সোমবার ১০ই মে, ২০২১ ইং ২৭শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

Ad

শাহজালালে দুই যাত্রীর পেটের ভেতর থেকে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার ইয়াবা উদ্বার..

আপডেটঃ ১০:৫১ অপরাহ্ণ | মার্চ ১৪, ২০২১

এস,এম,মনির হোসেন জীবন : কক্সবাজার থেকে পেটের মধ্যে বিশেষ কায়দায় ৭ হাজার ৯শত ৯০ পিস ইয়াবা নিয়ে বিমানবন্দর দিয়ে বাহির হবার সময় দুই যাত্রীকে গ্রেফতার করেছে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ (এপিবিএন)।আটক দুই ব্যক্তিরা হলো মোঃ সফিকুল আলম (৪২) ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (২১)।প্রায় ১২ ঘণ্টা পরে তাদের পেট থেকে ১৬০ প্যাকেট ইয়াবা বের করে আনা হয়। জব্দকৃত ইয়াবার বাজার মূল্য প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা বলে জানা গেছে।কক্সবাজার থেকে নভোএয়ারের একটি ফ্লাই্টে করে তারা ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছালে তাদেরকে গ্রেফতার করে এপিবিএন পুলিশ। বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশন্স) মোঃ আলমগীর হোসেন শিমুল আজ রোববার বিকেলে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, কক্সবাজার থেকে নভোএয়ারের  একটি ফ্লাইটে (ভিকিউ ৯৩২) নম্বরের উড়োজাহাজটি শনিবার রাতে  হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে অবতরণ করে। আর ওই বিমানের যাত্রী ছিলেন  মোঃ সফিকুল আলম (৪২) ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (২১)। তারা দু’জন  পেটের মধ্যে বিশেষ কায়দায় ইয়াবা নিয়ে বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরের বহিরাঙ্গনের পার্কিং এলাকার পাবলিক টয়লেটের সামনে আসে।  এসময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের চ্যালেঞ্জ করে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের সদস্যরা। জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা তাদের পেটের ভিতর ইয়াবা থাকার কথা স্বীকার করে। পরবর্তীতে প্রায় ১২ ঘণ্টা পরে তাদের পেট থেকে ১৬০ প্যাকেট ইয়াবা বের করে আনা হয়। তার মধ্যে ৭ হাজার ৯শত ৯০ পিস  ইয়াবা রয়েছে। যার মুল্য প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা।আলমগীর হোসেন শিমুল বাসসকে আরও জানান, মোঃ ফয়সল (২৮) নামের আরেক যাত্রী ও মাদক ব্যবসায়ী এই ইয়াবার অর্থের যোগানদাতা। অভিযানের সময়  সে পিছনে থাকায় গ্রেফতার এড়াতে সক্ষম হয়। তাদের সবার বাড়ি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার হ্নীলাতে বলে জানা গেছে  । প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা এপিবিএন পুলিশের কাছে স্বীকার করে যে, তারা উভয়ে চালান প্রতি ১৫ হাজার করে টাকা পেতো।  কিন্তু তাকেও এজাহারে আসামী করা হয় বলে জানা গেছে।এবিষয়ে আজ রোববার বিকেল  ৫ টায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান এপিবিএন পুলিশের এ কর্মকর্তা।