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে টঙ্গী  পাগারের নিবাসী আবদুল কাশেম।অভিভাবকরা জানান, পিঁপড়ের মতো মৌচাক বেদে কয়েকজন দালাল এসে অ্যাম্বুলেন্সের গাড়ি  দর-কষাকষি করতে।

নিজেদের ব্যক্তিগত বা অন্যান্য গাড়িতে এই রোগী বহন করতে পারবে না  এমনটা বলে জানান, অনেক অভিভাবক। অবশেষে আবদুল কাশেমকে অনেক দর কষাকষি করে ক্রিসেন্ট হাসপাতলের অ্যাম্বুলেন্সে করে টঙ্গী সরকারি হাসপাতাল থেকে নিয়ে যান দালাল মিন্টু ,পলাশ, সুমন, আকাশ, এইভাবে প্রতিদিন সরকারি হাসপাতালে এম্বুলেন্স গাড়ি  থাকা সত্ত্বেও বেসরকারি হাসপাতাল এর এম্বুলেন্স গাড়ির দালালদের   কাছে বিক্রি হয়ে গেছেন ইমারজেন্সি ব্রাদার্সেরা ও ডাক্তারা। সরকারি হাসপাতালের ড্রাইভার সিরাজ জানান, হাসপাতালের রোগী আমরা পাইনা, ইমারজেন্সি  ব্রাদার্সরা আমাকে কোন রোগী দেয় না তারা বিক্রি করে প্রাইভেট হাসপাতাল এর কাছে। এসকল বিষয় নিয়ে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে, তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার জাহাঙ্গীর আলমের কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন , আমিও দালালমুক্ত হাসপাতাল দেখতে চাই।